প্রথম অধ্যায়: কোষ ও এর গঠন। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: DNA/RNA গঠন/প্রক্রিয়া, ক্রোমোজোম (প্রকার, সংখ্যা, মাইটোসিসে আকৃতি), মাইটোকন্ড্রিয়া (গঠন, কাজ, উপাদান), রাইবোসোম (কাজ, S মান), কোষের গঠন/তত্ত্ব (আবিষ্কার, প্রোক্যারিওট বনাম ইউক্যারিওট)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: লাইসোসোম (কাজ, উপাদান, উপস্থিতি/অনুপস্থিতি), প্লাস্টিড (শ্রেণিবিন্যাস, উপাদান, রূপান্তর), সাইটোপ্লাজম (উপাদান, গতি/প্রবাহ)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি: কোষ প্রাচীরের গঠন/উপাদান (মাইসেলি, লিগনিনের অনুপস্থিতি), স্টার্ট/স্টপ কোডন (AUG, UAA, UAG, UGA), নিউক্লিয়াসের বৈশিষ্ট্য (নিউক্লিওয়েড, ক্রোমোমিয়ার)। মূল তত্ত্ব কোষ হলো জীবনের মৌলিক গাঠনিক ও জৈবিক কার্যকারী একক । মাইটোকন্ড্রিয়া হলো কোষের শক্তিঘর । ক্রেবস চক্র ও অক্সিডেটিভ ফসফোরিলেশনের স্থান। মাইটোকন্ড্রিয়াতে শুষ্ক ওজনের ৬০-৭০% প্রোটিন থাকে। রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণ (প্রোটিন ফ্যাক্টরি) করে। প্রোক্যারিওটিক রাইবোসোম ৭০S; ইউক্যারিওটিক রাইবোসোম ৮০S। লাইসোসোম হলো আত্মঘাতী থলিকা কারণ এতে হাইড্রোলাইটিক এনজাইম থাকে। কোষ প্রাচীরের ক্ষুদ্রতম গাঠনিক একক হলো মাইসেলি । DNA ডাবল হেলিক্সের পিচ $34 \text{ Å}$ ($3.4 \text{ nm}$), ব্যাস $20 \text{ Å}$ । নিউক্লিয়াস প্রাথমিকভাবে নিউক্লিক অ্যাসিড (৪৫%) ও প্রোটিন (৫৫%) দ্বারা গঠিত। প্লাস্টিড লিউকোপ্লাস্ট (বর্ণহীন/সঞ্চয়), ক্লোরোপ্লাস্ট (সবুজ/সালোকসংশ্লেষণ) এবং ক্রোমোপ্লাস্ট (রঙিন/ক্যারোটিনয়েড) এ শ্রেণীবদ্ধ। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ লাইসোসোম সাধারণত প্রাণী কোষে (বিশেষত লিউকোসাইটে) উপস্থিত থাকে কিন্তু পরিণত RBC-তে অনুপস্থিত । প্রোক্যারিওটিক কোষ -এ প্রকৃত নিউক্লিয়াস থাকে না, তবে DNA অঞ্চলকে নিউক্লিওয়েড বলে। স্টপ কোডন (UAA, UAG, UGA) স্টার্ট কোডন (AUG) এর সাথে গুলিয়ে ফেলা যাবে না। ছত্রাকের কোষ প্রাচীর কাইটিন , কিন্তু উদ্ভিদের কোষ প্রাচীর সেলুলোজ । ক্রোমোজোম আকৃতি: মেটাসেন্ট্রিক ('V') বনাম সাব-মেটাসেন্ট্রিক ('L') বনাম অ্যাক্রোসেন্ট্রিক ('J') বনাম টেলোসেন্ট্রিক ('I')। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: মাইটোকন্ড্রিয়া/ক্রেবস চক্রের অবস্থান, প্রোটিন সংশ্লেষণ (রাইবোসোম), DNA এর মাত্রা ($34 \text{ Å}/20 \text{ Å}$)। প্রোক্যারিওট বিভাজন (অ্যামাইটোসিস), ইউক্যারিওট রাইবোসোম (৮০S), কোষ প্রাচীরের ক্ষুদ্রতম একক (মাইসেলি)। নিউক্লিয়াসের রাসায়নিক উপাদান: নিউক্লিক অ্যাসিড + প্রোটিন। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: লাইসোসোমের অবস্থান (RBC-তে অনুপস্থিত)। সেন্ট্রিওল (প্রাণী/নিম্ন উদ্ভিদ কোষ সংগঠক) বনাম রাইবোসোম (প্রোটিন ফ্যাক্টরি)। দ্বিতীয় অধ্যায়: কোষ বিভাজন। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: মিয়োসিস প্রোফেজ-I এর উপপর্যায় (প্যাকাইটিন/ক্রসিং ওভার/কায়াজমাটা, জাইগোটিন/সিন্যাপসিস/বাইভ্যালেন্ট), মাইটোসিস পর্যায় (অ্যানাফেজ গতি, মেটাফেজ প্লেট), অ্যাপোপটোসিস/নেক্রোসিস, কোষ চক্রের সময়কাল। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: মাইটোসিস বনাম মিয়োসিসের তুলনা, ক্যারিওকাইনেসিস/সাইটোকাইনেসিসের সংজ্ঞা, মাইটোসিসের গুরুত্ব (বৃদ্ধি, মেরামত)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি: অ্যানাফেজে ক্রোমোজোমের আকৃতি (V, L, J, I), অ্যামাইটোসিসের উদাহরণ (ব্যাকটেরিয়া, ইস্ট), ইন্টারকাইনেসিস। মূল তত্ত্ব কোষ চক্র: ইন্টারফেজ (৯০-৯৫%) + মাইটোসিস (৫-১০%)। S দশায় DNA প্রতিলিপিকরণ/দ্বিগুণ হয়। মাইটোসিস: সমীকরণিক বিভাজন; দেহকোষ/ডিপ্লয়েড কোষে ঘটে; ক্রোমোজোম সংখ্যা একই থাকে ($2n \to 2n$)। ক্ষত নিরাময় ও জীবের বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মিয়োসিস: হ্রাসমূলক বিভাজন ($2n \to n$); জনন কোষে গ্যামেট গঠনের জন্য ঘটে। নিউক্লিয়াস দুবার বিভাজিত হয়, ক্রোমোজোম একবার। সিন্যাপসিস (জোড়া বাঁধা): জাইগোটিন দশায় ঘটে (বাইভ্যালেন্ট গঠন)। ক্রসিং ওভার: প্যাকাইটিন দশায় নন-সিস্টার ক্রোমাটিড -এর মধ্যে বিনিময়। অ্যাপোপটোসিস: জিনগতভাবে নিয়ন্ত্রিত কোষের মৃত্যু। নেক্রোসিস: আঘাত বা পুষ্টির অভাবে কোষের মৃত্যু। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ মাইটোসিস অ্যানাফেজ গতি সেন্ট্রোমিয়ার অবস্থানের উপর ভিত্তি করে V, L, J, I আকৃতি তৈরি করে। এখানে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয় না, সেগ্রিগেশন ঘটে। ক্রোমোজোম সংখ্যার হ্রাস (অর্ধেক) মিয়োসিসের অ্যানাফেজ I -এ ঘটে। ক্রসিং ওভার নন-সিস্টার ক্রোমাটিড -এর মধ্যে ঘটে। সাইটোকাইনেসিস (সাইটোপ্লাজম বিভাজন) সাধারণত টেলোফেজের পরে ঘটে; কখনও কখনও অনুপস্থিত থাকে, যার ফলে *নিউক্লিয়াস মুক্ত বিভাজন* হয় (যেমন, নারকেলের পানি)। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: ক্যারিওকাইনেসিস/সাইটোকাইনেসিসের সংজ্ঞা ও সময়কাল। মিয়োসিস পর্যায় ও ঘটনা (জাইগোটিন=বাইভ্যালেন্ট, প্যাকাইটিন=ক্রসিং ওভার/টেট্রাড)। অ্যাপোপটোসিস/নেক্রোসিসের পার্থক্য। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: অ্যানাফেজ I-এ সমসংস্থ ক্রোমোজোম পৃথক হয়; অ্যানাফেজ II-এ সিস্টার ক্রোমাটিড পৃথক হয়। মাইটোসিস পর্যায়ের ক্রম ও প্রধান কার্যক্রম (প্রোফেজ: ক্রোমোজোম দৃশ্যমান/নিউক্লিয়াস অদৃশ্য; মেটাফেজ: সারিবদ্ধকরণ/ক্ষুদ্রতম পর্যায়; অ্যানাফেজ: গতি/সেন্ট্রোমিয়ার বিভাজন)। চতুর্থ অধ্যায়: অণুজীব। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: ভাইরাস সংজ্ঞা (জীব/জড় সেতুর, বাধ্যতামূলক পরজীবী, উপাদান), ব্যাকটেরিয়ার আকার/শ্রেণিবিন্যাস (ফ্ল্যাজেলার প্রকার, আকৃতি), ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগ (কলেরা, টাইফয়েড) ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব (N-ফিক্সেশন, গাঁজন)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: ম্যালেরিয়া জীবনচক্র (স্পোরোজোইট/মেরোজোইট, হিমোজোইন), ভাইরাসবাহিত রোগ (ডেঙ্গু, জলাতঙ্ক, হেপ সি), ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর (পেপটিডোগ্লাইকান)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি: ভিরয়েড/প্রিয়ন বৈশিষ্ট্য, ব্যাকটেরিয়ার আকৃতি (কমা/ভিব্রিও, স্পিরিলাম), নস্টক/সায়ানোব্যাকটেরিয়ার গঠন (হেটেরোসিস্ট/ট্রাইকোম)। মূল তত্ত্ব ভাইরাস: অচাষযোগ্য সত্তা, জীব ও জড়ের মধ্যে সেতু। নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA বা RNA) একটি প্রোটিন আবরণ (ক্যাপসিড) দ্বারা আবদ্ধ থাকে। ব্যাকটেরিয়া: প্রোক্যারিওটিক, কোষ প্রাচীরে পেপটিডোগ্লাইকান/মিউরোপেপটাইড থাকে। দ্বিবিভাজন দ্বারা প্রজনন করে। ফ্ল্যাজেলা শ্রেণিবিন্যাস: ভিব্রিও কলেরা হলো মনোট্রিকাস (একটি ফ্ল্যাজেলাম) এবং কমা আকৃতির। নাইট্রোজেন সংবন্ধন: মিথোজীবী (শিম্বি উদ্ভিদের মূলে রাইজোবিয়াম ) ও অমিথোজীবী ( অ্যাজোটোব্যাক্টার , ক্লস্ট্রিডিয়াম )। ম্যালেরিয়া জীবনচক্র: মশার কামড়ের মাধ্যমে প্লাজমোডিয়াম স্পোরোজোইট মানবদেহে প্রবেশ করে। যকৃত (হেপাটিক সিজোগনি) ও RBC (এরিথ্রোসাইটিক সিজোগনি) তে অযৌন চক্র ঘটে। হিমোজোইন RBC ফেটে যাওয়ার সময় জ্বরের লক্ষণ সৃষ্টি করে। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ ভিব্রিও কলেরা কমা আকৃতির এবং মনোট্রিকাস (এক ফ্ল্যাজেলাম), প্রায়শই অন্য ফ্ল্যাজেলার প্রকারের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়। ভাইরাল নিউক্লিক অ্যাসিড DNA বা RNA, কিন্তু কখনোই উভয়ই একসাথে নয়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীর পেপটিডোগ্লাইকান (মিউরোপেপটাইড), সেলুলোজ বা কাইটিন নয়। হেপ সি একটি গুরুতর হেপাটাইটিস, যা "তুষের আগুন" নামে পরিচিত। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: ম্যালেরিয়ার ভেক্টর ও এজেন্ট ( অ্যানোফিলিস স্ত্রী মশা, প্লাজমোডিয়াম প্রোটোজোয়া)। স্পোরোজোইট (সংক্রামক দশা) এবং মেরোজোইট (সিজোগনির সময় মুক্তিপ্রাপ্ত)। N-সংবন্ধনকারী ব্যাকটেরিয়ার উদাহরণ (রাইজোবিয়াম, অ্যাজোটোব্যাক্টার)। ভাইরাসবাহিত রোগের তালিকা (জলাতঙ্ক, পোলিও, ডেঙ্গু, হেপ, মাম্পস)। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: এসচেরিচিয়া কোলাই হলো গ্রাম-নেগেটিভ। ক্লস্ট্রিডিয়াম একটি বাধ্যতামূলক অ্যানারোব (O2 দ্বারা মারা যায়) যা পাট পচানো/টক্সিন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়। সপ্তম অধ্যায়: নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদ। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: নগ্নবীজীর বৈশিষ্ট্য (নগ্ন বীজ, ডিম্বাশয় নেই, n এন্ডোস্পার্ম, ভেসেল/সঙ্গী কোষ নেই), সাইকাসের বৈশিষ্ট্য (কোরালয়েড মূল, বৃহত্তম শুক্রাণু, জীবন্ত জীবাশ্ম), ফ্লোরাল ফর্মুলা (মালভেসি, পোয়াসি, ক্রুসিফেরি)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: ফলের শ্রেণিবিন্যাস (ড্রুপ, বেরি, হেস্পেরিডিয়াম, অ্যাগ্রিগেট/যৌগিক ফলের উদাহরণ), প্ল্যাসেন্টেশন প্রকার (অ্যাক্সাইল/জবা, মার্জিনাল/মটর, প্যারাইটাল/শসা), একবীজপত্রী বনাম দ্বিবীজপত্রীর বৈশিষ্ট্য (পাতার শিরাবিন্যাস, মূলের প্রকার)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি: দ্বিনিষেক ব্যতিক্রম ( এফেড্রা ), ভেসেলের উপস্থিতি ব্যতিক্রম ( গ্নেটাম ), ক্ষুদ্রতম আবৃতবীজী ( উলফিয়া ), আবৃতবীজীর প্রজনন কাঠামোর উপস্থিতি (ডিম্বাশয়/গর্ভকেশর, আর্কেগোনিয়া নেই)। মূল তত্ত্ব নগ্নবীজী: বীজ নগ্ন, ডিম্বক/বীজ উন্মুক্ত থাকে। এন্ডোস্পার্ম হ্যাপ্লয়েড (n) , নিষেক পূর্বেই গঠিত হয়। ভেসেল ও সঙ্গী কোষের অভাব ( গ্নেটাম ব্যতীত)। সাইকাস: জীবন্ত জীবাশ্ম । কোরালয়েড মূল আছে ( অ্যানাবিনা ও নস্টক এর সাথে মিথোজীবিতা)। বৃহত্তম শুক্রাণু আছে। আবৃতবীজী: দ্বিনিষেক ঘটে। এন্ডোস্পার্ম ট্রিপ্লয়েড (3n) , নিষেক পরে গঠিত হয়। ডিম্বাশয় ফলে পরিণত হয়। প্ল্যাসেন্টেশন: মার্জিনাল (মটর, লেগুমিনোসি/ফ্যাবেসি)। অ্যাক্সাইল (জবা, মালভেসি)। প্যারাইটাল (শসা, ব্রাসিকেসি)। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ হ্যাপ্লয়েড বনাম ট্রিপ্লয়েড এন্ডোস্পার্ম: নগ্নবীজীর হ্যাপ্লয়েড (n), আবৃতবীজীর ট্রিপ্লয়েড (3n)। দ্বিনিষেক আবৃতবীজীর একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য, যদিও এফেড্রা একটি নগ্নবীজী ব্যতিক্রম যা এটি প্রদর্শন করে। কোরালয়েড মূল নাইট্রোজেন সংবন্ধনের জন্য সায়ানোব্যাকটেরিয়া ( অ্যানাবিনা/নস্টক ) ধারণ করে, নিয়মিত মূলের মতো নয়। ফলের শ্রেণিবিন্যাসের ফাঁদ: আম (ড্রুপ, সরল রসালো ফল), লিচু (এরিল ফল), আনারস/কাঁঠাল (যৌগিক/সরোসিস)। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: প্লয়ডি স্তর: গ্যামেট (n), এন্ডোস্পার্ম (n বা 3n), স্পোরোফাইট (2n)। সাইকাস: জীবন্ত জীবাশ্ম, কোরালয়েড মূল, বৃহত্তম শুক্রাণু, পাইনাস আরেকটি নগ্নবীজী উদাহরণ। পোয়াসি ফল: ক্যারিওপসিস। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: গাইনেশিয়াম 'G' দ্বারা, ক্যালিক্স 'K' দ্বারা, করোলা 'C' দ্বারা নির্দেশিত। ফলের সংজ্ঞা: ড্রুপ (নারকেল, আম), বেরি (টমেটো, বেগুন), সরোসিস (কাঁঠাল, আনারস)। অষ্টম অধ্যায়: টিস্যু ও টিস্যু তন্ত্র। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: মেরিস্টেম শ্রেণিবিন্যাস (অ্যাপিক্যাল/ইন্টারক্যালারি/ল্যাটারাল), ভাস্কুলার বান্ডেলের প্রকার (রেডিয়াল/কঞ্জয়েন্ট, কনসেন্ট্রিক ফর্ম), জাইলেম উপাদান (ভেসেল/ট্রাকিড - মৃত বা জীবিত), ফ্লোয়েম উপাদান (সিব টিউব - নিউক্লিয়াসবিহীন/জীবিত)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: কার্যকারিতা অনুসারে মেরিস্টেম শ্রেণিবিন্যাস (প্রোটোডার্ম, প্রো ক্যাম্বিয়াম, গ্রাউন্ড মেরিস্টেম), সরল টিস্যুর বৈশিষ্ট্য/প্রকার (কোলেনকাইমার অবস্থান, প্যারেনকাইমার কাজ/প্রকার), সেকেন্ডারি বৃদ্ধির শর্ত (লেন্টিকল, কর্ক ক্যাম্বিয়াম, পেরিডার্ম)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি: মূল/কাণ্ডের অভ্যন্তরীণ শারীরস্থানিক তুলনা (একবীজপত্রী বনাম দ্বিবীজপত্রীর গঠন, পিথ, কর্টেক্স স্তর, হাইপোডার্মিসের উপাদান), ক্ষরণকারী টিস্যু (ইডিওব্লাস্ট, হাইডাথোড)। মূল তত্ত্ব অবস্থান অনুসারে মেরিস্টেম: অ্যাপিক্যাল (অগ্রভাগ/দৈর্ঘ্য), ইন্টারক্যালারি (নোড/ইন্টারনোড), ল্যাটারাল (পাশ/বেধ/ক্যাম্বিয়াম)। কার্যকারিতা অনুসারে মেরিস্টেম: প্রোটোডার্ম $\to$ এপিডার্মাল টিস্যু সিস্টেম; প্রোক্যাম্বিয়াম $\to$ ভাস্কুলার টিস্যু সিস্টেম (জাইলেম/ফ্লোয়েম); গ্রাউন্ড মেরিস্টেম $\to$ গ্রাউন্ড টিস্যু সিস্টেম (কর্টেক্স, পিথ)। সরল টিস্যু: প্যারেনকাইমা (মেসোফিল/ক্লোরোপ্লাস্ট, ইডিওব্লাস্ট/বর্জ্য পদার্থ, অ্যারেনকাইমা/বায়ু থলি), কোলেনকাইমা (দ্বিবীজপত্রী কাণ্ডের হাইপোডার্মিস, প্রাথমিক সমর্থন), স্ক্লেরেনকাইমা (মৃত কোষ, স্থায়ী সমর্থন)। জটিল টিস্যু: জাইলেম (ট্রাকিড, ভেসেল, ফাইবার, প্যারেনকাইমা), ফ্লোয়েম (সিব টিউব, সঙ্গী কোষ, ফাইবার, প্যারেনকাইমা)। ভাস্কুলার বান্ডেল: রেডিয়াল (মূল), কঞ্জয়েন্ট (কাণ্ড/পাতা), কনসেন্ট্রিক (হ্যাড্রোসেন্ট্রিক - জাইলেম কেন্দ্রে, যেমন, ফার্ন/টেরিস; লেপ্টোসেন্ট্রিক - ফ্লোয়েম কেন্দ্রে, যেমন, ড্রাসেনা)। বাস্ট ফাইবার: ফ্লোয়েম ফাইবার (যেমন, পাটের আঁশ)। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ সিব টিউবে নিউক্লিয়াস: পরিণত সিব টিউব জীবিত কিন্তু নিউক্লিয়াসবিহীন । সঙ্গী কোষে নিউক্লিয়াস থাকে। নিম্ন উদ্ভিদে ভেসেল/সঙ্গী কোষ: নগ্নবীজী (গ্নেটাম ব্যতীত) ও টেরিডোফাইটে (ফার্ন) অনুপস্থিত। মূল রোম সর্বদা এককোষী । কাণ্ডের রোম (ট্রাইকোম) এককোষী বা বহুকোষী হতে পারে। হাইডাথোড/গাটেশন: তরল জলীয় বিন্দু নির্গমনের প্রক্রিয়া, সাধারণত পাতা মার্জিনে রাতে/উচ্চ আর্দ্রতায় ঘটে এবং এটি প্রস্বেদন থেকে ভিন্ন। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: ভাস্কুলার বান্ডেলের প্রকার ও উদাহরণ (রেডিয়াল/মূল, কঞ্জয়েন্ট/কাণ্ড, হ্যাড্রোসেন্ট্রিক/ফার্ন)। বাস্ট ফাইবার = ফ্লোয়েম ফাইবার (পাট)। সিব টিউবের নিউক্লিয়াস অবস্থা (জীবিত, নিউক্লিয়াসবিহীন)। মূলের অভ্যন্তরীণ স্তর (এপি ব্লেমা/এপিডার্মিস $\to$ কর্টেক্স $\to$ এন্ডোডার্মিস/ক্যাসপারিয়ান $\to$ পেরিসাইকেল $\to$ পিথ/মেডুলা)। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: সেকেন্ডারি বৃদ্ধি দ্বিবীজপত্রী/নগ্নবীজী কাণ্ড এবং কিছু একবীজপত্রী ( ড্রাসেনা, ইউকা ) তে ঘটে। লেন্টিকল (কাঠল কাণ্ডে গ্যাস বিনিময়, সেকেন্ডারি বৃদ্ধি) বনাম স্টোমাটা (পাতায় গ্যাস বিনিময়, প্রাথমিক বৃদ্ধি)। নবম অধ্যায়: উদ্ভিদ শরীর তত্ত্ব। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: জল পরিবহন/শোষণ ধারণা (অভিস্রবণ, ইমবাইবিশন, DPD), প্রস্বেদন নিয়ন্ত্রণ (স্টোমাটার গতি/K+ আয়ন, কারণ/শতাংশ), সালোকসংশ্লেষণ স্থান (আলোক/অন্ধকার পর্যায়, C3/C4)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: খনিজ পুষ্টি (ম্যাক্রো/মাইক্রো উপাদান, পরিবহনের গতি), হরমোন (বৃদ্ধি জন্য অক্সিন/সাইটোকাইনিন, ফল পাকানোর জন্য ইথিলিন, ফুল ফোটার জন্য ফ্লোরিজেন), শ্বসন বিবরণ (ক্রেবস/গ্লাইকোলাইসিসের অবস্থান, RQ)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি: গাটেশন/হাইডাথোডের কাজ, C4 উদ্ভিদের উদাহরণ, জেরোফাইট/হ্যালোফাইটের অভিযোজন, জলের প্রকার (ক্যাপিলারি জল)। মূল তত্ত্ব জল: "জীবনের তরল", সার্বজনীন দ্রাবক। সংশক্তি (H2O-H2O) ও আসঞ্জন (H2O-পৃষ্ঠ) দ্বারা পরিবহন চালিত। শোষণ/বিভব: জল শোষণ ডিফিউশন প্রেসার ডেফিসিট (DPD) দ্বারা চালিত, যা অভিস্রবণ চাপ বিয়োগ টার্গর চাপ (OP-TP) এর সমান। প্রস্বেদন: স্টোমাটাল (৯০-৯৫%) প্রধান। স্টোমাটার খোলা উচ্চ pH (~৭) ও K+ এর প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। নীল আলো খোলা ত্বরান্বিত করে। সালোকসংশ্লেষণ: লাল/নীল আলোতে সর্বোচ্চ ঘটে। ETS থাইলাকয়েড মেমব্রেনে ঘটে। ETS এর চূড়ান্ত e- গ্রহণকারী হলো অক্সিজেন । শ্বসন: গ্লাইকোলাইসিস (সাইটোপ্লাজম), ক্রেবস চক্র/ETS (মাইটোকন্ড্রিয়া ম্যাট্রিক্স/ক্রিস্টি)। অ্যানারোবিক শ্বসনে সর্বনিম্ন ATP (২ ATP) উৎপন্ন হয়। হরমোন: অক্সিন ও সাইটোকাইনিন কোষ বিভাজন/বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে। ইথিলিন ফল পাকানো ত্বরান্বিত করে। ফ্লোরিজেন ফুল ফোটা ত্বরান্বিত করে। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ আয়ন শোষণের গতি: K+ দ্রুত শোষিত হয়, যখন Ca++ (ক্যালসিয়াম) সবচেয়ে ধীরে শোষিত হয়। পার্থেনোকার্পি (নিষেক ছাড়া বীজবিহীন ফল গঠন) জিবেরেলিনের মতো হরমোন দ্বারা প্ররোচিত হয় (যেমন, কলা, আঙ্গুর, আপেল)। সালোকসংশ্লেষণ রঞ্জক: ক্লোরোফিল A (হলুদ-সবুজ), ক্লোরোফিল B (নীলচে-সবুজ), ক্যারোটিন (কমলা), জ্যান্থোফিল (হলুদ), ফাইকোসায়ানিন (নীল), ফাইকোএরিথ্রিন (লাল)। জল শোষণ মূল/আয়ন চলাচল: অ্যাপোপ্লাস্টিক (অজীবন্ত অংশ) বনাম সিমপ্লাস্টিক (জীবন্ত অংশ/প্রোটোপ্লাজম) পথ। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: স্টোমাটার নিয়ন্ত্রণ (K+, pH, নীল আলো)। আয়ন পরিবহনের গতি (K+ দ্রুততম, Ca++ ধীরতম)। DPD সূত্র: OP - TP। পার্থেনোকার্পি ও ফ্লোরিজেন। শ্বসন/সালোকসংশ্লেষণের অবস্থান (গ্লাইকোলাইসিস: সাইটোপ্লাজম; ETS/ক্রেবস: মাইটোকন্ড্রিয়া; আলোক বিক্রিয়া: থাইলাকয়েড)। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: প্রস্বেদনের প্রকার ও মান (স্টোমাটাল > কিউটিকুলার > লেন্টিকুলার)। জলের বৈশিষ্ট্য: সংশক্তি (H2O-H2O), আসঞ্জন (H2O-পৃষ্ঠ)। একাদশ অধ্যায়: জীব প্রযুক্তি। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: টিস্যু কালচার (TC) এর মূলনীতি (টটিপোটেন্সি, মেরিস্টেম কালচার $\to$ রোগমুক্ত উদ্ভিদ, মিডিয়া উপাদান/নির্বীজন), জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং সরঞ্জাম (রেস্ট্রিকশন এনজাইম, লাইগেজ, প্লাজমিডের বৈশিষ্ট্য/প্রকার), GE পণ্য (ইনসুলিন, বিটি শস্য)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: হ্যাপ্লয়েড উদ্ভিদ উৎপাদন (অ্যান্থার/পোলেন কালচার), পরিবেশগত বায়োটেক (সুপারবাগ, তেল ছিটানো পরিষ্কার), ডলি/ক্লোনিং, সোমাক্লোনাল ভেরিয়েশন। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি: নির্দিষ্ট এনজাইমের নাম/সাইট (বামএইচআই, ইকোআরআই), টিস্যু কালচার মিডিয়ার pH (5.5-5.8), টিস্যু কালচার নির্বীজন প্যারামিটার (121°C/15psi/20min)। মূল তত্ত্ব বায়োটেকনোলজি: জৈবিক প্রক্রিয়া/জীব ব্যবহার করে দরকারী পণ্য বা পরিষেবা উৎপাদন। টিস্যু কালচার (TC): জীবাণুমুক্ত পুষ্টি মাধ্যমে এক্সপ্লান্ট থেকে সম্পূর্ণ উদ্ভিদ উৎপাদনের কৌশল (টটিপোটেন্সি)। মেরিস্টেম কালচার: রোগমুক্ত উদ্ভিদ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কারণ মেরিস্টেম টিস্যু সাধারণত ভাইরাস-মুক্ত থাকে। টিস্যু কালচার মিডিয়া: শুক্রোজ (২-৪%), ভিটামিন এবং মৌলিক উপাদান থাকে; সাধারণত pH 5.5-5.8 এ বজায় রাখা হয়। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং: DNA/জিনের ম্যানিপুলেশন। DNA কাটার জন্য রেস্ট্রিকশন এনজাইম (আণবিক কাঁচি) এবং DNA অংশ যোগ করার জন্য লাইগেজ ব্যবহার করা হয় (যেমন, ওকাজাকি খণ্ড)। প্লাজমিড: ব্যাকটেরিয়ায় (যেমন, ই. কোলাই) বৃত্তাকার, দ্বি-সূত্রক DNA অণু, GE তে বাহক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রকারগুলির মধ্যে রয়েছে F (উর্বরতা), R (প্রতিরোধ), এবং Col (কলিসিন উৎপাদনকারী) প্লাজমিড। রিকম্বিন্যান্ট DNA প্রযুক্তি উৎপাদন করে: ইনসুলিন (ই. কোলাই ব্যবহৃত), বিটি শস্য (কীট প্রতিরোধ), এবং থেরাপিউটিক ওষুধ (ইন্টারফেরন ইত্যাদি)। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ এনজাইমের কাজের অদলবদল: রেস্ট্রিকশন এনজাইম (DNA কাটে) এবং লাইগেজ (DNA যোগ করে) গুলিয়ে ফেলবেন না। রোগমুক্ত কৌশল: মেরিস্টেম কালচার ভাইরাস-মুক্ত উদ্ভিদ নিশ্চিত করে, যখন অ্যান্থার কালচার হ্যাপ্লয়েড (n) উদ্ভিদ উৎপাদন করে। টিস্যু কালচার নির্বীজন প্যারামিটার: অটোক্লেভ 121°C, 15 পাউন্ড চাপ, 20 মিনিটের জন্য ব্যবহার করে। এই সঠিক সংখ্যাগুলি মনে রাখুন। প্লাজমিডের অবস্থান: ব্যাকটেরিয়ার সাইটোপ্লাজম (ই. কোলাই)। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: এনজাইমের কাজ (রেস্ট্রিকশন, লাইগেজ)। টিস্যু কালচারের লক্ষ্য (মেরিস্টেম $\to$ রোগমুক্ত; অ্যান্থার $\to$ হ্যাপ্লয়েড)। ইনসুলিনের উৎস জীব (ই. কোলাই)। ডলি (প্রথম ক্লোন করা স্তন্যপায়ী)। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: টিস্যু কালচার মিডিয়ার pH (5.5-5.8)। প্লাজমিড হলো বৃত্তাকার, দ্বি-সূত্রক DNA। রিকম্বিন্যান্ট DNA কৌশল ৮-ধাপ পদ্ধতি অনুসরণ করে। প্রথম অধ্যায়: প্রাণীর বিভিন্নতা ও শ্রেণিবিন্যাস। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: ফাইলামের বৈশিষ্ট্য (সিলোম, প্রতিসাম্য, ম্যান্টল/র্যাডুলা, নিমাটোসিস্ট, ফ্লেম সেল), কর্ডাটা শ্রেণি (হৃৎপিণ্ডের প্রকার, আঁশ, ডায়াফ্রাম, সরীসৃপ/স্তন্যপায়ী বৈশিষ্ট্য), নামকরণ ও ট্যাক্সোনমিক ক্রম। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: বায়োজিওগ্রাফিক অঞ্চল (প্রাচ্য অঞ্চলের অবস্থান ও স্থানীয় প্রজাতি, হটস্পট), লার্ভা ফর্ম (ট্রোকোফোর, অ্যামোকোয়েট)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি (কিন্তু বিভ্রান্তিকর): সংগঠনের স্তর (টিস্যু-অঙ্গ স্তর: প্লাটিহেলমিন্থেস), নেমাটোডার (সিউডোসিলোমেট) বৈশিষ্ট্য। মূল তত্ত্ব: শ্রেণিবিন্যাসের জনক: অ্যারিস্টটল (ট্যাক্সোনমি/প্রাণীবিজ্ঞানের জনক); লিনিয়াস (আধুনিক জনক/দ্বিপদ নামকরণ)। ICZN: ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অফ জুওলোজিক্যাল নোমেনক্লেচার (নামকরণের নিয়ম নির্ধারণকারী সংস্থা)। প্রজাতি: প্রজননক্ষম সন্তান উৎপাদনকারী যৌন প্রজননকারী গোষ্ঠী। প্রতিসাম্য: রেডিয়াল (হাইড্রা, জেলিফিশ), দ্বিপার্শীয় (মানুষ, প্রজাপতি), অপ্রতিসম (স্পঞ্জ, পিলা/শামুক)। সিলোম: মেসোডার্ম থেকে প্রকৃত সিলোম গঠিত হয় (পেরিটোনিয়াম দ্বারা আবৃত)। অ্যাসিলোমেট: সিলোম নেই (প্লাটিহেলমিন্থেস - ফ্ল্যাটওয়ার্ম)। সিউডোসিলোমেট: মিথ্যা সিলোম (নেমাটোডা - গোলকৃমি)। ইউসিলোমেট: প্রকৃত সিলোম (অ্যানিলিডা, আর্থ্রোপোডা, মোলাস্কা, কর্ডাটা)। পোরিফেরা: অস্টিয়া (ছিদ্র), কোয়ানোসাইট (কলার কোষ), সরলতম বহুকোষী। মোলাস্কা: ম্যান্টল (খোলস নিঃসরণ), র্যাডুলা (ঘর্ষণকারী জিহ্বা, বাইভালভিয়া ব্যতীত)। প্লাটিহেলমিন্থেস: ফ্লেম কোষ (রেচন), অ্যাসিলোমেট। আর্থ্রোপোডা: বৃহত্তম পর্ব, হিমোসিল (রক্ত গহ্বর), এক্সোস্কেলটন (কাইটিন)। কর্ডাটা: নটোকর্ড, পৃষ্ঠীয় ফাঁপা স্নায়ুরজ্জু, গলবিলীয় ফুলকা ছিদ্র। রেপটিলিয়া: ৪-প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড (শুধুমাত্র কুমির)। আঁশ এপিডার্মাল। কনড্রিকথিস (তরুণাস্থি মাছ): প্ল্যাকয়েড আঁশ, হেটেরোসার্কেল লেজ। ম্যামালিয়া: ডায়াফ্রামের উপস্থিতি, লোম, স্তন্যপায়ী গ্রন্থি। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ Rh ফ্যাক্টর অ্যান্টিজেন: মোট ৬টি (C, D, E প্রভাবশালী)। ম্যান্টল হলো মোলাস্কা -এর বৈশিষ্ট্য, প্লাটিহেলমিন্থেস বা অ্যানিলিডার নয়। মাছ বনাম অ-মাছ: সিলভারফিশ ( আর্থ্রোপোডা ) মাছ নয়; ডগফিশ ( কনড্রিকথিস ) মাছ। এন্ডোস্টাইল কর্ডাটাতে পরে থাইরয়েড গ্রন্থি তে রূপান্তরিত হয়। রেডিয়াল প্রতিসাম্য (হাইড্রা) বনাম বাইরেডিয়াল প্রতিসাম্য (স্লেনোফোরা) । জীবন্ত জীবাশ্ম: পেরিপেটাস , প্লাটিপাস । ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: কর্ডাটার সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য (নটোকর্ড, স্নায়ুরজ্জু, ফুলকা ছিদ্র)। সমস্ত ৪-প্রকোষ্ঠ বিশিষ্ট হৃৎপিণ্ড: স্তন্যপায়ী, পাখি এবং কুমির। সার্বজনীন দাতা (O) $\to$ কোনো অ্যান্টিজেন নেই। সার্বজনীন গ্রহীতা (AB) $\to$ কোনো অ্যান্টিবডি নেই। র্যাডুলা (মোলাস্কা) এবং ফ্লেম সেল (প্লাটিহেলমিন্থেস)। বৃহত্তম পর্ব: আর্থ্রোপোডা। বাংলাদেশ প্রাচ্য বায়োজিওগ্রাফিক অঞ্চলে অবস্থিত। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: কনড্রিকথিস (তরুণাস্থি) $\to$ প্ল্যাকয়েড আঁশ; অ্যাক্টিনোপেটেরিজি (অস্থি) $\to$ সাইক্লয়েড/ক্লেনয়েড আঁশ। সংযোগকারী লিঙ্ক আর্কিওপটেরিক্স সরীসৃপ ও পাখির মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। কর্ডাটার স্নায়ুরজ্জু পৃষ্ঠীয় ও ফাঁপা; নন-কর্ডাটার অঙ্কীয় ও নিরেট। সেগমেন্টেশন: হোমোনোমাস (কেঁচো) বনাম হেটেরোনোমাস (কীটপতঙ্গ)। দ্বিতীয় অধ্যায়: প্রাণীর পরিচিতি। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: হাইড্রা (নিমাটোসিস্ট গঠন/টক্সিন, চলন পদ্ধতি, মিথোজীবিতা)। ঘাসফড়িং (মুখোপাঙ্গের কাজ, শ্বসন পথ, রেচন)। রুই মাছ (ভেনাস হৃৎপিণ্ড, আঁশ, বায়ু থলির কাজ, সংবহন)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: প্রজনন চক্র (হাইড্রা কুঁড়ি তৈরির ঋতু, মাছের ডিম ছাড়া)। তুলনামূলক অঙ্গসংস্থান (ঘাসফড়িংয়ের গঠন, শুঁড়, চোখ)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি (কিন্তু বিভ্রান্তিকর): ভ্রূণীয় বিকাশ (ক্লিভেজ/ব্লাস্টুলা/গ্যাস্ট্রুলা পর্যায়)। বৈজ্ঞানিক নাম। মূল তত্ত্ব: হাইড্রা: ডিপ্লোব্লাস্টিক, মেসোগ্লিয়া (অকোষীয়, জেলি-সদৃশ), নিমাটোসিস্ট (হুল ফোটানো কোষ) এ হাইপনোটক্সিন (ফেনল+প্রোটিন) থাকে। হাইড্রার চলন: লুপিং (দীর্ঘ দূরত্ব), সমারসল্টিং (দ্রুত), গ্লাইডিং (গ্রন্থি কোষের শ্লেষ্মা)। হাইড্রার মিথোজীবিতা: ক্লোরোহাইড্রা ভিরিডিসিমা জুওক্লোরেলা (গ্যাস্ট্রোডার্মিসে শৈবাল) এর সাথে সহাবস্থান করে। ঘাসফড়িং: তৃণভোজী, রক্ত হিমোলিম্ফ (বর্ণহীন, অ-শ্বসনকারী)। সংবহন মুক্ত/হিমোসিল। ঘাসফড়িংয়ের শ্বসন: বায়ু $\to$ স্পাইরাকল $\to$ ট্রাকেয়া $\to$ ট্রাকিওল (গ্যাস বিনিময়ের স্থান)। ঘাসফড়িংয়ের রেচন: ম্যালপিজিয়ান নালিকা। রুই মাছ: অস্থিময় মাছ ( অ্যাক্টিনোপেটেরিজি ), সাইক্লয়েড আঁশ। রুই মাছের সংবহন: একক, বদ্ধ লুপ; হৃৎপিণ্ডে শুধুমাত্র CO2-সমৃদ্ধ রক্ত থাকে (ভেনাস হৃৎপিণ্ড)। রুই মাছের বায়ু থলি: প্লবতা, শ্বসন, শব্দ গ্রহণ। ঘাসফড়িংয়ের রূপান্তর: অসম্পূর্ণ (ডিম $\to$ নিম্ফ $\to$ পূর্ণাঙ্গ)। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ নিমাটোসিস্ট টক্সিন: হাইপনোটক্সিন (ফেনল এবং প্রোটিন)। ঘাসফড়িংয়ের রক্ত: হিমোলিম্ফ (অ-শ্বসনকারী)। মেসোগ্লিয়া (হাইড্রা) অকোষীয়, একটো/এন্ডোডার্ম থেকে উদ্ভূত; **মেসোডার্ম** ট্রিপ্লোব্লাস্টিক স্তর। রুই মাছের **বদ্ধ সংবহনতন্ত্র** আছে। ঘাসফড়িংয়ের চিবানো **ম্যান্ডিবল** দ্বারা সম্পন্ন হয়। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: হাইড্রার নিমাটোসিস্ট: স্টেনোটাইল সবচেয়ে বড়। ঘাসফড়িংয়ের গ্রন্থি: ৬ জোড়া গ্যাস্ট্রিক সিকা। রুই মাছের হৃৎপিণ্ড: ভেনাস হৃৎপিণ্ড। সংবহন (রুই মাছ): বদ্ধ সংবহনতন্ত্র। ঘাসফড়িং: মুক্ত সংবহনতন্ত্র (হিমোসিল)। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: হাইড্রার প্রজনন: কুঁড়ি (অযৌন/গ্রীষ্ম)। যৌন (শীত/শরৎ)। ঘাসফড়িংয়ের রূপান্তর অসম্পূর্ণ (নিম্ফ দশা)। ভ্রূণীয় উৎস: মেসোডার্ম $\to$ সংবহন/কঙ্কাল; একটোডার্ম $\to$ স্নায়ুতন্ত্র। লাবেও রোহিতা (রুই মাছ) শ্রেণি: অ্যাক্টিনোপেটেরিজি (অস্থিময় মাছ)। তৃতীয় অধ্যায়: মানব শরীর তত্ত্ব: পরিপাক ও শোষণ। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: পরিপাক এনজাইম (উৎস, সাবস্ট্রেট, পেপসিন/ট্রিপসিনের জন্য সর্বোত্তম pH, কার্বোহাইড্রেট এনজাইম), গ্রন্থিগুলির কাজ (যকৃৎ, অগ্ন্যাশয় - দ্বৈত কাজ, ইনসুলিন/গ্লুকাগন), যান্ত্রিক ও রাসায়নিক পরিপাকের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: শারীরস্থানিক ল্যান্ডমার্ক (দন্ত সূত্র, খাদ্যনালীর দৈর্ঘ্য, পাকস্থলীর অংশ, ক্ষুদ্রান্ত্রের অংশ), পরিপাকের হরমোনীয় নিয়ন্ত্রণ (গ্যাস্ট্রিন, সিক্রেটিন, CCK)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি (কিন্তু বিভ্রান্তিকর): ম্যাক্রোমলিকিউলের শোষণ স্থান, আনুষঙ্গিক গ্রন্থির তথ্য (যকৃৎ বৃহত্তম গ্রন্থি)। মূল তত্ত্ব: লালা (মুখ গহ্বর): টায়ালিন (লালা অ্যামাইলেজ) থাকে, সামান্য অম্লীয়। রান্না করা স্টার্চকে $\to$ মাল্টোজ/আইসোমাল্টোজে ভাঙে। পাকস্থলী: HCl (প্যারাইটাল কোষ) পেপসিনকে (চিফ কোষ) সক্রিয় করে। পেপসিন প্রোটিনকে $\to$ পেপটন/প্রোটিওজে ভাঙে। অগ্ন্যাশয় রস: এক্সোক্রাইন (ট্রিপসিন, অ্যামাইলেজ, লাইপেজ)। এন্ডোক্রাইন (ইনসুলিন/গ্লুকাগন, ল্যাঙ্গারহ্যান্সের আইলেট থেকে)। যকৃৎ (বৃহত্তম গ্রন্থি): পিত্ত উৎপন্ন করে (কোনো এনজাইম নেই)। পিত্ত চর্বিকে ইমালসিফাই করে। গ্লাইকোজেন/ভিটামিন (A, D, E, K, B12) সঞ্চয় করে। চর্বি পরিপাক: পিত্ত চর্বিকে ইমালসিফাই করে; অগ্ন্যাশয় লাইপেজ চর্বিকে $\to$ মনোগ্লিসারাইড + ফ্যাটি অ্যাসিড + গ্লিসারলে ভাঙে। শোষণ: কার্বোহাইড্রেট/প্রোটিন রক্তনালীতে (ভিলিতে) শোষিত হয়; চর্বি ল্যাকটিয়াল (লিম্ফ্যাটিক্স) এ শোষিত হয়। ক্ষুদ্রান্ত্র: ডিওডেনাম (২৫-৩০ সেমি), জেজুনাম, ইলিয়াম। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ পেপসিন (পাকস্থলী) এর জন্য অম্লীয় pH প্রয়োজন; ট্রিপসিন/অ্যামাইলেজ (অগ্ন্যাশয়) ক্ষারীয় pH এ কাজ করে। যকৃৎ হলো বৃহত্তম গ্রন্থি, কখনও কখনও অগ্ন্যাশয়ের সাথে গুলিয়ে ফেলা হয় (যা বৃহত্তম দ্বৈত গ্রন্থি)। পিত্ত কোনো এনজাইম নয় ; এর কাজ ইমালসিফিকেশন। দুধের দাঁতে প্রিমোলার থাকে না। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: HCl এর উৎস: প্যারাইটাল কোষ। বৃহত্তম গ্রন্থি: যকৃৎ। ইনসুলিন: বিটা কোষ; গ্লুকাগন: আলফা কোষ। পিত্তের কাজ: চর্বি ইমালসিফিকেশন (কোনো এনজাইম নেই)। চর্বি শোষণের পথ: ল্যাকটিয়াল। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: ডিওডেনামের দৈর্ঘ্য: ২৫-৩০ সেমি। খাদ্যনালীর দৈর্ঘ্য: ২৫ সেমি। গ্রন্থি: প্যারোটিড (কানের কাছে), সাবম্যান্ডিবুলার (চোয়ালের নিচে), সাবলিঙ্গুয়াল (জিহ্বার নিচে)। প্রথম আবিষ্কৃত হরমোন: সিক্রেটিন। ক্ষুদ্রতম অস্থি হলো স্টেপিস (কান); বৃহত্তম হলো ফিমার। চতুর্থ অধ্যায়: মানব শরীর তত্ত্ব: রক্ত সংবহন। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: রক্তের উপাদান সম্পর্কিত তথ্য (RBC গণনা/জীবনকাল, WBC এর ভূমিকা - লিম্ফোসাইট, বেসোফিল, নিউট্রোফিল), হৃৎপিণ্ডের শারীরস্থান (ভালভের কাজ/অবস্থান, SA/AV নোড), রক্তের গ্রুপ (O, AB, Rh ফ্যাক্টর, অ্যান্টিজেন/অ্যান্টিবডি)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: কার্ডিয়াক চক্রের সময়কাল (0.8s, পর্যায়/ভালভ জড়িত), রক্ত জমাট বাঁধার ক্যাসকেড ফ্যাক্টর (Ca²⁺, হেপারিনের ভূমিকা), লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের উপাদান ও কাজ (ল্যাকটিয়াল, লিম্ফ গ্রন্থি)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি (কিন্তু বিভ্রান্তিকর): সিরাম বনাম প্লাজমার সংজ্ঞা, করোনারি/সিস্টেমিক সংবহনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ। মূল তত্ত্ব: RBC: দ্বি-অবতল চাকতি, নিউক্লিয়াসবিহীন (স্তন্যপায়ীদের ক্ষেত্রে), জীবনকাল ১২০ দিন (৪ মাস)। WBC: লিম্ফোসাইট $\to$ অ্যান্টিবডি উৎপাদন; বেসোফিল $\to$ হেপারিন/হিস্টামিন; নিউট্রোফিল $\to$ ফ্যাগোসাইটোসিস। রক্ত জমাট বাঁধা: প্লেটলেট, থ্রম্বোপ্লাস্টিন, প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন এবং Ca²⁺ প্রয়োজন। হেপারিন জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। রক্তের গ্রুপ: O সার্বজনীন দাতা (কোনো A/B অ্যান্টিজেন নেই); AB সার্বজনীন গ্রহীতা (কোনো অ্যান্টি-A/অ্যান্টি-B অ্যান্টিবডি নেই)। হৃৎপিণ্ড: পেরিকার্ডিয়াম আবরণ। SA নোড (ডান অলিন্দ) হলো পেসমেকার। ভালভ: ট্রাইকাসপিড (ডান অলিন্দ $\to$ ডান ভেন্ট্রিকল); বাইকাসপিড/মাইট্রাল (বাম অলিন্দ $\to$ বাম ভেন্ট্রিকল)। সেমিলুনার (আওর্টিক/পালমোনারি) প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। কার্ডিয়াক চক্র: মোট ০.৮ সেকেন্ড। অলিন্দ সিস্টোল (০.১ সেকেন্ড), ভেন্ট্রিকল সিস্টোল (০.৩ সেকেন্ড), জয়েন্ট ডায়াস্টোল (০.৪ সেকেন্ড)। লিম্ফ্যাটিক্স: ল্যাকটিয়াল (ভিলিতে) চর্বি/কাইল শোষণ করে। লিম্ফ তরল হালকা হলুদ। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ সিরাম হলো ফাইব্রিনোজেনবিহীন প্লাজমা। ডায়াস্টোল হলো শিথিলতা/ভরা (অলিন্দ ০.৭ সেকেন্ড, ভেন্ট্রিকল ০.৫ সেকেন্ড)। সিস্টোল হলো সংকোচন/নির্গমন। পালমোনারি ধমনী অক্সিজেনবিহীন (অপবিত্র) রক্ত বহন করে। Rh ফ্যাক্টর অ্যান্টিজেন: মোট ছয়টি তিনটি জোড়ায় (C, c; D, d; E, e)। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: কার্ডিয়াক চক্রের সময়কাল (০.৮ সেকেন্ড)। RBC এর জীবনকাল (১২০ দিন)। পেসমেকার (SA নোড) এর অবস্থান। সার্বজনীন দাতা/গ্রহীতার নিয়ম। রক্ত জমাট বাঁধার কারণ (প্রোথ্রম্বিন, ফাইব্রিনোজেন, Ca²⁺)। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: পেরিকার্ডিয়াম হৃৎপিণ্ডকে আবৃত করে। পালমোনারি ধমনী অপবিত্র রক্ত বহন করে। সংবহনতন্ত্রের ভ্রূণীয় স্তর: মেসোডার্ম। O গ্রুপ সার্বজনীন দাতা *কারণ এতে কোনো অ্যান্টিজেন নেই*। পঞ্চম অধ্যায়: মানব শরীর তত্ত্ব: শ্বাসক্রিয়া ও শোষণ। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: গ্যাস বিনিময়ের প্রক্রিয়া (অ্যালভিওলি জুড়ে ব্যাপন, আংশিক চাপ), শারীরস্থানিক অংশ (ফুসফুস, প্লুরা, শ্বাসনালী, ব্রঙ্কি/ব্রঙ্কিওলস, অ্যালভিওলি/লোবুলের সংখ্যা), এপিগ্লটিসের কাজ। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: ডায়াফ্রামের ভূমিকা (শ্বাসে নিহিত ভূমিকা), বায়ুর উপাদান (প্রশ্বাসিত/নিঃশ্বাসিত)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি (কিন্তু বিভ্রান্তিকর): সারফ্যাক্ট্যান্টের ভূমিকা (অ্যালভিওলার ধস প্রতিরোধ করে), দূষণকারীর প্রভাব (CO, নিকোটিন)। মূল তত্ত্ব: শ্বসনের স্থান: অ্যালভিওলি (বায়ু থলি)। গ্যাস বিনিময়: অ্যালভিওলার এবং কৈশিক ঝিল্লি জুড়ে ব্যাপন দ্বারা ঘটে। ফুসফুস: ডান (১০ লোবুল/৩ লোব); বাম (৮ লোবুল/২ লোব)। প্লুরা: ফুসফুসকে আবৃতকারী দ্বৈত ঝিল্লি (ঘর্ষণ হ্রাস করে)। শ্বাসনালী/ব্রঙ্কি: C-আকৃতির তরুণাস্থি রিং দ্বারা খোলা থাকে। ব্রঙ্কি ব্রঙ্কিওলসে বিভক্ত হয়। এপিগ্লটিস: তরুণাস্থির ফ্ল্যাপ যা গিলনের সময় স্বরযন্ত্র (শ্বাসনালী) বন্ধ করে। সারফ্যাক্ট্যান্ট: ২৩ সপ্তাহ গর্ভধারণ থেকে অ্যালভিওলি থেকে নিঃসৃত হয় (ধস প্রতিরোধ করে)। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ গ্যাস বিনিময়ের প্রক্রিয়া হলো ব্যাপন (আংশিক চাপের পার্থক্য দ্বারা চালিত), সক্রিয় পরিবহন নয়। প্লুরা ফুসফুসকে আবৃত করে; পেরিকার্ডিয়াম হৃৎপিণ্ডকে আবৃত করে। এপিগ্লটিস স্বরযন্ত্রকে আবৃত করে; গ্লটিস হলো স্বরযন্ত্রের খোলা অংশ। CO হিমোগ্লোবিনের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ হয়, যার ফলে অক্সিজেনের অভাব হয়। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: বিনিময়ের স্থান: অ্যালভিওলি (ব্যাপন)। স্বরযন্ত্র বন্ধ করার প্রক্রিয়া: এপিগ্লটিস। ফুসফুসের আবরণ: প্লুরা। বাম ফুসফুসের লোবুল: ৮। ডান ফুসফুসের লোবুল: ১০। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: এপিগ্লটিস একটি তরুণাস্থি। শ্বাসনালী ১২-১৪ সেমি লম্বা। সপ্তম অধ্যায়: মানব শরীর তত্ত্ব: চলন ও অঙ্গ চালনা। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: কঙ্কালের গঠন ও অস্থির সংখ্যা (মোট ২০৬, ক্রেনিয়াম ৮, মুখের ১৪, কশেরুকা ২৬/৩৩), যোজক টিস্যু (টেন্ডন/লিগামেন্টের সংজ্ঞা ও কাজ), তরুণাস্থির প্রকার ও অবস্থান (হায়ালিন, ফাইব্রাস, ইলাস্টিক)। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: নির্দিষ্ট অস্থির নাম/বৈশিষ্ট্য (ম্যান্ডিবল, প্যাটেল্লা, অ্যাসিটাবুলুম, অ্যাটলাস, অ্যাক্সিস, কটিদেশীয়), পেশীর প্রকার (কার্ডিয়াক, মসৃণ, রেখাযুক্ত বৈশিষ্ট্য)। