রসায়ন ১ম পত্র ল্যাবরেটরি নিরাপদ ব্যবহার ল্যাবরেটরিতে ব্যবহৃত জরুরি উপকরণ: অ্যাপ্রন, নিরাপদ গ্লাস, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র। ল্যাবরেটরিতে উৎপন্ন ক্ষতিকর গ্যাস: $NO_2, NH_3, SO_2, H_2S, CO_2$। ব্যুরেট পরিষ্কার করতে: $K_2Cr_2O_7$ ও গাঢ় $H_2SO_4$ দ্রবণ। পল-বুঙ্গি রাসায়নিক ব্যালেন্স: $0.0001 \text{ g}$ ওজন পরিমাপ। আইডিন দ্রবণ, $KMnO_4$ দ্রবণ, $AgNO_3$ দ্রবণের জন্য রাবার টিউব ও পিন্স কর্কযুক্ত ব্যুরেট ব্যবহার করা যায় না। ক্রোমিক অ্যাসিড: $K_2Cr_2O_7$ + গাঢ় $H_2SO_4$। আলোতে সক্রিয় বিকারক: বাদামী রঙের বোতলে রাখা হয়। কারসিনোজেন: অ্যানিলিন, সায়ানাইড আয়ন, ক্লোরোফর্ম। অ্যাসিড বৃষ্টি: $NO_2, SO_2, CO_2$ গ্যাস বায়ুতে মিশে তৈরি করে। পেটে অ্যাসিড গেলে: $8\% Mg(OH)_2$ দ্রবণ। স্পিরিট ল্যাম্প তৈরি: পাইরেক্স কাঁচ। লিবিক শীতক: পাতন প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়। মোলালিটি: তাপমাত্রা নির্ভর নয়। প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: $K_2Cr_2O_7, Na_2CO_3$, অক্সালিক অ্যাসিড, সাকসিনিক অ্যাসিড। সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: $HCl, H_2SO_4, KMnO_4$। রাজাম্ল: $HNO_3$ ও $HCl$ এর $1:3$ অনুপাতের মিশ্রণ। নেসলার বিকারক: ক্ষারযুক্ত পটাশিয়াম মারকিউরিক আয়োডাইড। গুণগত রসায়ন মৌল কণিকা ও পরমাণু মডেল স্থায়ী কণিকা: ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন। অস্থায়ী কণিকা: নিউট্রিনো, অ্যান্টি-নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন। কম্পোজিট কণিকা: ডিউটেরন, আলফা কণিকা। প্রোটনের চার্জ: $+1.6021 \times 10^{-19} \text{ C}$। ইলেকট্রনের ভর: $9.1095 \times 10^{-31} \text{ kg}$। পরমাণুর ব্যাস: $10^{-8} \text{ cm}$। নিউক্লিয়াসের ব্যাস: $10^{-12} - 10^{-13} \text{ cm}$। কার্বন স্কেল: IUPAC (1962)। আইসোটোপ: প্রোটন সংখ্যা সমান, নিউট্রন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন। আইসোবার: ভর সংখ্যা সমান, প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন। আইসোটোন: নিউট্রন সংখ্যা সমান, প্রোটন ও ভর সংখ্যা ভিন্ন। আলফা কণা: $He^{2+}$। বিটা কণা: গতিশীল ইলেকট্রন। গামা রশ্মি: চার্জহীন। কোয়ান্টাম সংখ্যা প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা ($n$): কক্ষপথের আকার। সহকারী কোয়ান্টাম সংখ্যা ($l$): উপ-কক্ষপথের আকৃতি, $0$ থেকে $n-1$ পর্যন্ত। চুম্বকীয় কোয়ান্টাম সংখ্যা ($m$): অরবিটালের ত্রিমাত্রিক দিকবিন্যাস, $0$ থেকে $\pm l$ পর্যন্ত। ঘূর্ণন কোয়ান্টাম সংখ্যা ($s$): ইলেকট্রনের ঘূর্ণনের দিক, $\pm 1/2$। $n=3$ এর জন্য মোট ইলেকট্রন সংখ্যা: $18$। আউফবাউ নীতি: ইলেকট্রন প্রথমে সর্বনিম্ন শক্তিস্তরে প্রবেশ করে। পলির বর্জন নীতি: দুটি ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার মান কখনোই একরূপ হতে পারে না। হুন্ডের নীতি: সমশক্তির অরবিটালে ইলেকট্রনগুলো সর্বাধিক সংখ্যক অযুুগ্ম অবস্থায় থাকে। বর্ণালী দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য: $400 - 700 \text{ nm}$। গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য: $0.005 - 1.5 \text{ Å}$। আলফা কণার চার্জ: প্রোটনের চার্জের দ্বিগুণ। বিটা কণার চার্জ: ইলেকট্রনের চার্জের সমান। গামা রশ্মি: উচ্চ শক্তিসম্পন্ন ফোটন। লাইম্যান সিরিজ: অতি-বেগুনি অঞ্চল, $n_1=1, n_2=2,3,4...$। বামার সিরিজ: দৃশ্যমান অঞ্চল, $n_1=2, n_2=3,4,5...$। প্যাসচেন সিরিজ: অবলোহিত অঞ্চল, $n_1=3, n_2=4,5,6...$। UV রশ্মি: জাল পাসপোর্ট বা টাকা শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। IR রশ্মি: ক্যান্সার, মস্তিষ্কের রোগ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। MRI: ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং। দ্রাব্যতা ও পৃথকীকরণ দ্রাব্যতা গুণফল ($K_{sp}$): নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় প্রতিটি তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের $K_{sp}$ নির্দিষ্ট। $K_{sp}$ এর বেশি হলে: অধঃক্ষিপ্ত হবে। $K_{sp}$ এর কম হলে: অসম্পৃক্ত দ্রবণ হবে। $NH_4^+$ আয়ন শনাক্তকরণ: নেসলার দ্রবণ ($K_2HgI_4$ এর ক্ষারীয় দ্রবণ)। ক্রোমাটোগ্রাফি: মূলতঃ একটি পৃথকীকরণ পদ্ধতি। গ্যাস ক্রোমাটোগ্রাফি: গতিশীল দশা গ্যাস। তরল ক্রোমাটোগ্রাফি: গতিশীল দশা তরল। শিখা পরীক্ষায় উজ্জ্বল সোনালি হলুদ শিখা: $Na^+$। শিখা পরীক্ষায় ইট-সদৃশ লাল শিখা: $Ca^{2+}$। শিখা পরীক্ষায় উজ্জ্বল লাল শিখা: $Sr^{2+}$। শিখা পরীক্ষায় বেগুনি শিখা: $K^+$। মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম ও রাসায়নিক বন্ধন মৌলের পর্যায়বৃত্ত ধর্ম আয়নীকরণ শক্তি: গ্যাসীয় অবস্থায় একটি বিচ্ছিন্ন পরমাণু থেকে শিথিলভাবে যুক্ত ইলেকট্রনকে সরাতে প্রয়োজনীয় শক্তি। ইলেকট্রন আসক্তি: গ্যাসীয় অবস্থায় একটি বিচ্ছিন্ন পরমাণুতে ইলেকট্রন যোগ করলে নির্গত শক্তি। তড়িৎ ঋণাত্মকতা: সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ পরমাণুর ইলেকট্রন নিজের দিকে টানার ক্ষমতা। পর্যায় সারণীতে বাম থেকে ডানে: আয়নীকরণ শক্তি, ইলেকট্রন আসক্তি, তড়িৎ ঋণাত্মকতা, অধাতব বৈশিষ্ট্য বাড়ে। পারমাণবিক আকার, ধাতব বৈশিষ্ট্য কমে। পর্যায় সারণীতে উপর থেকে নিচে: পারমাণবিক আকার, ধাতব বৈশিষ্ট্য বাড়ে। আয়নীকরণ শক্তি, ইলেকট্রন আসক্তি, তড়িৎ ঋণাত্মকতা, অধাতব বৈশিষ্ট্য কমে। ফ্লোরিনের তড়িৎ ঋণাত্মকতা: $4.0$ (সর্বোচ্চ)। আয়নীয় ব্যাসার্ধ: চার্জ যত বেশি, আকার তত ছোট। অ্যাম্ফোটেরিক অক্সাইড: $SnO_2$। রাসায়নিক বন্ধন আয়নীয় বন্ধন: ধাতু ও অধাতুর মধ্যে ইলেকট্রন স্থানান্তরের মাধ্যমে গঠিত। সমযোজী বন্ধন: অধাতুর পরমাণুগুলোর মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত। সন্নিবেশ সমযোজী বন্ধন: একটি পরমাণু ইলেকট্রন যুগল দান করে, অন্যটি গ্রহণ করে। ধাতব বন্ধন: কঠিন ধাতব খণ্ডে পরমাণুগুলো যে আকর্ষণে আবদ্ধ থাকে। ফাযানের নীতি: ক্যাটায়নের আকার যত ক্ষুদ্র, অ্যানায়নের আকার যত বৃহৎ, ক্যাটায়ন ও অ্যানায়নের চার্জ যত বেশি, এবং অ্যানায়নে $d$ ও $f$ অরবিটালে ইলেকট্রন থাকলে পোলারায়নের মাত্রা তত বেশি হয়। সংকরায়ন: $sp, sp^2, sp^3, sp^3d, sp^3d^2, sp^3d^3$। $sp$ সংকরায়ন: রৈখিক, $180^\circ$। $sp^2$ সংকরায়ন: ত্রিকোণীয় সমতলীয়, $120^\circ$। $sp^3$ সংকরায়ন: চতুস্তলকীয়, $109.5^\circ$। হাইড্রোজেন বন্ধন: হাইড্রোজেন পরমাণু যখন উচ্চ তড়িৎ-ঋণাত্মক মৌল (F, O, N) এর সাথে যুক্ত হয়। $H_2O$ তে হাইড্রোজেন বন্ধন: আন্তঃআণবিক। o-নাইট্রোফেনলে হাইড্রোজেন বন্ধন: অন্তঃআণবিক। $NH_4^+$ আয়নে বন্ধন: সমযোজী ও সন্নিবেশ। সর্বোচ্চ শক্তিশালী হাইড্রোজেন বন্ধন: HF এ। $CO_2$ এর আকৃতি: রৈখিক। $H_2S$ এর আকৃতি: V-আকৃতি। গ্রাফাইটে সংকরায়ন: $sp^2$। হীরাতে সংকরায়ন: $sp^3$। অষ্টক সম্প্রসারণ: $PCl_5, SF_6$। $Al_2Cl_6$ এ সমযোজী বন্ধন: $6$টি, সন্নিবেশ বন্ধন: $2$টি। রাসায়নিক পরিবর্তন রাসায়নিক গতিবিদ্যা বিক্রিয়ার হার: প্রতি একক সময়ে বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা হ্রাস বা উৎপাদের ঘনমাত্রা বৃদ্ধি। তাপমাত্রা বৃদ্ধি: বিক্রিয়ার হার বৃদ্ধি করে। অনুঘটক: বিক্রিয়ার সক্রিয়ণ শক্তি হ্রাস করে। শূন্য ক্রম বিক্রিয়া: বিক্রিয়ার হার ঘনমাত্রার উপর নির্ভর করে না। ছদ্ম এক আণবিক বিক্রিয়া: একাধিক বিক্রিয়ক থাকলেও প্রথম ক্রমের হয় (যেমন, ইক্ষু চিনির আর্দ্র বিশ্লেষণ)। সক্রিয়ণ শক্তি: বিক্রিয়ক অণুগুলোর সর্বনিম্ন অতিরিক্ত শক্তি যা বিক্রিয়ার জন্য প্রয়োজন। অনুঘটক বিষ: অনুঘটকের কার্যক্ষমতা কমায় (যেমন, $As_2O_3$)। অনুঘটক উদ্দীপক: অনুঘটকের ক্ষমতা বাড়ায় (যেমন, $Al_2O_3+K_2O$)। এনজাইম: জৈব