জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র ১. কোষ ও এর গঠন (Cell & Its Structure) কোষের ইতিকথা সেন্ট্রিওল ও সেন্ট্রোসোম: প্রধানত প্রাণিকোষের বৈশিষ্ট্য। জীবজগতের সর্বাপেক্ষা ছোট কোষ: Mycoplasma নামক PPLO । জীবজগতের সবচেয়ে বড় কোষ: উটপাখির ডিম। মানবদেহের ক্ষুদ্রতম কোষ: লিম্ফোসাইট। মানবদেহের দীর্ঘতম কোষ: স্নায়ুকোষ (নিউরন)। কোষ নিয়ে আলোচনাকারী বিদ্যা: Cytology । কোষতত্ত্ব প্রদান করেন: স্লাইডেন ও সোয়ান। কোষের আবিষ্কারক ও Cell শব্দটির প্রবর্তক: রবার্ট হুক। কোষীয় বস্তু বা Cell Inclusion : সঞ্চিত খাদ্যবস্তু, ক্ষরিত পদার্থ এবং বর্জ্য পদার্থসমূহ। কোষের ঝিল্লিযুক্ত অঙ্গাণু: ক্লোরোপ্লাস্ট, মাইটোকন্ড্রিয়া, গলজি বস্তু, লাইসোসোম, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম, নিউক্লিয়াস, মাইক্রোবডিস। স্টার্চ বা শ্বেতসার সঞ্চয় করে: অ্যামাইলোপ্লাস্ট। প্রোটিন জাতীয় পদার্থ সঞ্চয় করে: অ্যালিউরোপ্লাস্ট। তেল ও স্নেহ বা লিপিড জাতীয় পদার্থ সঞ্চয় করে: ইলায়োপ্লাস্ট। কোষের বিভিন্ন অঙ্গাণু প্রাণীকোষে লাইসোসোমের কাজ: পরিপাক করা। প্লাজমা মেমব্রেনের 'ফ্লুইড মোজাইক মডেল' প্রবর্তন করেন: সিঙ্গর ও নিকলসন। কোন প্রাণীর কোষে প্লাস্টিড পাওয়া যায়: ইউগ্লিনা। কোষীয় চলনে ফ্ল্যাজেলা সৃষ্টিতে সহায়তা করে: মাইক্রোটিউবিউলস। ATPase এনজাইম উপস্থিত থাকে: গলজি বডি। কোষের " Suicidal squad " বলা হয়: লাইসোসোম। নিউক্লিওলাস প্রথম আবিষ্কার করেন: ফন্টানা (১৭৮১)। নিউক্লিওলাসের রাসায়নিক উপাদান: DNA, RNA ও প্রোটিন। নিউক্লিওটাইডের ভান্ডার হিসেবে কাজ করে: নিউক্লিওলাস। কোষস্থ খনিজ ক্রিস্টাল: ক্যালসিয়াম অক্সালেট। কোষস্থ খনিজ ক্রিস্টাল সুচের মতো হলে: র্যাফাইড। আঙ্গুরের থোকার মতো ক্যালসিয়াম কার্বনেটের ক্রিস্টাল: সিস্টোলিথ। শুক্রাণুর ৯০% অংশই নিউক্লিয়াস। বহু নিউক্লিয়াস বিশিষ্ট গঠন: সিনোসাইট। শুক্রাণুর লেজ গঠনে সাহায্য করে: সেন্ট্রিওল। সেন্ট্রোস্ফিয়ারসহ সেন্ট্রিওলকে বলা হয়: সেন্ট্রোজোম। কোষের স্বপ্রজননক্ষম অঙ্গাণু: সেন্ট্রিওল। থাইলাকয়েড থাকে: ক্লোরোপ্লাস্টে। ক্লোরোপ্লাস্টের ম্যাট্রিক্স: স্ট্রোমা। প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্টে গ্রানার সংখ্যা: প্রায় ৪০-৬০টি। Spirogyra -এর ক্লোরোপ্লাস্ট: সর্পিলাকার বা ফিতাকৃতি। উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদকোষে ক্লোরোপ্লাস্টের সংখ্যা: ১০-৪০টি। সর্বপ্রথম উদ্ভিদকোষে সবুজ বর্ণের প্লাস্টিড লক্ষ করেন এবং ক্লোরোপ্লাস্ট নামকরণ করেন: শিম্পার (১৮৮৩)। মাইটোকন্ড্রিয়ায় এনজাইম ও কো-এনজাইম: প্রায় ১০০ ধরনের। ক্রিস্টি ধারণ করে: মাইটোকন্ড্রিয়া। উদ্ভিদের প্রতিকোষে মাইটোকন্ড্রিয়ার সংখ্যা: ৩০০-৪০০। ক্রেবস চক্র, ফ্যাটি এসিড চক্র, ETC , অক্সিডেটিভ ফসফোরাইলেশন ঘটে: মাইটোকন্ড্রিয়নে। মাইটোকন্ড্রিয়াকে বলা হয়: কনড্রিওজোম ও প্লাজমোজোম। মাইটোকন্ড্রিয়াকে বায়োপ্লাস্ট নামে অভিহিত করেন: অল্টম্যান (১৮৯৪)। মাইটোকন্ড্রিয়া প্রথম প্রত্যক্ষ ও আবিষ্কার করেন: কলিকর (১৮৫০)। এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলামে এনজাইম: ১৫ ধরনের। প্রোটোপ্লাজমের কাঠামো হিসেবে কাজ করে: এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম। কোষে কেরাটিন প্রস্তুত করে: লাইসোসোম। অন্তঃকোষীয় পরিপাকে সাহায্য করে: লাইসোসোম। লাইসোসোমকে বলা হয়: কোষের পাকস্থলী/সুসাইডাল স্কোয়াড/আত্মঘাতী থলিকা/ডাইজেস্টিভ ব্যাগ। কোষ বিভাজনকালে কোষপ্লেট তৈরি করে: গলজি বস্তু। শুক্রাণুর অ্যাক্রোজোম গঠনে সহায়তা করে: গলজি বস্তু। ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন- C ও ভিটামিন- K , ATPase ও ট্রান্সফারেজ এনজাইম পাওয়া যায়: গলজি বস্তুতে। গলজি বস্তুকে বলা হয়: কোষের প্যাকেজিং কেন্দ্র বা কোষের ট্রাফিক পুলিশ। উদ্ভিদ কোষে গলজি বডিকে বলা হয়: কার্বোহাইড্রেট ফ্যাক্টরি। mRNA -এর সঙ্গে বহু রাইবোজোম যুক্ত হয়ে যে রাইবোজোম শৃঙ্খল তৈরি হয়: পলিরাইবোজোম (৫-৫০টি)। রাইবোজোমের বড় উপএককে সাইট বা অঞ্চল: ৪টি ( E -সাইট, P -সাইট, A -সাইট ও mRNA এর সংযুক্তির স্থান)। কোষগহ্বরের অভ্যন্তরের রস: কোষরস (টনোপ্লাজম)। কোষের অভ্যন্তরের pH রক্ষা করে: সাইটোপ্লাজম। জীবের সকল বিপাকীয় কাজের নিয়ন্ত্রক: সাইটোপ্লাজম। সাইটোপ্লাজমীয় মাতৃকার বহিঃস্থ অপেক্ষাকৃত বেশি ঘন অঞ্চল: এক্টাপ্লাজম। সাইটোপ্লাজমীয় মাতৃকার কেন্দ্রস্থ অপেক্ষাকৃত কম ঘন অঞ্চল: এন্ডোপ্লাজম। কোষগহ্বরের চারদিকে সাইটোপ্লাজমের হালকা স্তর: টনোপ্লাজম/টনোপ্লাস্ট। সাইটোপ্লাজমের মাতৃকা: হায়ালোপ্লাজম বা সাইটোসল। কোষঝিল্লির অনেকটা তরল পদার্থের ন্যায় আচরণ: Flip-flop movement । একক পর্দা (ইউনিট মেমব্রেন) মডেল প্রস্তাব করেন: রবার্টসন (১৯৫৯)। প্লাজমামেমব্রেন কঠিন ও তরল বস্তু গ্রহণ করে: ফ্যাগোসাইটোসিস ও পিনোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়। বায়োমেমব্রেন বলা হয়: কোষঝিল্লিকে। প্রোটোপ্লাজমের চলন: সাইক্লোসিস। কোষের সজীব বা জীবন্ত বস্তু: প্রোটোপ্লাজম। প্রতিটি মাইসেলিতে সেলুলোজ অণুর সংখ্যা: প্রায় ১০০টি। পাশাপাশি দুটি কোষের মধ্যে বিভিন্ন পদার্থের আদান-প্রদান ঘটায়: প্লাজমোডেসমাটা। প্রোটোপ্লাজমের সুতার মতো অংশ: প্লাজমোডেসমা। কোষপ্রাচীর গঠনের ক্রসলিংক হিসেবে কাজ করে: জাইলোগ্লুকান। মধ্যপর্দার সূচনা ঘটে: টেলোফেজ পর্যায়। মধ্যপর্দা পূর্ণতা পায়: সাইটোকাইনেসিস পর্যায়ে। পূর্ণ বিকশিত উদ্ভিদকোষের কোষপ্রাচীর: ৩ স্তরবিশিষ্ট। এক স্তরবিশিষ্ট: মধ্যপর্দা। কোষপ্রাচীর থাকে না: প্রাণিকোষ, পরাগরেণু ও উদ্ভিদের জননকোষে। উদ্ভিদকোষের অনন্য বৈশিষ্ট্য: কোষপ্রাচীর। ২. কোষ বিভাজন (Cell Division) কোষচক্র ও অ্যামাইটোসিস আদিকোষের বিভাজন প্রক্রিয়া: অ্যামাইটোসিস বা দ্বিবিভাজন। প্রকৃতকোষের বিভাজন প্রক্রিয়া: মাইটোসিস ও মিয়োসিস। ইন্টারফেজের ( S ) দশায় DNA প্রতিলিপন হয়। কতক ঈস্ট, অ্যামিবা প্রভৃতি এককোষী জীবে অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন দেখা যায়। ইন্টারফেজ অবস্থায় কোষের নিউক্লিয়াস: বিপাকীয় নিউক্লিয়াস। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের দেহে কোষের সংখ্যা: $100 \times 10^{10}$ টি। কোষচক্রের G1 দশায় সময় ব্যয়: ৩০-৪০%। কোষচক্রের G2 দশায় সময় ব্যয়: ১০-২০%। কোষচক্রের S দশায় বা সংশ্লেষণ দশায় ব্যয়িত সময়: ৩০-৫০%। কোষ বিভাজনে বাহ্যিক উদ্দীপনা প্রদান করে: বিভিন্ন হরমোন ও গ্রোথ ফ্যাক্টর। কোষ বিভাজনে অভ্যন্তরীণ উদ্দীপনা দান করে: Cyclin Cdk যৌগ। অ্যামাইটোসিস অপর নাম: প্রত্যক্ষ কোষ বিভাজন। কোষচক্র আবিষ্কার করেন: হাওয়ার্ড ও পেল্ক। কোষচক্রের মাইটোসিসে ব্যয়: ৫-১০% সময়। মাইটোসিস নিউক্লিওপ্লাজমের অপর নাম: ক্যারিওলিম্ফ। প্রো-মেটাফেজ পর্যায়ে ক্রোমোসোমীয় নৃত্য দেখা যায়। Chlamydomonas -এ মাইটোসিস প্রক্রিয়ায় বংশবৃদ্ধি ঘটে। নিউক্লিয়াসের বিভাজন: ক্যারিওকাইনেসিস। সাইটোপ্লাজমের বিভাজন: সাইটোকাইনেসিস। মেটাফেজ পর্যায়ে ক্রোমাটিডগুলো: সবচেয়ে বেশি মোটা, খাটো ও স্পষ্ট দেখা যায়। ডাবের পানিতে: মুক্ত নিউক্লিয়ার বিভাজন ঘটে। বহু নিউক্লিয়াসবিশিষ্ট প্রাণিকোষ: প্লাজমোডিয়াম। উদ্ভিদকোষ: সিনোসাইট। কোষের মৃত্যু: Necrosis (পুষ্টির অভাবে বা বিষাক্ত দ্রব্যের প্রভাবে মৃত্যু) এবং Apoptosis বা Programmed cell Death । অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ক্রোমোজোমকে অ্যানাফেজ পর্যায়ে: J-Shaped । মাইটোসিস কোষ বিভাজনে ক্রোমোজোমের দ্বিতন হয়: অ্যানাফেজ। মাইটোসিসের ক্ষণস্থায়ী পর্যায়: প্রো-মেটাফেজ। স্পিন্ডল যন্ত্রের বিষুবীয় অঞ্চলে ক্রোমোজোমের বিন্যস্ত হওয়া: মেটাকাইনেসিস। ক্রোমোজোমীয় নৃত্য পরিলক্ষিত হয়: প্রো-মেটাফেজ। মাইটোসিসের দীর্ঘস্থায়ী পর্যায়: প্রোফেজ। মাইটোসিসের কোন ধাপে নিউক্লিয়ার মেমব্রেন ও নিউক্লিয়াসের সম্পূর্ণ বিলুপ্তি ঘটে: মেটাফেজ। মাইটোসিস সংঘটিত হয়: দেহকোষে (ব্যতিক্রম-প্রাণীর স্নায়ুকোষ) ও জনন মাতৃকোষ ছাড়া জননাঙ্গের অন্যান্য কোষে। মাইটোসিস কোষ বিভাজনের অপর নাম: সমীকরণিক বিভাজন বা পরোক্ষ বিভাজন। নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে প্রত্যক্ষ করে ক্যারিওকাইনেসিস নাম দেন: শ্লেইখার। ক্রোমোজোম গতিপ্রাপ্ত হয়: অ্যানাফেজ। অপত্য ক্রোমোজোম মেরুমুখী হয়: অ্যানাফেজ। জীবের দৈহিক বৃদ্ধি ঘটে: মাইটোসিস বিভাজনে। জীবদেহের যেকোনো ক্ষতস্থান পূরণ হয়: মাইটোসিস প্রক্রিয়ায়। নিউক্লিয়াস ও ক্রোমোজোম একবার করে বিভাজিত হয়: মাইটোসিসে। সর্বপ্রথম সামুদ্রিক স্যালামান্ডারের কোষ বিভাজন প্রত্যক্ষ এবং মাইটোসিস শব্দটি প্রবর্তন করেন: W. Fleming । মিয়োসিস থমাস হান্ট মর্গান ১৯০৯ সালে ভূট্টা উদ্ভিদে প্রথম ক্রসিং ওভার সম্পর্কে ধারণা দেন। প্রতিটি জোড়াবাঁধা ক্রোমোসোমকে: বাইভ্যালেন্ট। মেন্ডেলের সূত্রের ব্যাখ্যা মায়োসিস ছাড়া দেওয়া সম্ভব না। ডিপ্লয়েড জীবে: টার্মিনাল মায়োসিস। সপুষ্পক উদ্ভিদে: স্পোরিক মায়োসিস। ছত্রাক ও শৈবালে: জাইগোটিক মায়োসিস। মিয়োসিসের কোন পর্যায়ে হোেমালোগাস ক্রোমোজোম পৃথক হয়: অ্যানাফেজ-১। ক্রসিংওভারের হার নির্ণয় করা