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি (কিন্তু বিভ্রান্তিকর): জয়েন্টের প্রকার (সায়নোভিয়াল, ফাইব্রাস, তরুণাস্থি), অস্থির বিকাশ/মেরামত। মূল তত্ত্ব: মোট অস্থি: ২০৬ (পূর্ণবয়স্ক)। কশেরুকা: সার্ভাইকাল (৭), থোরাসিক (১২), কটিদেশীয় (৫), স্যাক্রাল (৫টি ফিউজড থেকে ১টি), কক্সিক্স (৪টি ফিউজড থেকে ১টি)। মাথার খুলি: ২৯টি অস্থি (ক্রেনিয়াম ৮, মুখের ১৪, কানের ৬, হায়য়েড ১)। ম্যান্ডিবল হলো সবচেয়ে বড় চলনশীল খুলির অস্থি। জয়েন্ট: লিগামেন্ট (অস্থি $\to$ অস্থি); টেন্ডন (পেশী $\to$ অস্থি)। সেসাময়েড অস্থি (প্যাটেল্লা) টেন্ডনের মধ্যে গঠিত হয়। তরুণাস্থি: হায়ালিন/কাঁচের মতো (নাক, শ্বাসনালী, ভ্রূণের প্রান্ত); ফাইব্রাস/সাদা (ইন্টারভার্টেব্রাল ডিস্ক)। ক্যালসিফাইড তরুণাস্থি (হিউমেরাস/ফিমারের প্রান্ত)। পেশী: কার্ডিয়াক (রেখাযুক্ত, অনৈচ্ছিক, ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক)। কঙ্কাল/রেখাযুক্ত (ঐচ্ছিক)। মসৃণ (অনৈচ্ছিক, স্পিন্ডল-আকৃতির)। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ প্যাটেল্লা একটি সেসাময়েড অস্থি। ইন্টারভার্টেব্রাল ডিস্কে ফাইব্রাস তরুণাস্থি ব্যবহার করা হয়। কার্ডিয়াক পেশী অনৈচ্ছিক, কিন্তু এতে স্ট্রিয়েশন/ডোরা থাকে (মসৃণ পেশীর মতো নয়)। টেন্ডন পেশীকে অস্থির সাথে সংযুক্ত করে; লিগামেন্ট অস্থির সাথে অস্থিকে সংযুক্ত করে। গ্লেনয়েড গহ্বর (কাঁধ) বনাম অ্যাসিটাবুলুম (হিপ)। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: মোট কশেরুকা: ২৬ (পূর্ণবয়স্ক)। ডায়াফ্রাম (বক্ষ/পেটকে পৃথককারী পেশী)। টেন্ডন (পেশী $\to$ অস্থি), লিগামেন্ট (অস্থি $\to$ অস্থি)। প্যাটেল্লা = সেসাময়েড অস্থি। ইন্টারক্যালেটেড ডিস্ক = কার্ডিয়াক পেশী। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: ফাইব্রাস তরুণাস্থি $\to$ ইন্টারভার্টেব্রাল ডিস্ক। খুলির সবচেয়ে বড় চলনশীল অস্থি: ম্যান্ডিবল। কঙ্কালতন্ত্রের ভ্রূণীয় উৎস: মেসোডার্ম। একাদশ অধ্যায়: জিনতত্ত্ব ও বিবর্তন। উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি: নন-মেন্ডেলিয়ান উত্তরাধিকার (এপিস্ট্যাসিস, লিথাল জিন, প্রয়োজনীয় অনুপাত: 9:7, 13:3, 2:1), লিঙ্গ-সংযুক্ত ব্যাধি (বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া), বিবর্তনীয় তত্ত্ব (ল্যামার্ক/ডারউইন/নিও-ডারউইনবাদ নীতি, মূল বই, তারিখ), জীবন্ত জীবাশ্ম ও সংযোগকারী লিঙ্ক ( আর্কিওপটেরিক্স , প্লাটিপাস )। মধ্যম ফ্রিকোয়েন্সি: জেনেটিক পরিভাষা (টেস্ট ক্রস/ব্যাক ক্রস), রক্তের গ্রুপ জেনেটিক্স (ABO/Rh প্রভাব), ঘোড়ার বিবর্তনের পর্যায়। নিম্ন ফ্রিকোয়েন্সি (কিন্তু বিভ্রান্তিকর): পলিজেনিক উত্তরাধিকারের উদাহরণ (উচ্চতা, ত্বকের রঙ), বিজ্ঞানী ও তাদের কাজ (ল্যামার্ক/ডারউইনের বই)। মূল তত্ত্ব: লিথাল জিন: সমযোজী অবস্থায় মৃত্যু ঘটায়: 3:1 অনুপাতকে 2:1 এ পরিবর্তন করে। এপিস্ট্যাসিস: একটি নন-অ্যালিলিক জিন অন্যটির প্রকাশকে মাস্ক করে। ডাবল রিসেসিভ অনুপাত: 9:7। প্রভাবশালী এপিস্ট্যাসিস অনুপাত: 13:3। টেস্ট ক্রস: F1 হাইব্রিড এবং রিসেসিভ পিতামাতার মধ্যে ক্রস। ব্যাক ক্রস: F1 হাইব্রিডকে যেকোনো পিতামাতার সাথে ক্রস। লিঙ্গ-সংযুক্ত বৈশিষ্ট্য: X ক্রোমোজোমের জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় (যেমন, বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া)। ডারউইনবাদ (1859): প্রাকৃতিক নির্বাচন, অস্তিত্বের জন্য সংগ্রাম, বৈচিত্র্য। বই: প্রজাতির উৎপত্তি। ল্যামার্কবাদ (1809): অর্জিত বৈশিষ্ট্যের উত্তরাধিকার। বই: ফিলোসফিক জুওলোজিক। নিও-ডারউইনবাদ: আধুনিক জেনেটিক্সের সাথে ডারউইনের ধারণার সমন্বয়কারী সংশ্লেষিত তত্ত্ব (ওয়াইসম্যান, ডি ভ্রিস)। সংযোগকারী লিঙ্ক: আর্কিওপটেরিক্স (সরীসৃপের আঁশ/নখর, পাখির পালক/ডানা)। ঘোড়ার বিবর্তন: ইওহিপাস (15 ইঞ্চি) দিয়ে শুরু $\to$ ইকুয়াস (63 ইঞ্চি) দিয়ে শেষ। গুরুত্বপূর্ণ ফাঁদ ল্যামার্কের তত্ত্ব প্রত্যাখ্যাত; ডারউইনের প্রাকৃতিক নির্বাচন বেশিরভাগই গৃহীত। লিঙ্গ-সংযুক্ত (X-ক্রোমোজোম সংযুক্ত, যেমন, বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া) বনাম অটোজোমাল (যেমন, থ্যালাসেমিয়া) ব্যাধি। পলিজেনিক উত্তরাধিকার একাধিক নন-অ্যালিলিক জিন জড়িত যা একটি পরিমাণগত বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে (যেমন, উচ্চতা, ত্বকের রঙ)। ৪8-ঘণ্টার তালিকা অবশ্যই মনে রাখতে হবে: মেন্ডেলের ৭ জোড়া বৈশিষ্ট্য। লিথাল অনুপাত: 2:1। ডাবল রিসেসিভ এপিস্ট্যাসিস অনুপাত: 9:7। আর্কিওপটেরিক্সের লিঙ্ক (সরীসৃপ ও পাখি)। জনক: মেন্ডেল (জেনেটিক্স), ডারউইন (প্রাকৃতিক নির্বাচন), ল্যামার্ক (অর্জিত বৈশিষ্ট্য)। লিঙ্গ-সংযুক্ত উদাহরণ (বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া)। X ক্রোমোজোম লিঙ্গ-সংযুক্ত জিন বহন করে। Y ক্রোমোজোম ছোট/অনুরূপ জিনের অভাব। টেস্ট ক্রস (F1 x রিসেসিভ পিতামাতা) হেটারোজাইগোসিটি প্রকাশ করে। Rh অ্যান্টিজেন (C, D, E) প্রভাবশালী। শেষ মুহূর্তের বিভ্রান্তি: পলিজেনিক উত্তরাধিকারের উদাহরণ (উচ্চতা, ত্বকের রঙ)। লিঙ্গ-সংযুক্ত ব্যাধির উদাহরণ (বর্ণান্ধতা, হিমোফিলিয়া)।