হয়: ক্রোমোজোম ম্যাপে। নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের নির্দিষ্ট অংশ ভাঙ্গে: এন্ডোনিউক্লিয়েজ। কায়াজমা অংশে ক্রোমাটিডগুলো জোড়া দেয়: লাইগেজ এনজাইম। সর্বপ্রথম বাইভ্যালেন্টের দুটি সেন্ট্রোমিয়ার ও চারটি ক্রোমাটিড পরিলক্ষিত হয়: প্যাকাইটিন। মিয়োসিস কোষ বিভাজন কোন উপধাপে সিন্যাপসিস ঘটে: জাইগোটিনে। প্রোফেজ-১ এর কোন দশায় প্রাণিকোষে সেন্ট্রিওল অবিভক্ত থাকে: লেপ্টোটিন। বংশগতীয় বৈশিষ্ট্যর পুনর্বিন্যাস ঘটে: মিয়োসিসে। স্পোরোফাইটিক উদ্ভিদে মিয়োসিস ঘটে: জাইগোট। মাইটোসিসের অনুরূপ: মিয়োসিস-২। মিয়োসিস কোথায় ঘটে: ডিপ্লয়েড ও পলিপ্লয়েড জীবের জনন মাতৃকোষে এবং হ্যাপ্লয়েড জীবের জাইগোটে। মিয়োসিসের অপর নাম: হ্রাসমূলক কোষ বিভাজন। ক্রসিংওভারের সময় সৃষ্ট কায়াজমার আকৃতি: X এর মতো। বাইভ্যালেন্টে সৃষ্ট চারটি ক্রোমাটিডকে একত্রে: টেট্রাড। মিয়োসিস কোষ বিভাজনে ক্রোমোজোমের বিভাজন ঘটে: একবার। সাইটোপ্লাজম ও নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়: দু'বার। ৪. অণুজীব (Microorganism) ভাইরাস একসূত্রক RNA দেখা যায়: TMV । দ্বিসূত্রক RNA দেখা যায়: রিওভাইরাস। ভাইরোলজির জনক: W.M. Stanley । ভাইরাস জনিত রোগ: পোলিও। ল্যামডা ফায, P1 ফায, M13 ইত্যাদি ভাইরাস E.coli ব্যাকটেরিয়া কোষে লাইসোজেনিক চক্র সম্পন্ন করে। T2 নামক ভাইরাসে: শুধু DNA থাকে। বিপাকীয় এনজাইম নেই: ভাইরাসে। ডেঙ্গু ভাইরাস দ্রুত সংখ্যা বৃদ্ধি করে: মশকীর দেহে। ডেঙ্গু জ্বর: Break bone fever । ডেঙ্গুতে রক্তকণিকাটি অস্বাভাবিকভাবে কমে যায়: প্লেটলেট। ডেঙ্গু জ্বর: ফ্ল্যাভি ভাইরাসজনিত রোগ। হেপাটাইটিস বি ভাইরাসের নিউক্লিক অ্যাসিড: DNA । সবচেয়ে বেশি মরাত্মক হেপাটাইটিস: হেপাটাইটিস বি এবং সি। সুনির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাস আবিষ্কার হয়নি: হেপাটাইটিসের। HVB এর সুপ্তকাল: ৪৫-১৮০ দিন। যকৃতের প্রদাহজনিত সমস্যা: হেপাটাইটিস। PRSV - এর আকৃতি: দণ্ডাকৃতি। পেঁপের রিংস্পট সংক্রমিত হয়: PRSV দ্বারা। PRSV -এর বাহক: এফিড। সোয়াাইন ফ্লু রোগের জন্য দায়ী ভাইরাস: H5N1 (মানুষের) ও H1N1 (শুকরের)। ভাইরাসজনিত রোগ: পোলিও, বসন্ত, হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হার্পিস, জলাতঙ্ক, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, হেপাটাইটিস ইত্যাদি। লাইটিক ফাযের অপর নাম: ভিরুলেন্ট ফায। T2 ফায দেখতে: ব্যাঙাচি আকৃতির। T2 ব্যাকটেরিওফায-এর নিউক্লিক অ্যাসিড: দ্বিসূত্রক DNA । E.coli এর দেহে সংক্রমণ সৃষ্টি করে: T ফায ভাইরাস। ভাইরাসের প্রোটিন নির্মিত আবরণ: ক্যাপসিড। ভাইরাসের প্রোটিন আবরণ: অ্যান্টিজেনিক। প্রিয়নস: সংক্রামক প্রোটিন ফাইব্রিল। সংক্রমণক্ষম ভাইরাসের কণা: ভিরিয়ন। একসূত্রক DNA ভাইরাস: কোলিফায। দ্বিসূত্রক DNA ভাইরাস: ভ্যাক্সিনিয়া। টোবাকো মোজাইক ভাইরাসের আকার: দণ্ডাকার। ঘনক্ষেত্রাকার বা পাউরুটি আকৃতির ভাইরাস: ভ্যাক্সিনিয়া। ভাইরাস সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয়: তামাকের মোজাইক রোগ থেকে। রিভার্স-ট্রান্সক্রিপশন ঘটে: HIV তে। ব্যাকটেরিয়া আলুর স্ক্যাব রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব: Streptomyces scabies । ধানের ব্লাইট রোগের জন্য দায়ী: Xanthomonas oryzae । Acetobacter -এর সাহায্যে অ্যালকোহল থেকে তৈরি হয়: ভিনেগার। গনোরিয়া: যৌন রোগ। ভিটামিন উৎপন্নকারী ব্যাকটেরিয়া: Escherichia sp । ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ: কলেরা, যক্ষ্মা, টাইফয়েড, ধনুষ্টংকার, সিফিলিস, গনোরিয়া, লেবুর ক্যাংকার, ধানের ব্লাইট ইত্যাদি। ব্যাকটেরিয়ার দ্বিবিভাজনে সময়: ৩০ মিনিট। ব্যাকটেরিয়ার গ্রাম নেগেটিভ অঙ্গ: পিলি। ব্যাকটেরিয়া বংশ বিস্তার করে: তিন উপায়ে। ব্যাকটেরিয়ার স্বাভাবিক জনন: দ্বিবিভাজন বা বাইনারি ফিশন। ব্যাকটেরিয়ার যৌন জননের নাম: কনজুগেশন। ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমের বৃত্তাকার DNA : প্লাজমিড। ব্যাকটেরিয়া বাঁচতে পারে সর্বনিম্ন: $(-17^\circ \text{C})$ তাপমাত্রায়। বহুরূপী ব্যাকটেরিয়া: Rhizobium । কোষের একপার্শ্বে ফ্ল্যাজেলা গুচ্ছাকারে লাগানো থাকে: সেফালোট্রিকাসে। ভিব্রিও জাতীয় ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি: কমার ন্যায়। ব্যাকটেরিয়ার ক্যাপসুলের অপর নাম: স্লাইম স্তর। ব্যাকটেরিয়াকে শুষ্কতা থেকে সুরক্ষা দেয়: ক্যাপসুল। ব্যাকটেরিয়ার কোষপ্রাচীরের প্রধান উপাদান: মুরামিক অ্যাসিড (মিউকোপেপটাইড)। আণুবীক্ষণিক, ক্ষুদ্রতম ও সরলতম জীব: ব্যাকটেরিয়া। ব্যাকটেরিয়ার নামকরণ করেন: জার্মান বিজ্ঞানী Ehrenberg (১৮২৯)। ব্যাকটেরিওলজির জনক: রবার্ট কখ। পৃথিবীতে আবিষ্কৃত প্রথম অণুজীব: ব্যাকটেরিয়া। পাটের কান্ড থেকে আঁশ ছাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে: Clostridium জাতীয় ব্যাকটেরিয়া। Rhizobium ব্যাকটেরিয়া শিম জাতীয় উদ্ভিদের মূলে নডিউলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন করে। খাদ্যে বিষাক্ত পদার্থ তৈরি করে: Clostridium botulinum । নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া: Nitrosomonas । ম্যালেরিয়া ম্যালেরিয়া জ্বরের লক্ষণ প্রকাশ পায়: এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনিতে। সাফনার্স কণা দেখা যায়: অ্যামিবয়েড ট্রাফোজয়েটে। ম্যালেরিয়া পরজীবী সিগনেট রিং সৃষ্টি করে: লোহিত রক্তকণিকায়। ম্যালেরিয়া পরজীবীর ডিপ্লয়েড দশা: জাইগোট, উওকিনেট ও উওসিস্ট। P.vivax -এর গ্যামিটোগনি কোথায় সম্পন্ন হয়: মশকীর ক্রপে। এক্সফ্লাজেলেশন কোথায় ঘটে: মশকীর ক্রপে। স্পোরোজয়েট দেখতে: মাকু আকৃতির। মশকীর যৌন জননের মাধ্যমে উৎপন্ন সর্বশেষ ধাপ: স্পোরোজয়েট। মানবদেহে আক্রমণকারী ম্যালেরিয়া জীবাণুর প্রথম দশা: স্পোরোজয়েট। ম্যালেরিয়া জীবাণুর যে দশা প্রথম যকৃৎ কোষ আক্রমণ করে: স্পোরোজয়েট। Plasmodium malariae -এর সুপ্তিকাল: ১৮-৪০ দিন। ম্যালেরিয়া জীবাণুর কোন প্রজাতির সুপ্তাবস্থা সবচেয়ে কম: P.falciparum । মানবদেহে হেপাটিক সাইজোগনির সর্বশেষ ধাপ: মেরোজয়েট। মানবদেহে এরিথ্রোসাইটিক সাইজোগনির সর্বশেষ ধাপ: গ্যামিটোসাইট। বিনাইন টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার জীবাণু: Plasmodium vivax । ম্যালিগন্যান্ট টারশিয়ান ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী: P.falciparum । মানুষের দেহে Plasmodium -এর অযৌন জনন: সাইজোগনি। ম্যালেরিয়া রোগ সৃষ্টি করে Plasmodium -এর: ৪ প্রজাতি। 'ম্যালেরিয়া' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ: ‘দূষিত বা খারাপ বায়ু’। স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা: ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী। ম্যালেরিয়া পরজীবীর জীবনচক্রের প্রথম কোন ধাপে হিমোজয়েন নামক বর্জ্য পদার্থ জমা হয়: সাইজন্ট দশা। ম্যালেরিয়া জীবাণুর বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত অবস্থা: সাইজন্ট। ম্যালেরিয়া পরজীবী কোন বর্গের অন্তর্ভুক্ত: Haemosporidia । ৭. নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ (Gymnosperms & Angiosperms) নগ্নবীজী উদ্ভিদ Cycas -এর মেগাস্পোরোফিল দেখতে: সাপের ফণার মতো। সপুষ্পক উদ্ভিদে আর্কিগোনিয়া পাওয়া যায়: Cycas -এ। Cycas ও Ginkgo biloba : জীবন্ত জীবাশ্ম। Cycas -এর কোরালয়েড মূলে বাস করে: Anabaena এবং Nostoc । Cycas -এর মূল: কোরালয়েড। Cycas -এর এন্ডোস্পার্ম বা শস্য: হ্যাপ্লয়েড। পাম ফার্ন নামে পরিচিত: Cycas । নিষেকের পূর্বে শস্য উৎপন্ন হয়: জিমনোস্পার্মে। নগ্নবীজী উদ্ভিদে: গর্ভাশয় থাকে না, কাজেই ফল উৎপন্ন না। ডিম্বক উপস্থিত কিন্তু সঙ্গীকোষ অনুপস্থিত। নগ্নবীজী উদ্ভিদের দেহ: স্পোরোফাইটিক। পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম বৃক্ষ: রেড উড ট্রি ( Sequoia sempervirens )। বাংলাদেশে নগ্নবীজী উদ্ভিদ প্রাকৃতিকভাবে জন্মে: ৫ প্রজাতির। Cycas -কে: জীবন্ত জীবাশ্ম ( Living fossil )। Ephedra উদ্ভিদে দ্বিনিষেক দেখা যায়। Ephedra থেকে শ্বাসকষ্টের ওষুধ: ইফেড্রিন। আবৃতবীজী উদ্ভিদ বহুপ্রান্তীয় অমরা বিন্যাস: সরিষা/পেঁপে। ফল পাকলে নিচ থেকে উপর বরাবর ফেটে যায়: সিলিকয়া। টেপাল: পুষ্পপুট। আবৃতবীজী উদ্ভিদের সস্য: ট্রিপ্লয়েড। পৃথিবীর সবচেয়ে উচু আবৃতবীজী: Shorea faguetiana । পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট আবৃতবীজী উদ্ভিদ: Wolffia microscopica । পৃথিবীর সবচেয়ে প্রভাবশালী উদ্ভিদগোষ্ঠী: আবৃতবীজী। Delonix regia (কৃষ্ণচূড়া), Cassia sophera (কালকাসুন্দা) ফুলে ইমব্রিকেট পুষ্পপত্রবিন্যাস দেখা যায়। মূলা, গাজর, বীট: রূপান্তরিত প্রধান মূল। আলু, মিষ্টি আলু: মূলের স্ফীত অংশ-টিউবার। সুপারফিশিয়্যাল বা গাত্রীয় প্লাসেন্টেশন: Nelumboo nucifera (পদ্মা), Nymphaea nouchali (শাপলা)। মার্জিনাল বা একপ্রান্তীয় অমরাবিন্যাস: Pisum Sativum (মটরশুটি), Lablab purpureus (শিম)। প্যারাইটাল বা বহুপ্রান্তীয়: Cucumis sativus (শশা), Lagenaria vulgaris (লাউ)। স্পাইকলেট এর উদাহরণ: ধান, গম, ঘাস। বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম আবৃতবীজী উদ্ভিদ: Wolffia arrhiza । গোত্র পরিচিতি Poaceac গোত্রের পূর্ব নাম: Gramineae । Poaceac গোত্রের উদ্ভিদের (ধানের) মঞ্জুরি: স্পাইকলেট। ধারেন শুন্য গ্রুম: ২ টি। Poaceac গোত্রের ফুলের উদ্ভিদের ধরন: ট্রাইমেরাস। Poaceac গোত্রের উদ্ভিদের (ধানের) ফল: ক্যারিওপসিস। Poaceac গোত্রের উদ্ভিদের পরাগধানী: সর্বমুখ। Liliopsdia : একবীজীপত্রী উদ্ভিদ। Magnoliopsida : ট্রিপ্লয়েড। Malvaceae গোত্রের উদ্ভিদ: জবা ( Hibiscus rosa-sinensis ), ঢেঁড়স ( Abelmoschus esculentus ), কার্পাস তুলা ( Gossypium herbaceum ) ইত্যাদি। Malvaceae গোত্রের পুংস্তবকের গঠন: একগুচ্ছক। Malvaceae গোত্রের পরাগধানী: বৃক্কাকার। Malvaceae গোত্রের ফলের ধরন: ক্যাপসুল। Malvaceae গোত্রের পরাগরেণু: বড় ও কণ্টকিত। বাংলাদেশ Malvaceae গোত্রের পাপরি বিন্যাস: টুইস্টেড। জবা ফুল ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়: অর্শ্বরোগ ও রক্ত আমাশয় চিকিৎসায়। অ্যালকোহল ও ভিনেগার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়: Saccharum officinarum (আখ, ইক্ষু)। মিউসিলেজযুক্ত কচি অঙ্গ থাকে: Malvaceae গোত্রে। Malvaceae গোত্রের অমরাবিন্যাস: অক্ষীয়। সমান্তরাল শিরাবিন্যাস: একবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। বহুমূত্র রোগের ঔষধ: Abelmoschus esculentus (ঢেঁড়স)। ৮. টিস্যু ও টিস্যুতন্ত্র (Tissue and Tissue System) টিস্যু কাণ্ডের পরিধি বৃদ্ধির জন্য দায়ী: ক্যাম্বিয়াম টিস্যু। তরুণ মূলের ভাজক টিস্যু: রিব ভাজক টিস্যু। গাছের ত্বক ও পাতা সৃষ্টি করে: প্লেট ভাজক টিস্যু। উদ্ভিদের আয়তন বৃদ্ধি করে: প্লেট ভাজক টিস্যু। কাজ অনুসারে ভাজক টিস্যু: প্রোটোডার্ম, প্রো- ক্যাম্বিয়াম ও গ্রাউন্ড মেরিস্টেম। ক্যাম্বিয়াম: পার্শ্বীয় ভাজক টিস্যু। ভাজক টিস্যুর কোষসমূহ: আন্তকোষীয় ফাঁকবিহীন। ক্যাসপেরিয়ান স্ট্রিপ থাকে: অন্তঃত্বকে। মূলজ চাপ নিয়ন্ত্রণ করে: এন্ডোডার্মিস। পাটের আঁশ: সেকেন্ডারি ফ্লোয়েম টিস্যু। পরিণত জাইলেম টিস্যুর সজীব কোষ: জাইলেম প্যারেনকাইমা। মজ্জার প্রধান কাজ: খাদ্য সঞ্চয়। মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে ও প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে: জাইলেম এক্সার্ক (মূলে)। মেটাজাইলেম পরিধির দিক ও প্রোটোজাইলেম কেন্দ্রের দিকে: জাইলেম এন্ডার্ক (কাণ্ড)। বিভাজন ক্ষমতা অনুসারে টিস্যু: ২ প্রকার। কোষগুলো একতলে বিভাজিত হয়: রিব ভাজক টিস্যুর। জাইলেম টিস্যু: ৪ ধরনের কোষ নিয়ে গঠিত। ভাজক টিস্যুর কোষগুলো: সেলুলোজ নির্মিত পাতলা কোষপ্রাচীর বিশিষ্ট। বর্ধনশীল ভ্রূণ, রেণুথলি, এন্ডোস্পার্ম, মজ্জা, কর্টেক্স: মাস ভাজক টিস্যুর উদাহরণ। পরিবহন টিস্যু সৃষ্টি করা: প্রোক্যাম্বিয়াম। টিস্যুতন্ত্র মজ্জা বিনষ্ট হয়ে গহ্বর সৃষ্টি করে: কুমড়া। লেপ্টোসেন্ট্রিক বা ফ্লোয়েম কেন্দ্রিক উদ্ভিদ: Yucca, Dracaena । সকল পুষ্পক বা আবৃতবীজী উদ্ভিদের মূলে থাকে: অরীয় ভাস্কুলার বান্ডল। সমদ্বিপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল দেখা যায়: দ্বিবীজ পত্রী কান্ডে যেমন: লাউ, কুমড়া ইত্যাদি। অবস্থানের ভিত্তিতে ভাস্কুলার বান্ডল: ৩ প্রকার। জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যু নিয়ে গঠিত: ভাস্কুলার টিস্যুতন্ত্র। দেহের কাঠামো গঠন করে: কর্টেক্স। অন্তঃস্টিলীয় অঞ্চলের অংশ: পরিচক্র বা পেরিসাইক ৬০৮ ইত্যাদি। হাইডাথোড দেখা যায়: কচু, টমেটো, স্ট্রবেরি, ঘাস ইত্যাদিতে। বহুকোষী ট্রাইকোম: কোলেটার্স। পত্ররন্ধ্রে রক্ষী কোষ ব্যতীত অন্য কোনো কোষে ক্লোরোপ্লাস্ট থাকে না। কিউটিন বা সুবেরিনের পুরু স্তর: কিউটিকল। অন্তঃত্বকের যেসব কোষগুলোর প্রাচীর পাতলা থাকে: প্যাসেজ সেল। উদ্ভিদদেহে যেসব টিস্যু খাদ্যের কাঁচামাল ও তৈরিকৃত খাদ্য পরিবহন করে: পরিবহন টিস্যুগুচ্ছ। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ ও নগ্নবীজী উদ্ভিদের ভাস্কুলার বান্ডল: মুক্ত সমপার্শ্বীয় ভাস্কুলার বান্ডল। কুমড়া জাতীয় উদ্ভিদের কান্ড ব্যতীত। Pteris, Lycopodium, Selaginella উদ্ভিদের ভাস্কুলার বান্ডল: জাইলেম কেন্দ্রিক। বুলিফর্ম কোষ পানি সঞ্চয় করে এবং পাতার প্রসারণ ও বিকাশে সহায়তা করে। মূল ও কাণ্ড ভুট্টার কান্ডের এপিডার্মিসের বাইরের কোষপ্রাচীরে কিউটিকল: পুরু। ভুট্টার কান্ডের হাইপোডার্মিসে গঠিত: স্ক্লেরেনকাইমা কোষ দ্বারা। ভুট্টার কান্ডের গ্রাউন্ড টিস্যুর কোষগুলো: গোলাকার বা ডিম্বাকার। কচুর মূলের ভাস্কুলার বান্ডলের প্রকৃতি: অরীয়। ভুট্টার মূলের ভাস্কুলার (একবীজপত্রী কান্ডের) বান্ডল: বদ্ধ সমপার্শ্বীয়। একবীজপত্রী মূলে অনুপস্থিত: হাইপোডার্মিস বা অধঃত্বক। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডে উপস্থিত: মজ্জারশ্মি। অধঃত্বকের নিচ হতে আরম্ভ করে পেরি সাইকল উপর পর্যন্ত অংশ: কর্টেক্স ও মজ্জা। পেরিসাইকল স্তর হতে ভাস্কুলার বান্ডলসহ কেন্দ্র পর্যন্ত অংশ: স্টিলি। উদ্ভিদে গ্যাসীয় পদার্থের বিনিময় ঘটে: পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে। মূলরোম: এককোষী। মূলত্বক: এপিব্লেমা। নগ্নবীজী উদ্ভিদের ফ্লোয়েম টিস্যুতে সঙ্গীকোষ থাকে না। পাটের আঁশ: বাস্ট ফাইবার। স্টিলির প্রতিরক্ষা স্তর হিসেবে কাজ করে: এন্ডোডার্মিস। একবীজপত্রী উদ্ভিদের কান্ডের ভাস্কুলার বান্ডল: জাইলেম টিস্যুর গঠনে অনেকটা 'V' বা 'Y' আকৃতির। একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে জাইলেম বা ফ্লোয়েম গুচ্ছের সংখ্যা: ৬ এর অধিক। দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলে এই সংখ্যা: ২-৪ টি। ৯. উদ্ভিদ শারীরতত্ত্ব (Plant Physiology) পুষ্টি উপাদান ও খনিজ লবণ পরিশোষণ লেসিথিন মতবাদ: সক্রিয় পরিশোষণ মতবাদ। উদ্ভিদের লবণ শোষণ দ্রুত হ্রাস করে: অক্সিজেনের নিম্নতাপমাত্রা। কোষঝিল্লির বহিঃতলে জারণ ঘটে: সাইটোক্রোমের। সাইটোক্রোম বিজারিত হয়: কোষঝিল্লির অন্তঃতলে। কোষরসে $H^+$ আয়ানের পরিবর্তে প্রবেশ করে: $K^+$। জীবকোষে বিভিন্ন পদার্থের শোষণ নির্ভর করে: ঘনত্বের উপর। খনিজ লবণ পরিশোষিত হয়: আয়ন হিসেবে। কোন আয়ন উদ্ভিদ সবচেয়ে দ্রুতগতিতে শোষণ করে: $K^+, NO_3^-$। কোন আয়নের শোষণ হার সবচেয়ে মন্থর গতিতে চলে: $SO_4^{2-}, Ca^{2+}$। কোন উপাদানটি উদ্ভিদ মাটি থেকে অধিক মাত্রায় গ্রহণ করে: $Mg^{++}$। উদ্ভিদ মাটি হতে শোষণ করে: নাইট্রোজেন। অত্যাবশকীয় উপাদানের সংখ্যা (স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য): ১৭ টি। খনিজ লবণ শোষণের বিশেষ উপযোগী অঞ্চল: শীর্ষ্ণমূল। পানি পরিশোষণের উচ্চ শ্রেণির উদ্ভিদের জন্য মাটিস্থ কোন পানি সহজলভ্য: কৈশিক পানি। গাছের জন্য ম্যাক্রো উপাদান: $Mg$। সাইটোক্রোম পাম্পতত্ত্ব দেন বিজ্ঞানী: লুন্ডেগড়। উদ্ভিদের পানি শোষনাঙ্গ: মূলরোম। প্রস্বেদন উদ্ভিদের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় বায়ুতে নির্গত অক্সিজেনের উৎস: $H_2O$। পত্ররন্ধ্র খোলার জন্য দায়ী: $pH$। স্টোমাটা খুলতে দায়ী: পটাশিয়াম আয়ন। পত্ররন্ধ্রের দুই পার্শ্বে রক্ষীকোষ: ২টি। প্রস্বেদনের হার সর্বোচ্চ: $10-25^\circ \text{C}$ তাপমাত্রায়। প্রস্বেদনের হার বেশি: প্রসারিত পাতায়। কোষে অধিক পরিমাণ পানি প্রবেশ করে: অভিধ্বণিক চাপের ফলে। মূল ও কান্ডের অনুপাত বৃদ্ধি পেলে: প্রস্বেদনের হার বৃদ্ধি পায়। রক্ষীকোষ $CO_2$ এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে: পত্ররন্ধ্র বন্ধ হয়ে যায়। পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে প্রস্বেদন হয়: ৯০-৯৮%। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলে: প্রস্বেদন কমতে থাকে। রক্ষীকোষের কাজ: খাদ্য তৈরি। নিমজ্জিত পত্ররন্ধ্র দেখা যায়: মরুজ উদ্ভিদে। পত্ররন্ধ্র খোলা ও বন্ধের কারণ: রক্ষীকোষের টারগার প্রোসার ও অসমোটিক প্রেসার। প্রস্বেদনের হার বাড়ে: তাপমাত্রা বাড়লে। একই দ্রাবকবিশিষ্ট দুটি ভিন্ন ঘনত্বের দ্রবণকে বৈষম্যভেদ্য ঝিল্লি দ্বারা পৃথক রাখলে: অভিস্রবণ। পত্ররন্ধ্র রাতে খোলা ও দিনে বন্ধ থাকে: মরুজ উদ্ভিদে। সালোকসংশ্লেষণ সালোকসংশ্লেষণের সম্পন্ন হয়: পাতার মেসোফিলে। $C_4$ উদ্ভিদ: Poaceae, Cyperaceae ইত্যাদি গোত্রের একবীজপত্রী উদ্ভিদ যেমন: ইক্ষু, গম, ভুট্টা, ওট, বার্লি, মুথা, ঘাস, ইত্যাদি, এবং দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ যেমন: Euphorbia spp, Amaranthus sp . ইত্যাদি। হ্যাচ ও স্ল্যাক চক্রে ($C_4$ চক্রে) বা $C_1$ উদ্ভিদের উৎপন্ন ১ম স্থায়ী পদার্থ: অক্সালো অ্যাসিটিক এসিড। $C_3$ উদ্ভিদ: অধিকাংশ নগ্নবীজী উদ্ভিদ, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, সালোকসংশ্লেষণকারী শৈবাল, অধিকাংশ আবৃতবীজী উদ্ভিদ, বিশেষ করে দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ (যেমন: পাট, আম, জাম, লিচু ইত্যাদি)। বেশ কিছু একবীজপত্রী উদ্ভিদেও $C_3$ চক্র দেখা যায়। যেমন: ধান, কলা। ক্যালভিন চক্রে $CO_2$ গ্রহীতা: রাইবুলোজ ১, ৫-বিসফসফেট। $3PGA$ কোন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উৎপন্ন হয়: ক্যালভিন চক্র। সালোকসংশ্লেষণে আলোক পর্যায়ে ঘটে: পানির ভাঙন। চলনশীল লিপিড: প্লাস্টোকুইনন। আয়রন-সালফার প্রোটিন: ফেরিডিক্সিন। পিগমেন্ট সিস্টেম- I ($PS-I$) এর ক্লোরোফিল: P700 । কোন আলোতে সবচেয়ে বেশি সালোকসংশ্লেষণ হয়: লাল। সালোকসংশ্লেষণ এর প্রক্রিয়ার অপর নাম: জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া। সালোকসংশ্লেষণে আলোক পর্যায়ে উৎপন্ন হয়: $NADPH_2$ ও $ATP$। সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার $CO_2$ বিজারিত হয়ে তৈরি করে: শর্করা। সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজন: $CO_2, H_2O$, ক্লোরোফিল ও সূর্যালোক। কোমল পানীয়ের প্রধান উপাদান: সাইট্রিক অ্যাসিড। চা পাতা প্রক্রিয়াজাতকরণে সাহায্য করে: Bacillus megatherium । ১ অণু গ্লুকোজ থেকে উৎপন্ন: ২ অণু পাইরুভিক অ্যাসিড হতে ২ অণু $CO_2$, ২ অণু $NADH + H^+$ এবং অ্যাসিটাইল $Co-A$ সৃষ্টি হয়। ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড: ৩-কার্বন। 'ল অব মিনিমাম' প্রস্তাব করেন: বিজ্ঞানী লিবিগ। কেলভিন চক্রের বিক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরম উষ্ণতা: $10-25^\circ \text{C}$। $C_3$ উদ্ভিদে কার্বন বিজারণ প্রক্রিয়ায় (ক্যালভিন চক্রে) প্রথম স্থায়ী পদার্থ: ৩-ফসফোগ্লিসারিক অ্যাসিড। উদ্ভিদের ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে সালোক সংশ্লেষণের সুবিধাজনক তাপমাত্রা: $22-35^\circ \text{C}$। উদ্ভিদের সেকেন্ডারি বৃদ্ধিকালে গ্যাস বিনিময় হয়: Lenticel । হিল বিক্রিয়া বলা হয়: $H_2O$ থেকে $O_2$ নির্গমনকে। চক্রীয় ফটোফসফোরাইলেশনের বৈশিষ্ট্য নয়: পানির প্রয়োজন হয়। সবাত শ্বসনে সর্বমোট $ATP$ উৎপন্ন হয়: ৩৬। ক্রেবস চক্রের অপর নাম: সাইট্রিক অ্যাসিড চক্র। ক্রেবস চক্রের বিক্রিয়াসমূহ সংঘটিত হয়: মাইটোকন্ড্রিয়াতে। সালোকসংশ্লেষণের সময় ইলেকট্রন বাহক: সাইটোক্রোম। শ্বসন শ্বসনের অভ্যন্তরীণ প্রভাবক: এনজাইম, খনিজ লবণ ইত্যাদি। পরিবেশ $CO_2$ এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পেলে: শ্বসনের হার কমে। বায়ুমন্ডলের অক্সিজেনের ঘনত্ব $0.3\%$ এর নিচে হলে: শ্বসন কম হয়। সবাত শ্বসনে গ্লুকোজ শ্বসনিক হার ($RQ$): ১। শ্বসন প্রক্রিয়ায় এনজাইমের কার্যক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে: তাপমাত্রা। কোষের সকল বিপাকীয় ক্রিয়া সম্পন্ন হয়: প্রোটোপ্লাজমে। অণুজীবের $ATP$ উৎপাদনের পথ: গাঁজন। অক্সিজেন উপস্থিতি সহ্য করতে পারে না: Clostridium । কোমল পানীয়ের প্রধান উপাদান: সাইট্রিক অ্যাসিড। পেশি কোষে অবাত শ্বসনে উৎপন্ন হয়: ল্যাকটিক অ্যাসিড। ETC -এর প্রথম ইলেকট্রন গ্রহীতা: ফ্লাভোপ্রোটিন। ETC -এ ইলেকট্রনের সর্বশেষ গ্রহীতা: অক্সিজেন। ক্রেবস চক্রে প্রতি অণু অ্যাসিটাইল $Co-A$ হতে উৎপন্ন $CO_2$: ২ অণু। অক্সালো অ্যাসিটিক এসিডের উপর কাজ করে: অ্যালডোলেজ। ১ অণু গ্লুকোজ থেকে উৎপন্ন: ২ অণু পাইরুভিক অ্যাসিড হতে ২ অণু $CO_2$, ২ অণু $NADH + H^+$ এবং দুই অণু অ্যাসিটাইল $Co-A$ সৃষ্টি হয়। গ্লাইকোলাইসিসে নিট উৎপন্ন পদার্থ: ২ অণু $ATP$, ২ অণু $NADH + H^+$ এবং ২ অণু পাইরুভিক অ্যাসিড। গ্লাইকোলাইসিস সম্পন্ন করতে এনজাইম: ১০টি। পাইরুভিক অ্যাসিড: ৩ কার্বনবিশিষ্ট। গ্লাইকোলাইসিসের অপর নাম: EMP । গ্লাইকোলাইসিস $ATP$ অণু খরচ হয়: ২। CAM উদ্ভিদ: খেজুর। গ্লাইকোলাইসিস প্রক্রিয়ায় মোট $ATP$ উৎপন্ন হয়: ৪টি। শ্বসনের অপটিমাম তাপমাত্রা: $20-35^\circ \text{C}$। অবাত শ্বসনের ১ অণু গ্লুকোজ থেকে $ATP$ তৈরি হয়: ২ অণু। ১১. জীব প্রযুক্তি (Biotechnology) জীব প্রযুক্তির পরিধি ও এর গুরুত্ব Bt - বেগুন উৎপন্ন করার জন্য ব্যবহার করা হয়: Bacillus thuringiensis । ইন্টারফেরন ও ইনসুলিন: প্রোটিন। ইনসুলিন তৈরিতে ভাইরাসের সংক্রমণ, জলাতঙ্ক ও ক্যান্সার প্রতিরোধ করে: ইন্টারফেরন। সুপার রাইসে ভিটামিন: ভিটামিন A । SIT ( Sterial Insect Technique ) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়: কৃষি শিল্পে। হাঙ্গেরীয় কৃষি প্রকৌশলী কার্ল এরেকি ১৯১৯ সালে সর্বপ্রথম বায়োটেকনোলজি শব্দ ব্যবহার করেন। সমুদ্রে তেল ও হাইড্রোকার্বনকে নষ্ট করতে: Pseudomonas, Nocardia, Mycobacteria । পয়ঃবর্জ্য আত্তীকরণে উত্তম ব্যাকটেরিয়াম: Zooglea ramigera । Bt বেগুন ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুমোদিত হয়। দ্যুতি বা আলোর বিচ্ছুরণ সৃষ্টিকারী পদার্থ: লুসিফেরিন। ইন্টারফেরন: প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন। প্রাচীন জৈব প্রযুক্তি: টিস্যু কালচার। টিস্যু কালচারের জন্য ব্যবহৃত উদ্ভিদাংশ: এক্সপ্লান্ট। জার্মান উদ্ভিদবিজ্ঞানী Gottlieb Haberlandt (১৯০২)-কে: টিস্যু কালচারের জনক। উদ্ভিদের শীর্ষমুকুলের অগ্রভাগের টিস্যু: মেরিস্টেম। টিস্যুকালচার রোগমুক্ত উদ্ভিদ পাওয়া যায়: ভ্রুণ বা মেরিস্টেম কালচার করে। টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে উৎপন্ন ভ্রুণ: সোমাটিক এমব্রায়ো। শীর্ষমুকুল, পরাগরেণু ব্যবহৃত হয়: টিস্যু কালচারে। টটিপোটেন্সি নামকরণ করেন: মর্গান। হ্যাপ্লয়েড চারা উৎপাদন করা যায়: পরাগরেণু কালচার করে। রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বর্তমানে রিকম্বিনেন্ট DNA শনাক্ত করা হয়: DNA প্রোব। রিকম্বিনেন্ট DNA তৈরি করার জন্য প্রয়োজনীয় এনজাইম: DNA Ligase ও Restriction endonuclease । জিন বা প্লাজমিডের নির্দিষ্ট অংশ কর্তনে ব্যবহৃত এনজাইম বা জৈবিক ছুরি বা বায়োলজিক্যাল নাইফ বা আণবিক কাঁচি: Restriction enzyme । Laderberg (১৯৫২) E.coli ব্যাকটেরিয়াতে সর্বপ্রথম প্লাসমিড এর সন্ধান পান। DNA কে সংযুক্ত করে: লাইগেজ এনজাইম। ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজমে মূল ক্রোমোসোম ব্যতীত যে বৃত্তাকার দ্বি-সূত্রক অণু থাকে: প্লাসমিড। জিনোম সিকোয়েন্স ও জিন ক্লোনিং জীবের জিনোম: জীবের “মাস্টার ব্লুপ্রিন্ট”। মানুষের জিনসংখ্যা: ২৫০০০। ক্ষরজোড়: ৩.২ বিলিয়ন। পাটের বেস পেয়ার: ১২০ কোটি। E.coli -এর জিনসংখ্যা: ৩২০০। ক্ষরজোড়: ৪.৬ মিলিয়ন। জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র ১. প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস (Animal Diversity and Classification) শ্রেণিবিন্যাস ত্রিপদ নামকরণ প্রবর্তন করেন: Schlegel (১৮৪৪)। দ্বিপদ নামকরণের শব্দদ্বয়: ল্যাটিন ভাষার হতে হবে। ত্রিপদ নামকরণের পদ: ৩টি (গণ, প্রজাতি ও উপপ্রজাতি)। প্রথম টিস্যু-অঙ্গ মাত্রার গঠন দেখা যায়: Platyhelminthes পর্বে। শ্রেণিবিন্যাসের সবচেয়ে বড় একক: Phylum । Arthropoda পর্বের প্রাণীতে ক্লিভেজের ধরন: অরীয় ক্লিভেজ। Chordata পর্বের প্রাণীতে ক্লিভেজের ধরন: দ্বিপার্শ্বীয় ক্লিভেজ। Insecta শ্রেণির প্রাণীদের ট্যাগমাটি: শিরাবক্ষ। বিসদৃশ খণ্ডায়নের উদাহরণ: পতঙ্গের দেহ। সিলোম সৃষ্টি হয়: মেসোডার্ম থেকে। ভ্রূণস্তর সৃষ্টিকারী দশা: গ্যাস্ট্রুলা। আধুনিক শ্রেণিবিন্যাসবিদ্যার জনক: ক্যারোলাস লিনিয়াস। পৃথিবীতে জীববৈচিত্র্যের হটস্পটের সংখ্যা: ২৫টি। ICZN এর পূর্ণরূপ: International Commission on Zoological Nomenclature । পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সঙ্গে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় সৃষ্টি হয়: বায়োম। শ্রেণিবিন্যাসের যে কোনো ধাপের জনগোষ্ঠী: ট্যাক্সন। শ্রেণিবিন্যাসের সর্বনিম্ন ধাপ: প্রজাতি। Hickman et al. (২০০৮) অনুসারে প্রাণিজগতে সর্বমোট পর্ব: ৩৩টি। শ্রেণিবিন্যাসের মূল বা ভিত্তি একক: প্রজাতি। প্রথম ত্রিস্তরী প্রাণীবিশিষ্ট পর্ব: Platyhelminthes । Cnidaria পর্বের প্রাণীদের দেহাভ্যন্তরের গহ্বর: সিলেন্টেরন। প্রবাল গঠনকারী উপাদান: কাইটিন ও চুন। Porifera পর্বের প্রাণীরা খাদ্য, অক্সিজেন ও শুক্রাণু গ্রহণ করে: নালিতন্ত্রের মাধ্যমে। নালিতন্ত্র উপস্থিত: Porifera পর্বে। বহুকোষী প্রাণীদের মধ্যে প্রাচীনতম পর্বের প্রাণী: Porifera । কোন পর্বের প্রাণির দেহে ট্যাগমাটা দেখা যায়: Arthropoda । কোন পর্বের প্রাণীদের প্রকৃত খন্ডায়িত প্রাণী হিসেবে বিবেচনা করা হয়: Annelida । কোন পর্বের প্রাণীরা বহুরূপতা প্রদর্শন করে: Cnidaria । যেসব প্রাণীদের পৌষ্টিকনালি থাকে না: প্যারাজোয়া। Porifera পর্বভুক্ত প্রাণী। আর্থোপোডা: প্রাণীজগতের বৃহত্তম পর্ব। মলাস্কা: প্রাণীজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্ব। নিডারিয়া পর্বের প্রাণীদের: সমুদ্রের ফুল। পৃথিবীর প্রবাল প্রাচীরগুলোতে বাস করে: সামুদ্রিক প্রজাতির ২৫% জীব। প্রবাল প্রাচীর: পৃথিবীর অন্যতম রত্নভাণ্ডার এবং রেইন ফরেস্ট নামে পরিচিত। সাগরের জীবন্ত রত্ন: Coelenterata ( Cnidaria ) পর্বের প্রাণিদের। Annelida পর্বের প্রাণীদের লার্ভা: ট্রোকোফোর। Annelida পর্বের প্রাণীদের: ‘ Ringed worms ’ বা অঙ্গুরিমাল। মুখ বিবরে 'র্যাডুলা' নামক অংশ থাকে: Mollusca পর্বের প্রাণীতে। Mollusca পর্বের প্রাণীদের খোলক তৈরি হয়: ম্যান্টলের ক্ষরণে। Mollusca পর্বের প্রাণীদের সংবহনতন্ত্র: অর্ধমুক্ত। নরম দেহ বা কম্বোজ প্রাণী: Mollusca পর্বের প্রাণী। সর্বপ্রথম সম্পূর্ণ পৌষ্টিকনালি বিদ্যমান: Nematoda পর্বের প্রাণীদের। যৌন দ্বিরূপতা দেখা যায়: Nematoda পর্বের প্রাণীতে। গোলকৃমির লার্ভা দশা: র্যাবটিডিফর্ম। Loa loa : Nematoda পর্বের অন্তর্ভুক্ত। Nematoda পর্বের প্রাণীদের সাধারণ নাম: সুতাকৃমি বা গোলকৃমি। যকৃৎ কৃমির বৈজ্ঞানিক নাম: Fasciola hepatica । Platyhelminthes পর্বের প্রাণীদের: চ্যাপ্টাকৃমি ( flat worm )। কোয়ানোসাইটস থাকে: Porifera পর্বের প্রাণীতে। নন-কর্ডাটা পর্ব কর্ডেটদের হৃৎপিন্ড দেহের: অঙ্কীয়তলে। Echinodermata পর্বের সকল সদস্য: সামুদ্রিক। Chordata পর্বের প্রাণীদের জীবনে মৌলিক বৈশিষ্ট্য: ৪টি (স্নায়ুরজ্জু, নটোকর্ড, গলবিলীয় ফুলকা রন্ধ্র ও পায়ু পশ্চাৎ লেজ)। Echinodermata এর সংবহনতন্ত্রের কাজ করে: পেরিহিমালতন্ত্র। পানি সংবহনতন্ত্র উপস্থিত: Echinodermata - পর্বে। Echinodermata পর্বভুক্ত প্রাণীদের চলন অঙ্গ: নালিকা পদ। সমুদ্রতারা এর প্রতিসাম্যতা: পঞ্চঅরীয়। Arthropoda পর্বের প্রাণীর সংবহনতন্ত্র: রক্তপূর্ণ-হিমোলিম্ফ। Arthropoda পর্বের প্রাণীর প্রধান রেচন অঙ্গ: মালপিজিয়ান নালিকা। হিমোসিল পাওয়া যায়: Arthropoda -পর্বে। চলন অঙ্গ সিটি বা প্যারাপোডিয়া দেখা যায়: Annelida পর্বে। কেঁচোর বায়োলজিক্যাল নাম: Metaphire posthuma । কর্ডাটা পর্ব হোমোসাকাল লেজ পাওয়া যায়: Actinopterygii । Actinopterygii শ্রেণিভুক্ত মাছের আঁইশ: সাইক্লোয়েড ও টিনয়েড। জীবিত মাছের Actinopterygii শ্রেণিভুক্ত: ৯৬%। হাঙরের পুচ্ছ পাখনা: হেটারোসার্কাল। হেটারোসার্কাল লেজ পাওয়া যায়: Chondrichthyes । ল্যামপ্রে ফুলকারন্ধ্রের সংখ্যা: ৭ জোড়া। Myxini শ্রেণির মাছ: হ্যাগফিশ। Myxini শ্রেণির প্রাণীর ফুলকারন্ধ্রের সংখ্যা: ৫-১৫ জোড়া। Ascidia -র দেহে লার্ভা দশা: ট্যাডপোল। মায়োটোম নামক পেশি দেখা যায়: Cephalochordata উপপর্বের প্রাণীতে। Cephalochordata উপপর্বের প্রাণীদের মুখছিদ্র বেষ্টিত আবরণ: ওরালহুড। প্লাকয়েড আঁইশ দেখা যায়: হাঙর। কোমলাস্থি বিশিষ্ট মাছে আঁইশ: প্লাকয়েড। সেফালোকর্ডাটা উপপর্বের উদাহরণ: Branchiostoma lanceolatum । ইউরোকর্ডাটাদের: সাগর ফোয়ারা। সেফালো কর্ডাটাদের: ভল্লাকার প্রাণি। Reptilia (সরীসৃপ) → অসম্পূর্ণভাবে ৪ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট (ব্যতিক্রম-কুমীরে সম্পূর্ণভাবে ৪ প্রকোষ্ঠবিশিষ্ট)। সরীসৃপদের জীবিত প্রজাতির সংখ্যা: প্রায় ৬৫০০। সবচেয়ে বড় মরুভূমি: সাহারা। সমুদ্রতীরবর্তী জোয়ার-ভাটা অঞ্চলের লবণাক্ত পরিবেশে জন্মানো উদ্ভিদ: ম্যানগ্রোভ উদ্ভিদ। মরু অঞ্চলে জন্মানো উদ্ভিদ: মরু উদ্ভিদ বা জেরোফাইট। নিমজ্জিত পত্ররন্ধ্র দেখা যায়: জলজ উদ্ভিদে। Rivayuja অঙ্কুরোদগম দেখা যায়: গরান। ২. প্রাণীর পরিচিতি (Introduction to Animals) হাইড্রা ঘাসফড়িং অন্যান্য আর্থ্রোপোডা থেকে উন্নত: দৃষ্টিশক্তি। ঘাসফড়িং শ্রেণিভুক্ত: Insecta । ঘাসফড়িং এর গোত্র: Acrididae । প্রাণী অযৌন ও যৌন দু'ভাবেই প্রজনন সম্পন্ন করে: হাইড্রা। হাইড্রার প্রজনন: দ্বি-বিভাজন, মুকুলোদগম ও যৌন উপায়ে। হাইড্রার স্বাভাবিক অযৌন প্রজনন: মুকুলোদগম। সর্বপ্রথম Hydra -এর পুনঃরুৎপত্তির ক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন: ট্রেম্বলে। অ্যামিবার মতো চলন: গ্লাইডিং চলনে। হাইড্রার ধীর গতির চলন: গ্লাইডিং। হাইড্রার লুপিং ও সমারসল্টিং চলনে সহায়তা করে: গ্লুটিন্যান্ট নেমাটোসিস্ট। হাইড্রার বহিঃকোষীয় পরিপাক সংঘটিত হয়: সিলেন্টেরনে। হাইড্রার দেহগহ্বরকে গ্যাস্ট্রোভাস্কুলার গহ্বর বলার কারণ: পৌষ্টিকতন্ত্র ও সংবহনতন্ত্রের কাজ করে। Hydra -এর কোন কোষ বুদবুদ তৈরি করে: গ্রন্থি কোষ। Hydra -এর দেহে কঙ্কাল হিসেবে কাজ করে: মেসোগ্লিয়া বা মেসোল্যামিলা। একবার ব্যবহৃত নেমাটোসিস্টের পরিণতি: দেহে পরিপাক হয়। সূত্রক খাটো ও কাঁটাবিহীন নেমাটোসিস্ট: ভলভেন্ট। ভলভেন্ট- সূত্রকের অগ্রভাগ: বন্ধ। নেমাটোসিস্টের সূত্রক চাবুকের ন্যায় কাঁটাযুক্ত: স্ট্রেপটোলিন গ্লুটিন্যান্ট। হাইড্রার এপিডার্মিসে কোষ: ৭টি (পেশি-আবরণী কোষ, ইন্টরস্টিশিয়াল কোষ, সংবেদী কোষ, স্নায়ু কোষ; গ্রন্থি কোষ, জনন কোষ ও নিডোসাইট কোষ)। বাংলাদেশে হাইড্রার সুলভ প্রজাতি: Hydra vulgaris । বাদামি বর্ণের Hydra প্রজাতি: Chlorohydra oligactis । Hydra vulgaris -এর কর্ষিকা: ৬-১০টি। মিথোজীবী প্রজাতি: সবুজ হাইড্রা ( Chlorohydra viridissima ) ও সবুজ শৈবাল ( Zoochlorella sp )। Hydra : মুক্তজীবী প্রাণী এবং মাংসাশী। বাংলাদেশে হাইড্রার প্রজাতি: ৩টি। নেমাটোসিস্টের নিম্নপ্রান্তে ১টি পেঁচানো সুতার মতো অংশ: ল্যাসো। হাইড্রার নিডোসাইট সবচেয়ে বেশি থাকে: কর্ষিকায়। বিজ্ঞানী ভার্নার নিডারিয়া জাতীয় প্রাণীদেহে নেমাটোসিস্ট: ২৩ ধরনের। ঘাসফড়িং ঘাসফড়িং নিম্ফ থেকে পূর্ণাঙ্গ অবস্থায় পরিণত হতে খোলস ত্যাগ করে: ৫ বার। ঘাসফড়িং-এর রূপান্তর: অসম্পূর্ণ রূপান্তর। ঘাসফড়িং-এর ডিম্বাণু: সেন্ট্রোলেসিথাল। ঘাসফড়িং-এর ওভিপজিটর ব্যবহৃত হয়: ডিম্ব ত্যাগে। ঘাসফড়িং ডিম পাড়া অব্যাহত রাখে: শরৎকাল। ঘাসফড়িং মোট ডিম পাড়ে: ২০০টি। ঘাসফড়িং-এর সুপারপজিশন দর্শনে: আইরিশ আবরণ সংকুচিত থাকে। শুক্রাণু সাময়িক জমা থাকে: স্পার্মাথিকায়। ঘাসফড়িং-এর সংবেদী অঙ্গ: ৫টি। প্রতিটি ওমাটিডিয়ামকে পরস্পর পৃথক রাখে: রেটিনাল সিথ। রেটিনুলার কোষের ক্ষরণে সৃষ্টি হয়: র্যাবডোম। ঘাসফড়িং-এর ক্রিস্টালাইন কোণের কাজ: ওমাটিডিয়ামে আলো প্রবেশ। কর্নিয়াজেন কোষের ক্ষরণে সৃষ্টি হয়: কর্নিয়া। ট্রাকিয়ার প্রাচীর: ৩ স্তর বিশিষ্ট। টিনিডিয়া দেখতে: আংটির ন্যায়। ঘাসফড়িং এর স্পাইরাকলকে পরিবেষ্টিত করে রাখে: পেরিট্রিম। ঘাসফড়িং-এর হৃদযন্ত্রের প্রকোষ্ঠ: ৭টি। ঘাসফড়িং-এর হেপাটিক সিকার সংখ্যা: ১২টি। রেকটামে রেকটাল প্যাপিলা: ৩ জোড়া। ঘাসফড়িং-এর লালাগ্রন্থি: ১ জোড়া। ঘাসফড়িং-এর পরিপাকনালির ত্রিকোণাকার গঠন: গিজার্ড। খনিজ লবণ, অ্যামিনো এসিড শোষণ করে: রেকটাম বা মলাশয়। ঘাসফড়িংয়ের পৌষ্টিকনালির প্রোক্টোডিয়ামের অংশ: গিজার্ড। একাদশ খণ্ডকের টারগাম পায়ুর উপরে প্লেট এর মতো আবরণ তৈরি করে। পায়ের ত্রিভুজাকার ক্ষুদ্র অংশ: ট্রোক্যান্টার। ঘাসফড়িং-এর মস্তকে ওসেলির সংখ্যা: ৩টি। ঘাসফড়িং-এর অ্যান্টেনার অংশ: ৩টি। ঘাসফড়িং-এর প্রতিটি পা: ৫টি খন্ডে বিভক্ত (কক্সা, ট্রোক্যান্টার, ফিমার, টিবিয়া ও টার্সাস)। ম্যাক্সিলারি পাল্পের কাজ: খাদ্যের স্বাদ গ্রহণে সাহায্য করা। ক্ষুদ্র চোয়াল: ম্যাক্সিলা। ঘাসফড়িং-এর বক্ষ অঞ্চলে শ্বাসরন্ধ্র: ২ জোড়া। ঘাসফড়িং-এর অগ্রভাগের সরু ও শক্ত ডানাদ্বয়: ট্যাগমিনা। খাদ্য কেটে চিবানোর সাহায্য করে: ম্যান্ডিবল। কার্ডো: ম্যাক্সিলার উপাঙ্গ। পতঙ্গের পায়ে Coxa এর পরে: Trochanter । ঘাসফড়িং এর মুখোপাঙ্গ: চাপা চাকতির মতো- ল্যাব্রাম। ঘাসফড়িং এর ফ্ল্যাজেলার খন্ড: ২৫টি। মোজাইক বা এপোজিশন প্রতিবিম্ব: উজ্জ্বল আলোতে গঠিত হয়। সুপার পজিশন প্রতিবিম্ব: অনুজ্জ্বল আলোতে গঠিত হয়। ঘাসফড়িং এর হৃদযন্ত্রের স্পন্দন: ১০০-১১০ বার/মিনিট। ঘাসফড়িং এর প্রধান রেচন অঙ্গ: মালপিজিয়ান নালিকা। মানুষের ম্যালপিজিয়ান বডি। ঘাসফড়িং: তৃণভোজী বা শাকাশী ( herbivorous ) প্রাণী। ঘাসফড়িং এর শ্বসন অঙ্গ: শ্বাসরন্ধ/স্পাইরাকল, শ্বাসনালি/ট্রাকিয়া, ট্রাকিওল, বায়ুথলি। রুই মাছ রুই মাছের বায়ুথলির প্রধান কাজ: শ্বসন পরিচালনা, উদস্থিতিয় অঙ্গ, ভাসাল অঙ্গ, আপেক্ষিক গুরুত্ব নিয়ন্ত্রণ, মাধ্যাকর্ষণ কেন্দ্র রক্ষা, শব্দ সৃষ্টি, প্রতিধ্বনি সৃষ্টি ও সংবেদী অঙ্গ। রুই মাছের প্রতি পার্শ্বে ফুলকা আর্চ: ৪টি(কারও মতে ৫টি)। রুই মাছের বায়ুথলির প্রকোষ্ঠ: ২টি। রুই মাছের বায়ুথলিতে বিদ্যমান গ্যাস: অক্সিজেন, নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড। ডান ও বাম বৃক্কে প্রবেশ করে: ডান পশ্চাৎ কার্ডিনাল শিরা ও রেনাল পোর্টাল শিরা। রুই মাছের দেহের সমানের অংশ থেকে রক্ত সংগ্রহ করে: কার্ডিনাল শিরা। পৌষ্টিকনালির বিভিন্ন অংশ ও বায়ুথলি থেকে রক্ত সংগ্রহ করে: হেপাটিক পোর্টাল শিরা। ল্যাটারাল অ্যাওটা ও ক্যারোটিড ধমনি মিলিত হয়ে গঠন করে: ধমনি বলয় বা সারকিউলাস সেফালিকাস। পার্শ্বীয় ধমনি বা ল্যাটারাল অ্যাওটা গঠন করে: ১ম ও ২য় বহির্বাহী ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি। ব্রাঙ্কিয়াল ধমনি: ২ প্রকার (অন্তর্বাহী ও বহির্বাহী)। ভেন্ট্রিকল উন্মুক্ত হয়: বাল্বাস আর্টারিওসাস। রুই মাছের রক্ত প্রবাহের দিক: সাইনাস ভেনোসাস → অ্যাট্রিয়াম → ভেন্ট্রিকল → বাল্বাস আর্টারিওসাস। রুই মাছের হৃৎপিণ্ডের বৃহত্তম প্রকোষ্ঠ: অ্যাট্রিয়াম। রুই মাছের হৃৎপিণ্ডকে অভিহিত করা হয়: ভেনাস হার্ট বা শিরা হৎপিণ্ড। ভেনাস হার্ট বা শিরা হৃৎপিণ্ড পাওয়া যায়: মাছে। রুই মাছের বা মাছের হৃৎপিণ্ডের প্রকোষ্ঠ: ২টি (অ্যাট্রিয়াম ও ভেন্ট্রিকল)। মাছের প্রধান প্রতিরক্ষাকারী অঙ্গ: আঁইশ। রুই মাছের স্পর্শ ইন্দ্রিয়ের কাজ করে: পার্শ্বীয় রেখা। Labeo rohita -এর আঁইশের কেন্দ্র: ফোকাস। রুই মাছের আঁইশের বৃদ্ধি বেশি হয়: সাধারনত বসন্তকালে ও গ্রীষ্মে। রুই মাছের আঁইশের প্রধান রাসায়নিক উপাদান: চুন ও কোলাজেন তন্তু। রুই মাছে যুগ্ম পাখনা: ২ ধরনের (বক্ষ-পাখনা ও শ্রোণি-পাখনা)। রুই মাছের প্রধান চলন অঙ্গ: পুচ্ছ পাখনা। বহিঃনিষেক ঘটে: রুই মাছে। বায়ুথলির নিউম্যাটিক নালি যুক্ত থাকে: গ্রাসনালি বা অন্ননালির সাথে। প্রজননের সময় নদীর পানির তাপমাত্রা: $24-28^\circ \text{C}$। পানির ঘোলা, অক্সিজেন সমৃদ্ধ থাকে। হালদা নদী: প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক সমৃদ্ধ 'মৎস্য খনি'। ফুলকার অর্ধাংশ: হেমিব্রাঙ্ক। পূর্ণফুলকা: হলোব্রাঙ্ক। গ্যাসগ্রন্থিতে কৈশিকনালী: রেটিয়া মিরাবিলিয়া। রুই মাছ $14^\circ \text{C}$ তাপমাত্রার নিচে বাঁচতে পারে না। সংবেদী কোষ থাকে: পার্শ্ব রেখায়। রুই মাছের দেহের অঙ্কীয তলে ছিদ্রের সংখ্যা: ৩টি। রুই মাছের পাখনা: ৫ ধরনের (পৃষ্ঠ- পাখনা, বক্ষ-পাখনা, শ্রোণি-পাখনা, পায়ু-পাখনা ও পুচ্ছ-পাখনা)। রুই মাছ ডিম পাড়ে: জুন-জুলাই (জুন-আগষ্ট)। প্রাথমিক পর্যায়ে রুই মাছের খাদ্য: প্ল্যাঙ্কটন। রুই মাছের শ্রেণির নাম: Actinopterygii । ৩. মানব শরীর তত্ত্ব: পরিপাক ও শোষণ (Human Physiology: Digestion and Absorption) পৌষ্টিকতন্ত্র গবলেট কোষ: মিউকাস নিঃস্রাবী এককোষী গ্রন্থি। পাকস্থলীর প্রাচীরে বাইরে থেকে ভিতরের দিকে স্তর: সেরোসা → অনুদৈর্ঘ্য পেশিস্তর → বৃত্তাকার পেশিস্তর → সাবমিউকোসা → মাসকিউলারিস মিউকোস → মিউকোসা। মানুষের জিহ্বার অগ্রভাগে স্বাদকোরক: মিষ্টতা। অ্যাপেনডিক্স: সিকামের অংশ। ক্ষুদ্রান্ত্রে গবলেট কোষ থাকে: মিউকোসা স্তরে। মানুষের অন্ত্রে ভিলাই থাকে: ৫০ হাজার। মাইক্রোভিলাইসমূহ একত্রিত হয়ে তৈরি করে: ব্রাশ বর্ডার। জিহ্বার পিছনের অংশের স্বাদকোরক: তিক্ততা। একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষের নিচের চোয়ালে মোলার দাঁত: ৬টি। ৬ বছরের বালিকার দাঁতের সংকেত: I2C1P0M2 । ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রাচীরে বাইরে থেকে ভিতরের দিকে সর্বশেষ স্তর: মিউকোসা। মানবদেহে ডায়াফ্রামের নিচে উদরের উপরের অংশে অবস্থিত: পাকস্থলি। স্ফিংক্টার পেশী শরীরের যে অংশে পাওয়া যায়: পায়ুপথে, পাকস্থলীতে। আমিষ পরিপাককারী এনজাইম: ট্রিপসিন। পাকস্থলী নিঃসৃত গ্যাস্ট্রিক জুসে অনুপস্থিত: অ্যামাইলেজ। এনজাইম অম্লীয় পরিবেশে অধিক কার্যকরী: পেপসিন। খাদ্যবস্তু পাকস্থলীতে অবস্থান: ২-৬ ঘণ্টা। মুখগহ্বরে খাদ্যের পরিপাক শুরু হয়: শর্করা। নিষ্ক্রিয় ট্রিপসিনোজেনকে সক্রিয় ট্রিপসিনে পরিণত করে: এন্টারোকাইনেজ এনজাইম। একজন সুস্থ মানুষের দেহে খাদ্য সম্পূর্ণ রূপে পরিপাক হতে: ২৪ থেকে ৭২ ঘন্টা। খাদ্যের ৯০% শোষণ ঘটে: ক্ষুদ্রান্ত্রে। বাকী ১০% শোষণ সংঘটিত হয়: বৃহদান্ত্র ও পাকস্থলীতে। পেপসিনোজেন নামক নিষ্ক্রিয় এনজাইম সক্রিয় হয়: HCl এর সাহায্যে। আমিষকে ভেঙ্গে পলিপেপটাইডে পরিণত করে: Trypsin । পরিপাকের যে রসে মল্টেজ এনজাইম থাকে না: পাচক রসে। বিভিন্ন প্রকার খাদ্যের পরিপাক ও শোষণ পিত্তথলির কাজ নিয়ন্ত্রণ করে: কোলেসিস্টোকাইনিন। প্রোটিনের পরিপাক: পাকস্থলীতে শুরু হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রে শেষ হয়। বৃহদন্ত্রে উৎপন্নকারী ভিটামিন: K ও ফলিক এসিড। গ্লুকোজ সম্পূর্ণরূপে পরিশোষিত হয়: জেজুনামে। কাইলোমাইক্রোনের উপাদান: প্রোটিন ও লিপিড। খাদ্যের অপাচ্য অংশের গাঁজন ঘটে: বৃহদান্ত্রে। বৃহদন্ত্রে মিথোজীবী ব্যাকটেরিয়া: ৫০০ প্রজাতির। ক্ষুদ্রান্ত্রে পানি শোষণ হয়: অভিস্রবণ প্রক্রিয়ায়। পরিশোষণের একক: ভিলাই। খাদ্যের চূড়ান্ত পরিপাক সম্পন্ন হয়: ক্ষুদ্রান্ত্রে। প্যানক্রিওজাইমিন নামে পরিচিত: কোলেসিস্টোকাইনিন। পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক জুস ক্ষরণে বাধা দেয়: সিক্রেটিন। পরিপাক এনজাইম ক্ষরণে অগ্ন্যাশয়কে উদ্দীপ্ত করে: কোলেসিস্টোকাইনিন। পিত্তথলিকে সংকুচিত করে: কোলেসিস্টোকাইনিন। পেরিস্ট্যোলসিস নিয়ন্ত্রণ করে: মায়েনটেরিক প্লেক্সাস। বিভিন্ন পরিপাক গ্রন্থি উৎসেচক বা এনজাইম থাকে না: পিত্তরসে। ভিলাইয়ের কাজ: শোষণ অঞ্চল বৃদ্ধি করা। অগ্ন্যাশয়ের ও যকৃতের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য: লোবিওলের মাঝে সাইনুসয়েড নামক ফাঁকা স্থান আছে। উইসাং নালি অবস্থিত: অগ্ন্যাশয়ে। ইমালসিফিকেশনে ভূমিকা রাখে: পিত্তরস। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বাড়ায়: গ্লুকাগন। রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়: ইনসুলিন। খাদ্য পরিপাককারী এনজাইম অগ্ন্যাশয়ের কোন অংশ থেকে নিঃসৃত হয়: বহিঃক্ষরা অংশ। মিশ্র গ্রন্থি: অগ্ন্যাশয়। যকৃতে অরনিথিন চক্রের মাধ্যমে তৈরি হয়: ইউরিয়া। পিত্তরস ক্ষরিত হয়: যকৃৎ হতে। যকৃৎ কোষ পিত্তলবণ তৈরি করে: স্টেরয়েড হতে। যকৃতে প্রায় ৫০০ ধরনের জৈব রাসায়নিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। ননকার্বোহাইড্রেট উৎস থেকে গ্লুকোজ তৈরির প্রক্রিয়া: গ্লুকোনিওজেনেসিস। যকৃতের ওজন সমগ্র দেহের ওজনের: ৩-৫%। পিত্ত তৈরি হয়: যকৃতে। মানুষের যকৃত অবস্থানকারী ম্যাক্রোফেজের নাম: কুফার কোষ। মানুষের যকৃতের বাহিরের দিকে আবৃতকারী পর্দার নাম: গ্লিসন্স ক্যাপসুল। পাকস্থলীর প্রাচীরের প্যারাটাইল কোষ থেকে নিঃসৃত হয়: HCl । মানবদেহের পাকস্থলীতে গ্যাস্ট্রিক গ্রন্থির সংখ্যা: প্রায় ৪ কোটি। এন্টেরিক স্নায়ুতন্ত্রকে: মানুষের দ্বিতীয় মস্তিষ্ক। কোলেস্টেরল বেশি থাকলে রক্তনালি সরু হয়ে হৃদযন্ত্রে রক্ত চলাচল কমে যায় ফলে: করোনারি থ্রম্বোসিস নামক হৃদরোগ হয়। লেসিথিন, সেফালিন, প্লাজমালোজেন: ফসফোলিপিডের নাম। ফসফোলিপিড রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ফ্যাটি অ্যাসিডের গ্লিসারোল এস্টার: স্নেহদ্রব্য। মোম: কান্ড, বোঁটা, পাতা ও ফলের ওপর প্রতিরোধক স্তর। লিপিডের গলনাঙ্ক: নির্দিষ্ট কোনো গলনাঙ্ক নেই। ডিজিট্যালিন নামক স্টেরয়েড: হৃৎপিন্ডের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। ট্রাইগ্লিসারাইড: দু' রকম, যথা- চর্বি ও তেল। রক্তে LDL বেশি থাকা: ক্ষতিকর। HDL বেশি থাকা: মঙ্গলজনক। ৪. মানব শরীর তত্ত্ব: রক্ত সংবহন (Human Physiology: Blood Circulation) রক্ত মানুষের স্বাভাবিক রক্তক্ষরণকাল: ১-৪ মিনিট। রক্ত জমার বাঁধার পর খড় রং সদৃশ যে তরল পৃথক হয়: সিরাম। রক্তরসের কোন উপাদানটি সিরামে থাকে না: ফাইব্রিনোজেন। বাতাসের সংস্পর্শে থ্রম্বোসাইট উৎপন্ন করে: থ্রম্বোপ্লাস্টিন। রক্ত তঞ্চন ঘটানোর পদ্ধতি: হিমোস্ট্যাসিস। হিমোাস্ট্যাটিক প্লাগ গঠন করে: অনুচক্রিকা/থ্রম্বোসাইট। অনুচক্রিকার আয়ুষ্কাল: প্রায় ৫-১০ দিন। ক্ষুদ্রতম রক্তকণিকা: থ্রম্বোসাইট বা অনুচক্রিকা বা প্লেইটলেট। প্রাপ্তবয়স্ক মানুষে অণুচক্রিকার সংখ্যা প্রতি ঘনমিলিমিটারে: $1.5 \text{ লাখ}-4 \text{ লাখ}$। অদানাদার লিউকোসাইট: মনোসাইট ও লিম্ফোসাইট। মানবদেহে শ্বেত রক্তকণিকার পরিমাণ $4000 \text{d1}$ এর চেয়ে কমে গেলে: Leukopenia । লোহিত রক্তকণিকা ও শ্বেতরক্তকণিকার অনুপাত: ৬০০:১। ইওসিনোফিল রক্তে প্রবেশকৃত কৃমির লার্ভা ও অ্যালার্জিক অ্যান্টিবডি ধ্বংস করে। মানুষের রক্ত জমাট বাঁধার স্বাভাবিক সময়: ৪-৫ মিনিট। রক্ত: তরল যোজক কলা। লিম্ফোসাইট: ২ প্রকার ( B -লিম্ফোসাইট, T -লিম্ফোসাইট)। ইওসিনোফিল ইউসিন রঞ্জকে: লাল বর্ণ ধারণ করে। RBC যকৃত, প্লীহা ও অস্থিমজ্জায় ধ্বংস হয়। লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা বেশি হলে: পলিসাইথেমিয়া। প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষের প্রতি ঘন মিলিমিটারে রক্তে লিউকোসাইট বা শ্বেত রক্তকণিকার সংখ্যা: ৫-৮ হাজার। প্রতি ঘন মিলিমিটারে রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা ৫০ লাখের চেয়ে ২৫% কম হলে: রক্তস্বল্পতা। রক্ত রসে নাইট্রোজেন ঘটিত অপ্রোটিন পদার্থ: ক্রিয়েটিনিন। প্লাজমার পরিমাণ দেহের ওজনের: ৫%। রক্তরসের প্লাজমা প্রোটিন: অ্যালবুমিন, গ্লোবিউলিন, প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন, হিমোগ্লোবিন ইত্যাদি। সর্বপ্রথম রক্ত সংবহনতন্ত্রের পরিকল্পনা করেন: উইলিয়াম হার্ভে। স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তের তাপমাত্রা: $36-38^\circ \text{C}$। একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দেহে রক্ত: ৫-৬ লিটার। রক্তনালির সংকোচন ঘটিয়ে রক্তপাত হ্রাস করে: সেরাটোনিন। প্রতিটি লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন: ২৯ পিকোগ্রাম। উটের (স্তন্যপায়ী) লোহিত রক্তকণিকায়: নিউক্লিয়াস থাকে। ভ্রূণীয় অবস্থায় লোহিত রক্তকণিকা সৃষ্টি হয়: যকৃৎ, প্লিহা ও থাইমাসে। রক্তের হিম থেকে আয়রন সরে গেলে অণুর বাকি অংশ থেকে উৎপন্ন হয়: বিলিভারডিন। রক্তরসে অজৈব পদার্থের পরিমাণ: $0.9\%$। মানবদেহের রক্তের আপেক্ষিক গুরুত্ব পানির চেয়ে: $1.06-1.07$ গুণ বেশি। রক্ত সামান্য ক্ষারীয়: $pH\ 7.35-7.45$। রক্তের তরলতা বজায় রাখে: রক্তরস। প্রতি ১০০ mL রক্তে হিমোগ্লোবিন: প্রায় ১৬ g । বেসোফিল ক্ষারাসক্ত হয়ে: নীল বর্ণ ধারণ করে। হৃৎপিন্ড এন্টিবডি তৈরি করে: লিম্ফোসাইট। ফোসা ওভালিস হৃৎপিন্ডের কোথায় অবস্থান করে: ভ্রুণের হৃৎপিন্ডের আন্তঃঅলিন্দ পর্দার গাত্রে। হৃৎপিন্ডকে বিভিন্ন প্রকোষ্ঠ বিভক্ত করে: এন্ডোকার্ডিয়াম। অ্যাওর্টিক আর্চে অবস্থিত: আর্টারিয়াল ব্যারোরিসেপ্টর। আয়তন ব্যারোরিসেপ্টরের অবস্থান: বড় সিস্টেমিক শিরা, পালমোনারি শিরা এবং হৃৎপিন্ডের ডান অলিন্দ ও নিলয়ের প্রাচীরে। ক্যারোটিড সাইনাসে অবস্থিত: উচ্চচাপ ব্যারোরিসেপ্টর। হিজের বান্ডলের স্পন্দন হার: ৩৬ বার/মিনিট। SAN থেকে প্রতি মিনিটে গড়ে স্পন্দন উৎপন্ন হয়: ৭২ বার। AV Node মিনিটে স্পন্দন আবেগ উৎপন্ন করে: ৫০ বার। SAN থেকে AVN এ হৃৎউদ্দীপনা পৌছাতে সময় লাগে: $0.15$ সেকেন্ড। সংরক্ষিত ছন্দ নিয়ামক: AVN ( Atrio-ventricular node )। পেসমেকারের অবস্থান হৃৎপিন্ডের: ডান অলিন্দে। হৃৎপিন্ডের সংকোচন প্রসারণ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি: মায়োজেনিক নিয়ন্ত্রণ। ভেন্ট্রিকলের সিস্টোলের সময় শব্দের সৃষ্টি হয়: লাব সদৃশ। ডাব সদৃশ ২য় শব্দটি উৎপন্ন হয়: হৃদপিন্ডের ভেন্ট্রিকলের ডায়াস্টোল। কার্ডিয়াক চক্রের কোন দশায় $CO_2$ যুক্ত রক্ত অ্যাওটায় প্রবেশ করে: ভেন্ট্রিকলের সিস্টোল। মানুষের হৃৎপিন্ডে ভেন্ট্রিকলের সিস্টোল হলে: সেমিলুনার কপাটিকা খুলে যাবে। অ্যাট্রিয়ামের সংকোচন শুরু হয়: সাইনো অ্যাট্রিয়াল নোডে। কার্ডিয়াক বা হৃৎচক্রের সময়কাল: $0.8$ সেকেন্ড। পালমোনারি শিরা প্রবেশ করে: বাম অ্যাট্রিয়ামে। ধমনির উৎপত্তি হয়: হৃৎপিন্ড থেকে। পালমোনারি বা ফুসফুসীয় শিরা থেকে $O_2$ যুক্ত রক্ত সংগ্রহ করে: বাম অলিন্দ বা বাম অ্যাট্রিয়াম। নিম্ন মহাশিরা ও ডান অ্যাট্রিয়ামের সংযোগস্থলে অবস্থিত: ইউস্টেশিয়ান কপাটিকা। ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক থাকে: কার্ডিয়াক পেশিতে। হৃৎপিন্ডের সংকোচন প্রসারণে সক্রিয় ভূমিকা রয়েছে: মায়োকার্ডিয়াম স্তরের। হৃৎপিন্ডের কোন অংশের মায়োকার্ডিয়াম সর্বাপেক্ষা পুরু: বাম নিলয় (বাম ভেন্ট্রিকল)। হৃৎপিন্ডের কপাটিকা তৈরি হয়: এন্ডোকার্ডিয়াম স্তর হতে। হৃৎপিন্ডের প্রাচীর নির্মিত: কার্ডিয়াক পেশি দ্বারা। হৃৎ-ফুসফুস যন্ত্র ব্যবহৃত হয়: হৃৎপিন্ডের বাইপাস সার্জারিতে। রক্ত জমাট বাঁধানো থেকে রক্ষা করে: অ্যাসপিরিন। কৃত্রিম পেসমেকারের ব্যাটারি: লিথিয়াম। কৃত্রিম পেসমেকার কোন ধাতু দ্বারা তৈরি করা হয়: টাইটেনিয়াম। একই সাথে শরীরে রক্তে অক্সিজেনের ঘনত্ব ও হৃৎস্পন্দনের পরিমাপক যন্ত্র: পালস্ অক্সিমিটার। ওপেন হার্ট সার্জারির প্রধান উপায়: ৩টি। উচ্চ রক্তচাপের কারণে হৃদযন্ত্রে জটিলতা: ইস্কেমিক হার্ট ডিজিজ। হৃৎপিণ্ডের ঝিল্লির প্রদাহ: পেরিকার্ডাইটিস। বাইকাসপিড বা মাইট্রাল কপাটিকার অবস্থান: বাম অলিন্দ ও বাম নিলয়ের মাঝে। সঠিক ক্রম: SAN → AVN → বান্ডল অব হিজ → পারকিনজি তন্ত্র। পেসমেকার সেন্সর: ইলেকট্রোড। প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ ব্যক্তির হৃৎস্পন্দনের হার: ৭০-৮০ বার/মিনিট। একজন সুস্থ মানুসের জীবদ্দশায় হৃৎপিণ্ড স্পন্দন: ২৬০০ মিলিয়ন বার। লসিকা মানবদেহের হৃৎপিন্ডের অস্বাভাবিক স্পন্দন: অ্যারিথমিয়া। অ্যানজাইনার ব্যথার স্থায়িত্ব: ৫-৩০ মিনিট। অ্যানজাইনার কারণ: হৃৎপেশিতে ল্যাকটিক অ্যাসিড জমা। মানবদেহের সবচেয়ে বড় লসিকাগ্রন্থি: প্লীহা। লসিকার আপেক্ষিক গুরুত্ব: $1.0151$। লসিকার কাজ: দেহরক্ষার কাজ এবং ইমিউনিটি বৃদ্ধি। কলারসের কতভাগ লসিকা দ্বারা নিষ্কাশিত হয়: ১০%। কোন রোগের চিকিৎসায় অ্যাসপিরিন ব্যবহার করা হয়: হৃদরোগ। করোনারি ধমনির লুমেন বন্ধ হয়ে গেলে: হার্ট অ্যাটাক। সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক চাপের অন্তরফল: পালস্ প্রেশার। হৃদযন্ত্রের রোগ নির্ণয়ে প্রাথমিক পরীক্ষা: ECG । করোনারি ধমনি সরু হয়ে যাওয়া নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়: এনজিওগ্রাম। দুধের মতো সাদা লসিকা: কাইল। লসিকা জলীয় অংশের পরিমাণ: ৯৪%। লসিকার উপাদান: লিম্ফোসাইট, অ্যান্টিবডি, প্লাজমা প্রোটিন ইত্যাদি। মানুষের দেহে লসিকার পরিমাণ: ৪-৮ লিটার। লসিকায়: অনুচক্রিকা থাকে না। ৫. মানব শরীর তত্ত্ব: শ্বাসক্রিয়া ও শোষণ (Human Physiology: Breathing and Respiration) শ্বসনতন্ত্র রক্তে $CO_2$ এর উপস্থিতিতে কোন কেন্দ্র উদ্দীপিত হয়: অ্যানিউস্টিক কেন্দ্র। মানুষের ফুসফুস: ২ স্তরবিশিষ্ট। মানবদেহের ট্রাকিয়া তরুণাস্থি: ১৬-২০ টি। অ্যানজিওটেনসিন- I কে অ্যানজিওটেনসিন- II এ রূপান্তরিত করে: ফুসফুস। শ্বসনতন্ত্রের কোন অংশে $O_2$ এবং $CO_2$ এর বিনিময় ঘটে: অ্যালভিওলাসে। মানুষের ফুসফুসে অ্যালভিওলাই: ৭০ কোটি। অ্যালভিওলাসের প্রাচীর নির্মিত: স্কোয়ামাস বা আইশাকার এপিথেলিয়াম দ্বারা। মানুষের ফুসফুসে অ্যালভিওলাই: ৭০-৯০ বর্গমিটার আয়তন। ডান ফুসফুসে লোবিওলের সংখ্যা: ১০টি। বাম ফুসফুসে লোবিওলের সংখ্যা: ৮টি। ডান ফুসফুসে লোব: ৩টি (সুপিরিয়র লোব, মিডল লোব ও ইনফিরিয়র লোব)। বাম ফুসফুসে লোব: ২টি (সুপিরিয়র লোব ও ইনফিরিয়র লোব)। সেরাস ফ্লুইড কোন অঙ্গকে রক্ষা করে: ফুসফুসকে। সঠিক প্রবাহচিত্র: ট্রাকিয়া → ব্রঙ্কাই → ব্রঙ্কিওল → অ্যালভিওলার নালি → অ্যালভিওলার থলি → অ্যালভিওলাস। ডান ব্রঙ্কাসের শাখা: ৩টি। দুই পর্শকার মাঝের পেশি: ইন্টারকোস্টাল পেশি। হাঁচি প্রতিবর্তী ক্রিয়ার সহায়ক: অলফ্যাক্টরি স্নায়ু। মস্তিষ্কে শ্বাসক্রিয়া নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র: ৪টি (পনসে ১ জোড়া ও মেডুলায় ১ জোড়া)। বহিঃশ্বসনের পর্যায়: ২টি। ডায়াফ্রাম পেশির সংকোচনের জন্য দায়ী: ফ্রেনিক স্নায়ু। মস্তিষ্কের মেডুলায় শ্বসনের কেন্দ্র অবস্থিত। প্রশ্বাসের মাধ্যমে আগত বাতাস ফুসফুসে পৌঁছালে ফুসফুসের অ্যালভিওলাই $O_2$ এর $104 \text{ mm Hg}$ থাকে। মোট $CO_2$ এর শতকরা ২৭ ভাগ: কার্বামিনো যৌগরূপে পরিবাহিত হয়। রক্তে হিম ও গ্লোবিনের অনুপাত: ১ : ২৫। হিমের $33.33\%$ লোহা। শ্বসনের শারীরবৃত্ত টিম্পেনোস্টমি ব্যবহৃত হয়: ওটিটিস মিডিয়া রোগের প্রতিকারের ক্ষেত্রে। ধূমপায়ীর শ্বসনতন্ত্রে সমস্যা: কমসংখ্যক অ্যালভিওলাই থাকে। ফুসফুসের ক্যান্সারের জন্য দায়ী: $SiO_2$। প্যারান্যাসাল সাইনাস: অক্সিপিটাল সাইনাস থাকে না। কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাসে বড়দের ক্ষেত্রে মিনিটে ফুঁ: ১০-১৫ বার। খাদ্য স্বরযন্ত্রে প্রবেশে বাধা পায়: এপিগ্লটিসের কারণে। স্বরযন্ত্রে কোমলাস্থি বা তরুণাস্থি: ৯টি। শব্দ উৎপন্ন করে: ল্যারিংস। শ্বসন পথ শুরু হয়: সম্মুখ নাসারন্ধ্র থেকে। ট্রাকিয়া: ১৬-২০টি C আকৃতির তরুণাস্থি দিয়ে গঠিত। কৃত্রিম শ্বাস প্রশ্বাসে শিশুদের ক্ষেত্রে মিনিটে ফুঁ: ২০-২৫ বার। কোন রোগে অ্যালভিওলাস ফেটে ফুসফুসে ফাঁকা জায়গার সৃষ্টি করে: প্ল্যুরিসি। কমন কোল্ড বা ঠাণ্ডা লাগা: শ্বসনতন্ত্রের সংক্রমণজনিত রোগ যা ২০০ ধরনের ভাইরাস দ্বারা সংক্রমিত হয়। ফুসফুসের প্রদাহ: এমফাইসেমা। ২৩ সপ্তাহ বয়স্ক মানব ভ্রূণে সর্বপ্রথম সারফেকট্যান্ট ক্ষরণ শুরু হয়। ২৪ সপ্তাহের আগে মানবভ্রূণকে স্বাধীন অস্তিত্বের অধিকারী বলে গণ্য করা হয় না। পূর্ণ বয়স্ক সুস্থ মানুষে শ্বসন প্রক্রিয়া সংঘটিত হয়: ১৪-১৮ বার/মিনিট। নবজাতক শিশুর শ্বসন: ৪০ বার/মিনিট। স্বরযন্ত্রের উপরে একটি ছোট: এপিগ্লটিস। স্বরযন্ত্রের তরুণাস্থির মধ্যে থাইরয়েড তরুণাস্থি: সবচেয়ে বড়। একে Adam's Apple । অ্যালভিওলাস প্রাচীরের বিশেষ কোষ: সারফেকট্যান্ট। চ্যাপ্টাকৃতির স্কোয়ামাস এপিথেলিয়াম কোষে গঠিত কৈশিকজালিকাসমৃদ্ধ প্রকোষ্ঠ: অ্যালভিওলাস। প্রত্যেক অ্যালভিওলাসের প্রাচীর: $0.2 \text{ µm}$ পুরু। মানবদেহের ফুসফুস থেকে $O_2$ রক্তে পরিবাহিত হয়: ব্যাপন প্রক্রিয়ায়। মানুষের রক্তের শ্বাসরঞ্জক: হিমোগ্লোবিন। মানুষের শ্বসনে শতকরা $O_2$ প্লাজমার ভৌত দ্রবণরূপে পরিবাহিত হয়: ২%। কোন বয়সী শিশুদের ওটিটিসমিডিয়া বেশি হতে পারে: ৪ মাস থেকে ৪ বছর। ধূমপায়ীদের ফুসফুসের X -ray ফিল্ম দেখতে: সাদাটে। অধিক ধূমপানের ফলে সৃষ্ট রোগ: ব্রঙ্কাইটিস। কানের মধ্যকর্ণের সংক্রমণজনিত প্রদাহন: ওটিটিস মিডিয়া। মধ্যকর্ণের ইনফেকশনের কারণ: ইউস্টেশিয়ান নালি বন্ধ হওয়া। সাইনুসাইটিস রোগের প্রধান উপসর্গ: মাথাব্যথা। কোন সাইনাসের প্রদাহের কারণে গালে, দাঁত ও মাথায় ব্যাথা হয়: ম্যাক্সিলারি সাইনাস। মানব দু' চোখের মধ্যবর্তী সাইনাস: এথময়েড। শ্বাসনালিতে মিউকাস সৃষ্ট প্রদাহ: ব্রঙ্কাইটিস। সাইনাস প্রদাহের কারণে হয়: সাইনুসাইটিস। মানুষের সাইনাস: ৪টি (ম্যাক্সিলারি, ফ্রন্টাল, এথময়ডাল ও স্ফেনয়ডাল সাইনাস)। অ্যাকিউট সাইনুসাইটিস এর স্থায়িত্ব: ৪-৮ সপ্তাহ। ক্রনিক সাইনুসাইটিস এর স্থায়িত্ব: ২ মাসের বেশি। প্যারান্যাসাল সাইনাস: চারজোড়া বা ৮টি। সিগারেট শলায় রাসায়নিক: প্রায় ৪ হাজার। ৭. মানব শরীর তত্ত্ব: চলন ও অঙ্গ চালনা (Human Physiology: Locomotion and Movement) কঙ্কালতন্ত্র ডেলটয়েড রিজ বিদ্যমান: হিউমেরাসে। ওলিক্রেনন প্রসেস বিদ্যমান: আলনা। মানুষের মেরুদণ্ডের ২য় অস্থি: অ্যাক্সিস। মানুষের বাহুতে মোট অস্থির: ৬০টি। মানুষের নকল পর্শকা: ৩ জোড়া (৮ম, ৯ম ও ১০ম)। মানুষের স্যাক্রাল কশেরুকা: ৫টি। মজ্জা গহ্বার নেই: ক্লাভিকলে। মানবদেহের সবচেয়ে বড় অস্থি: ফিমার। দীর্ঘ যষ্টির মতো দেখতে: ফিবুলা। অবটুরেটর ফোরামেন বিদ্যমান: ইনোমিনেট অস্থি বা হিপ বোনে। মানবদেহের ইলিয়াম, ইশ্চিয়াম ও পিউবিস এর সংযোগস্থলে বিদ্যমান: অ্যাসিটাবুলাম। ফিমারের মস্তক প্রবিষ্ট/আটকানো থাকে: অ্যাসিটাবুলামে। অ্যানটমিকাল গ্রীবা ও সার্জিকাল গ্রীবা বিদ্যমান: হিউমেরাসে। Floating Rib : ১১শ-১২শ। স্টার্নামের সাথে সংযুক্ত থাকে: প্রথম ৭ জোড়া পর্শকা। মানুষের পুচ্ছদেশীয় কাশেরুকা: কক্কিক্স। কোন কশেরুকায় ট্রান্সভার্স ফোরামেন থাকে: থোরাসিক। ম্যামারি প্রসেস দেখা যায়: লাম্বার কশেরুকায়। থোরাসিক কশেরুকার সংখ্যা: ১২টি। বায়ুপূর্ণ অস্থি (নিউমেটিক অস্থি): ম্যাক্সিলা। করোটির সবচেয়ে ক্ষুদ্র অস্থি: ল্যাক্রিমাল। করোটির সচল বা নড়নক্ষম অস্থি: ম্যান্ডিবল। মানুষের গ্রীবা দেশীয় কশেরুকা: ৭ টি। মানবদেহে অক্ষীয় কঙ্কাল অস্থির সংখ্যা: ৮০ টি। মানুষের উপাঙ্গীয় কঙ্কালে অস্থির সংখ্যা: ১২৬ টি। মানুষের বক্ষদেশীয় অঞ্চলে কশেরুকা: ১২ টি। বক্ষপিঞ্জর গঠনকারী অস্থির সংখ্যা: ২৫ টি। মানুষের এক হাতে ফ্যালাঞ্জেসের সংখ্যা: ১৪টি। অ্যাক্সিস কোন অঞ্চলের কশেরুকা: গ্রীবাদেশীয়। করোটিকার অস্থি/ জোড় অস্থি: প্যারাইটাল। মানুষের মেরুদণ্ডের প্রথম অস্থি (অ্যাটলাস) করোটির কোন অস্থির সাথে যুক্ত থাকে: অক্সিপিটাল অস্থি। মহাবিবর বা ফোরামেন ম্যাগনাম অবস্থিত: অক্সিপিটাল। মুখমণ্ডলীয় অস্থিসমূহের নাম: ম্যাক্সিলা, ম্যান্ডিবল, জাইগোম্যাটিক, ন্যাসাল, ল্যাক্সিমাল, ইনফিরিয়র ন্যাসাল কক্কা, ভোমার ও প্যালেটাইন। কঙ্কালতন্ত্র ভ্রুণীয় কোন স্তর হতে সৃষ্টি হয়: মেসোডার্ম। করোটির ডানার মতো অস্থি: স্ফেনয়েড। করোটির অস্থি সংখ্যা: ২৯টি। মেরুদণ্ডের অস্থিসংখ্যা: ২৬টি। মুখমণ্ডলের অস্থি সংখ্যা: ১৪টি। হিপবোনের অ্যাসিটাবুলামে ফিমারের মস্তক আটকানো থাকে। মানুষের হাতের কার্পাল অস্থির সংখ্যা: ৮টি। স্টার্নাম তিনটি অংশে বিভক্ত: ম্যানুব্রিয়াম, দেহ এবং জিফয়েড প্রসেস। ক্ল্যাভিকল দেখতে: ইটালিক 'f' এর মতো। স্ক্যাপুলায় গ্লেনয়েড গহ্বর থাকে যেখানে: হিউমেরাসের মস্তক আটকানো থাকে। নিম্নচোয়াল গঠিত: ' U ' আকৃতির ম্যান্ডিবল দিয়ে। কঙ্কাল যোজক কলা বহিঃকর্ণে তরুণাস্থি: স্থিতিস্থাপক। তরুণাস্থির গহ্বর: ল্যাকুনা। তরুণাস্থির অস্থিতে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়া: অসিফিকেশন। সিসাময়েড অস্থি: প্যাটেলা। শ্বাসনালি ও নাকে পাওয়া যায়: হায়ালিন তরুণাস্থি। তরুণাস্থির আবরণ: পেরিকন্ড্রিয়াম। নিরেট অস্থির গাঠনিক ও কার্যিক একক: অস্টিওন/হ্যাভারসিয়ান তন্ত্র। অস্থির কোষ: অস্টিওব্লাস্ট, অস্টিওক্লাস্ট ও অস্টিওসাইট। নিরেট অস্থি: সুস্পষ্ট হ্যাভ্যারসিয়ান তন্ত্রযুক্ত। ক্যালসিফাইড বা চুনময় তরুণাস্থি পাওয়া যায়: হিউমেরাস ও ফিমারের মস্তকে। ইলাস্টিন নামক প্রোটিন দিয়ে গঠিত যোজক কলা: পীততন্ত্রময়। অস্থিতে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ দেহের মোট ক্যালসিয়ামের: ৯৭%। পেশিকলা চলনের সময় হাঁটুকে ভাজ করে: বাইসেপস ফিমোরিস মাংসপেশি। মানবদেহে পেশি: প্রায় ৬৫৬টি। টেনডন দ্বারা অস্থির সাথে সংযুক্ত থাকে। দেহভরের ৪০% গঠন করে। মানুষের চলার সময় মাটি থেকে পায়ের গোড়ালি উত্তোলনে সহায়তা করে: গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশি। পেশি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সম্প্রসারণ করে কিংবা দেহ অক্ষ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়: এক্সটেনসর পেশি। বাইসেপস: ফ্লেক্সর পেশি। দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশি: জিহ্বা। পরিশ্রমি পেশি: হৃদপেশি। লম্বা (৩০ সেন্টিমিটার) পেশি: উরুর সারটোরিয়াস পেশি। মায়োফাইব্রিল গঠিত: মায়োসিন ও অ্যাকটিন প্রোটিন। পেশিকলা/ পেশিকোষ/ ঐচ্ছিক পেশিতন্তুর আবরণ: সারকোলেমা। টেনডন: পেশিকে অস্থির সাথে যুক্ত করে। ইন্টারক্যালটেড ডিস্ক থাকে: হৃৎপেশিতে। জানুসন্ধি পেছনের দিকে বাঁকাতে দুটি পেশি গুচ্ছের প্রয়োজন: হ্যামস্ট্রিং পেশি এবং গ্যাস্ট্রোকনেমিয়াস পেশি। লিভার, অস্থিভঙ্গ, অস্থিসন্ধি অস্থি ভেঙে একাধিক টুকরায় ভাগ হয়: কমিনিউটেড অস্থিভঙ্গ। একটি লিভারে অংশ: ৪টি (লিভার বাহু, পিভট, প্রচেষ্টা ও ভার)। প্রথম শ্রেণির লিভারের মতো কাজ করে: করোটি ও অ্যাটলাস। দ্বিতীয় শ্রেনির লিভার: পায়ের পাতায় গোড়ালি, ঠেলাগাড়ি। মানব কঙ্কালতন্ত্রে ৩য় শ্রেনির লিভার কার্যকর: হাতের কনুই সঞ্চালনে। সাধারণ হাড়ভাঙ্গা: বদ্ধ হাড়ভাঙ্গা। জটিল হাড়ভাঙ্গা: চাপা হাড়ভাঙ্গা। যৌগিক হাড়ভাঙ্গা: উন্মুক্ত হাড়ভাঙ্গা। ১১. জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন (Genetics and Evolution) বংশগতি F2 জীবকে তার প্যারেন্টের সাথে ক্রস করানোকে বলা হয়: ব্যাক ক্রস। পলিজিন নিয়ন্ত্রিত বৈশিষ্ট্য: মানুষের উচ্চতা, ত্বকের রং, চোখের রং, গাভির দুধ, ভুট্টা বা গমের দানাদার রং, ওজনের ভিন্নতা, আচরণ, হৃদরোগ, কতিপয় ক্যানসার, মানসিক অসুস্থতা ইত্যাদি। প্রকট এপিস্ট্যাসিস এ ব্যতিক্রমধর্মী অনুপাত: ১৩:৩। পরিপূরক জিনের উপস্থিতির ক্ষেত্রে ফিনোটাইপিক অনুপাত: ৯:৭। ক্রমবর্ধিষ্ণু দ্বিত্বন জিনের ক্ষেত্রে ফিনোটাইপিক অনুপাত: ১:৪:৬:৪:১। প্রাণীতে দুইজোড়া বিপরীত বৈশিষ্ট্যের উপর দৃষ্টি রেখে যে ক্রস করানো হয়: ডাইহাইব্রিড ক্রস। লিথাল জিন সর্বপ্রথম বর্ণনা করেন: ক্যুনো। দ্বৈত-প্রচ্ছন্ন এপিস্ট্যাসিসের অনুপাত: ৯:৭। অসম্পূর্ণ প্রকটতার কারণে মেন্ডেলের মনোহাইব্রিড ক্রসের অনুপাত: ৩:১ এর পরিবর্তে ১:২:১। সন্ধ্যামালতি ফুলে: অসম্পূর্ণ প্রকটতা দেখা যায়। জিনোটাইপ: জীবের ক্রোমোজমের গঠন। জীবের মৃত্যুর জন্য দায়ী: Lethal gene । জিনোটাইপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত জীবের বাহ্যিক লক্ষণ: ফিনোটাইপ। ১৮৫৭ সালে মেন্ডেল: ৩৪ প্রকার মটরশুঁটি সংগ্রহ করে সাত বছর পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। উইলিয়াম বেটসন ১৯০৫ সালে সর্বপ্রথম: Genetics শব্দটি প্রচলন করেন। হোমোলোগাস ক্রোমোজোমের একটি লোকাসে দুটি জিনের একত্রে থাকাকে: অ্যালিলোমর্ফ। ডাই-হাইব্রিড ক্রস এর মেন্ডেলীয় অনুপাত: ৯:৩:৩:১। যে জিন নন-অ্যালিলিক জিনের বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা দেয়: এপিস্ট্যাটিক জিন। সহপ্রকটতায় মেন্ডেলিয়ান অনুপাতের পরিবর্তিত রূপ: ১:২:১। মেন্ডেলের ১ম সূত্র: পৃথকীকরণের সূত্র। সহপ্রকটতার অনুপাত: ১:২:১। নিলা বর্ণান্ধ ($XX$) তার বাবা ও মায়ের জিনোটাইপ: $XY$ এবং $XXC$। Drosophila মাছির লুপ্তপ্রায় ডানা সৃষ্টিকারী জিন: সাবভাইটাল। হোমোলোগাস বা সমসংস্থ ক্রোমোজোমের নির্দিষ্ট লোকাসে অবস্থিত এক জোড়া জিন যদি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে: অ্যালিল। মনোহাইব্রিড ক্রসের ক্ষেত্রে, টেস্ট ক্রসে ফিনোটাইপিক ও জিনোটাইপিক অনুপাত: ১:১। মেন্ডেল মটরশুটি গাছের বৈশিষ্ট্য: ৭ জোড়া। F1 ও F2 জনুর বংশধরগুলো হোমোজাইগাস নাকি হেটেরোজাইগাস তা জানার প্রক্রিয়া: টেস্ট ক্রস। যে জিন বৈশিষ্ট্য প্রকাশে বাধা পায়: Hypostatic gene । পিতা স্বাভাবিক ও মাতা বর্ণান্ধ হলে, ছেলেগুলো: ১০০% বর্ণান্ধ। হিমোফিলিয়ায় আক্রান্ত মহিলার সম্ভাব্য পিতামাতা: বাহক মা ও হিমোফিলিক বাবা। টেস্ট ক্রসে কোন জীবের সাথে সংকরায়ণ বা ক্রস ঘটানো হয়: মাতৃবংশের বিশুদ্ধ প্রচ্ছন্ন ($Tt \times tt$)। অসম্পূর্ণ প্রকটতার জন্য দায়ী জিন: ইন্টারমিডিয়েট জিন। কোন জীবের লক্ষণ নিয়ন্ত্রণকারী জিনযুগলের গঠন: জিনোটাইপ। বংশগতীয় বিভিন্ন রোগ কোন রোগের কারণে একজন মানুষ চলনশক্তিহীন হয়ে যেতে পারে: মাসকুলার ডিস্ট্রফি। নারীর দেহে দুটি X ক্রোমোজোমের একটি কিংবা সম্পূর্ণ অনুপস্থিত থাকলে: টার্নার সিনড্রোম। পুরুষ স্বাভাবিক এবং স্ত্রী বর্ণান্ধ হোমোজাইগাস হলে ছেলেটি: বর্ণান্ধ। XX-XO পদ্ধতিতে লিঙ্গ নির্ধারিত হয়: ফড়িং, ছাড়পোকা, অর্থোপ্টেরা ও হেটারোপ্টেরা। ক্লাসিক হিমোফিলিয়ায় রক্ত তঞ্চনের VIII নম্বর ফ্যাক্টর উৎপন্ন হয় না। খ্রিস্টমাস হিমোফিলিয়ায় রক্ত তঞ্চনের IX নম্বর ফ্যাক্টরটি উৎপন্ন হয় না। রক্তের গ্রুপ মানুষের রক্তের শ্রেণিবিন্যাস করেন: কার্ল ল্যান্ডস্টেইনার। জীবের প্রকাশিত লক্ষণ: ফিনোটাইপ। মানুষের সংখ্যা কোন রক্তগ্রুপে সবচেয়ে বেশি: B । সমগ্র মানবজাতির রক্ত: ৪ ভাগে ভাগ করা যায় ( A, B, AB ও O )। সর্বজনীন দাতা গ্রুপ: O । সর্বজনীন গ্রহিতা ব্লাড গ্রুপ: AB । বিবর্তন কোন শ্রেণি থেকে Archaeopteryx এর উৎপত্তি হয়েছে: Reptilia । ফিলোসফিক গ্রন্থের রচয়িতা: ল্যামার্ক। ডারউইনবাদের অন্তর্গত: যোগ্যতমের জয় ও প্রাকৃতিক নির্বাচন। ডারউইনবাদের সব থেকে বড় দুর্বলতা: প্রকরণ। ব্যক্তিজনি জাতিজনির পুনরাবৃত্তি ঘটায় তত্ত্বটির প্রবক্তা: হেকেল। প্রাকৃতিক নির্বাচন মতবাদের প্রবর্তক: চার্লস রবার্ট ডারউইন। বায়োলজি শব্দের প্রবর্তক: ল্যামার্ক। ল্যামার্ক: মেরুদন্ডী ও অমেরুদন্ডী প্রাণির শ্রেণীকরণ করেন। অর্জিত বৈশিষ্ট্যের বংশগতি: ল্যামার্কের মতবাদ। এম্পেডোক্লিস: বিবর্তনের জনক। রাসেল ওয়ালেস প্রাণীর বিস্তারের উপর ভিত্তি করে পৃথিবীকে ৬ অঞ্চলে ভাগ করেন। ডায়নোসরের উদ্ভব: ট্রায়াসিক যুগে। ডায়নোসরের বিলুপ্তি: ক্রিটেসিয়াস যুগে। জুরাসিক সময়কাল: $16.5 \text{ কোটি}$ বছর আগে। মানুষের উদ্ভব: প্লিওসিন যুগে। সেমিলিথাল জিনের প্রভাবে ৫০% এর বেশি জীব মারা যায়। সাবভাইটাল জিনের প্রভাবে ৫০% এর কম জীব মারা যায়। প্লাটিপাস: জীবন্ত ফসিল। আজ থেকে $14.7 \text{ কোটি}$ বছর আগে জুরাসিক যুগে Archaeopteryx পাখির আবির্ভাব ঘটেছিল।