অনুঘটক। অ্যারেনিয়াস সমীকরণ: $k = Ae^{-E_a/RT}$। রাসায়নিক সাম্যাবস্থা সাম্যাবস্থা: সম্মুখ ও পশ্চাৎ বিক্রিয়ার হার সমান। সমসত্ত্ব সাম্যাবস্থা: বিক্রিয়ক ও উৎপাদ একই ভৌত অবস্থায় থাকে। অসমসত্ত্ব সাম্যাবস্থা: বিক্রিয়ক ও উৎপাদ ভিন্ন ভৌত অবস্থায় থাকে। ভর-ক্রিয়া সূত্র: বিক্রিয়ার হার বিক্রিয়ক পদার্থের সক্রিয় ভরের সমানুপাতিক। $K_p = K_c(RT)^{\Delta n}$। $\Delta n = 0$ হলে $K_p = K_c$। লা-শাতেলিয়ার নীতি: তাপমাত্রা, চাপ বা ঘনমাত্রা পরিবর্তন করলে সাম্যাবস্থা এমনভাবে পরিবর্তিত হয় যাতে পরিবর্তনের ফলাফল প্রশমিত হয়। অ্যামোনিয়া উৎপাদন (হ্যাবার পদ্ধতি): $N_2 + 3H_2 \rightleftharpoons 2NH_3 + 92.38 \text{ kJ}$। অনুকূল শর্ত: $450-550^\circ C$, $200 \text{ atm}$, $Fe$ অনুঘটক। সালফিউরিক অ্যাসিড উৎপাদন (স্পর্শ পদ্ধতি): $2SO_2 + O_2 \rightleftharpoons 2SO_3 + 192.5 \text{ kJ}$। অনুকূল শর্ত: $400-500^\circ C$, $1.7 \text{ atm}$, $V_2O_5$ অনুঘটক। অ্যাসিড-ক্ষার সাম্যাবস্থা ব্রনস্টেড-লাউরি মতবাদ: অ্যাসিড প্রোটন দাতা, ক্ষার প্রোটন গ্রহীতা। লুইস মতবাদ: অ্যাসিড ইলেকট্রন যুগল গ্রহীতা, ক্ষার ইলেকট্রন যুগল দাতা। pH: $- \log[H^+]$। $pH + pOH = 14$। বাফার দ্রবণ: যে দ্রবণে সীমিত পরিমাণে অ্যাসিড বা ক্ষার যোগ করলেও pH এর বিশেষ পরিবর্তন হয় না। রক্তের pH: $7.4$। দুর্বল অ্যাসিড ও এর লবণ: অ্যাসিডিক বাফার। দুর্বল ক্ষার ও এর লবণ: ক্ষারীয় বাফার। অসওয়াল্ডের লঘুকরণ সূত্র: দুর্বল তড়িৎ বিশ্লেষ্যের বিয়োজন মাত্রা দ্রবণের ঘনমাত্রার বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। অ্যাসিড-ক্ষার নির্দেশক: অ্যাসিড ও ক্ষারীয় মাধ্যমে ভিন্ন রঙ দেখায়। মিথাইল অরেঞ্জ: pH $3.1-4.0$, অ্যাসিডে গোলাপী লাল, ক্ষারে হলুদ। ফেনলফথ্যালিন: pH $8.3-10$, অ্যাসিডে বর্ণহীন, ক্ষারে গোলাপী। তীব্র অ্যাসিড-দুর্বল ক্ষার টাইট্রেশন: মিথাইল অরেঞ্জ। দুর্বল অ্যাসিড-তীব্র ক্ষার টাইট্রেশন: ফেনলফথ্যালিন। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় শক্তির রূপান্তর শক্তির নিত্যতা সূত্র: শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যায় না, শুধু এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়। তাপোৎপাদী বিক্রিয়া: তাপ উৎপন্ন হয়, $\Delta H = -\text{ve}$। তাপহারী বিক্রিয়া: তাপ শোষিত হয়, $\Delta H = +\text{ve}$। সকল দহন বিক্রিয়া: তাপোৎপাদী। ব্যতিক্রম: $N_2 + O_2 \rightleftharpoons 2NO$। সকল প্রশমন বিক্রিয়া: তাপোৎপাদী। গঠন তাপ: 1 মোল যৌগ উৎপাদনে এনথালপির পরিবর্তন। দহন তাপ: 1 মোল পদার্থ অক্সিজেনে সম্পূর্ণ দহনে এনথালপির পরিবর্তন। প্রশমন তাপ: 1 মোল $H^+$ ও $OH^-$ এর বিক্রিয়ায় তাপের পরিবর্তন (তীব্র অ্যাসিড-তীব্র ক্ষার: $-57.34 \text{ kJ/mol}$)। হেসের সূত্র: বিক্রিয়ার এনথালপির পরিবর্তন প্রাথমিক ও শেষ অবস্থার উপর নির্ভর করে, পথের উপর নয়। কর্মমুখী রসায়ন খাদ্য সংরক্ষণ: লবণ, চিনি, অ্যালকোহল, ভিনেগার, তেল, বেনজোয়েট, সরবেট, নাইট্রেট। অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট: বেনজোয়েট, সরবেট, নাইট্রেট। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এজেন্ট: সালফাইট, ভিটামিন ই, ভিটামিন সি, BHT, BHA, TBHQ। লবণ দিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ: কিউরিং। ভিনেগার: $6-10\%$ ইথানোয়িক অ্যাসিডের জলীয় দ্রবণ। ব্ল্যাঞ্চিং: খাদ্যবস্তুকে জীবাণুমুক্ত করতে $5-10$ মিনিট উত্তপ্ত করা। ক্যানিং: খাদ্যবস্তুকে জীবাণুমুক্ত করে বায়ুরোধী অবস্থায় সংরক্ষণ। সাসপেনশন: ক্ষুদ্র কণার মিশ্রণ। কোয়াগুলেশন: কলয়েড কণার অধঃক্ষেপ তৈরি। দুধের প্রোটিন: কেসিন। ঘি তৈরি: মাখনকে $120^\circ C$ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করে। গ্লাস ক্লিনার: অ্যামোনিয়া, অ্যালকোহল, ভিনেগার, সিলিকন, সারফ্যাক্ট্যান্ট। টয়লেট ক্লিনার: কস্টিক সোডা, বেকিং সোডা, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড। সোপানিফিকেশন: উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ। রসায়ন ২য় পত্র পরিবেশ রসায়ন বায়ুমণ্ডলের উপাদান ও পদার্থের অবস্থা কঠিন পদার্থের: নির্দিষ্ট আয়তন ও আকৃতি আছে। তরল পদার্থের: নির্দিষ্ট আয়তন আছে, কিন্তু আকৃতি নেই। গ্যাসীয় পদার্থের: নির্দিষ্ট আয়তন ও আকৃতি কোনোটাই নেই। গ্যাসীয় অবস্থায়: আণবিক বিশৃঙ্খলা ও গতিশক্তি সর্বোচ্চ। ঊর্ধ্বপাতন: কঠিন থেকে সরাসরি বাষ্পে রূপান্তর (যেমন, বেনজোয়িক অ্যাসিড, কর্পূর, আয়োডিন, নিশাদল, ন্যাপথালিন)। তরল ক্রিস্টাল: তরল ও কঠিনের মাঝামাঝি ধর্ম প্রদর্শনকারী পদার্থ। প্লাজমা: পদার্থের চতুর্থ অবস্থা, উচ্চ তাপমাত্রায় আয়নিক অবস্থা। বয়েলের সূত্র: $P \propto 1/V$ (স্থির $T$)। চার্লসের সূত্র: $V \propto T$ (স্থির $P$)। গে-লুসাকের চাপের সূত্র: $P \propto T$ (স্থির $V$)। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্র: $r \propto 1/\sqrt{M}$। আদর্শ গ্যাস: বয়েল ও চার্লসের সূত্র মেনে চলে। বাস্তব গ্যাস: উচ্চ তাপমাত্রা ও নিম্ন চাপে আদর্শ গ্যাসের মতো আচরণ করে। আদর্শ গ্যাস সমীকরণ: $PV=nRT$। ডাল্টনের আংশিক চাপ সূত্র: মিশ্রিত গ্যাসের চাপ নির্ণয়। নাইট্রোজেন চক্র: বায়ুমণ্ডলীয় $N_2$ কে যৌগে রূপান্তর। অম্ল বৃষ্টি: $pH = 1.8-5.5$ (প্রধানত $SO_2, NO_2$)। আর্হেনিয়াস মতবাদ: অ্যাসিড $H^+$ দেয়, ক্ষার $OH^-$ দেয়। ব্রনস্টেড-লাউরি মতবাদ: অ্যাসিড প্রোটন দাতা, ক্ষার প্রোটন গ্রহীতা। লুইস মতবাদ: অ্যাসিড ইলেকট্রন যুগল গ্রহীতা, ক্ষার ইলেকট্রন যুগল দাতা। পানি বিশুদ্ধতার মানদণ্ড খর পানি: $Ca^{2+}$ ও $Mg^{2+}$ এর লবণ মিশ্রিত পানি। স্থায়ী খরতা: ক্লোরাইড ও সালফেট লবণ। অস্থায়ী খরতা: বাইকার্বনেট লবণ। DO (Dissolved Oxygen): পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন। BOD (Biochemical Oxygen Demand): জৈব রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা। COD (Chemical Oxygen Demand): রাসায়নিক অক্সিজেন চাহিদা (BOD এর চেয়ে বেশি)। মিনামাটা রোগ: মিথাইল মারকিউরির বিষক্রিয়ায় হয়। আর্সেনিকোসিস: আর্সেনিক দূষণ জনিত রোগ। জৈব রসায়ন জৈব রসায়ন ও সমাণুতা জৈব যৌগ: কার্বন শিকল দ্বারা গঠিত। প্রোটন শক্তি মতবাদ: বার্জেলিয়াসের মতে জৈব যৌগ রহস্যজনক শক্তি দ্বারা তৈরি। ওহলার: অ্যামোনিয়াম সায়ানেট থেকে ইউরিয়া প্রস্তুত করেন। ক্যাটেনেশন: কার্বন পরমাণুর নিজেদের মধ্যে যুক্ত হয়ে দীর্ঘ শিকল গঠনের ধর্ম। সিগমা ($\sigma$) বন্ধন: অরবিটালগুলোর মুখোমুখি অধিক্রমণ। পাই ($\pi$) বন্ধন: অরবিটালগুলোর আংশিক পার্শ্ব অধিক্রমণ। হোমোলোগাস সিরিজ: একই প্রকার কার্যকরী মূলক ও ধর্মবিশিষ্ট যৌগের শ্রেণী। সমাণুতা: একই আণবিক সংকেত কিন্তু ভিন্ন গাঠনিক সংকেত বা ত্রিমাত্রিক বিন্যাস। গঠনমূলক সমাণুতা: শিকল, অবস্থান, কার্যকরী মূলক, মেটামারিজম, টটোমারিজম। জ্যামিতিক সমাণুতা (সিস-ট্রান্স): কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধনের অক্ষ বরাবর মুক্ত আবর্তন সম্ভব না হলে। আলোক সমাণুতা: একই ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম কিন্তু এক-সমতলীয় আলোর প্রতি ভিন্ন আচরণ। কাইরাল কার্বন: একটি কার্বনে চারটি ভিন্ন পরমাণু বা মূলক যুক্ত থাকলে। এনানসিওমার: আলোক সমাণুর দর্পণ প্রতিবিম্ব। রেসিমিক মিশ্রণ: এনানসিওমারের সমমোলার মিশ্রণ। হাইড্রোকার্বন হাইড্রোকার্বন: হাইড্রোজেন ও কার্বন দ্বারা গঠিত। সম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন (অ্যালকেন): কার্বন-কার্বন একক বন্ধন। অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন (অ্যালকিন): কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন। অসম্পৃক্ত হাইড্রোকার্বন (অ্যালকাইন): কার্বন-কার্বন ত্রিবন্ধন। অ্যালকেন: রাসায়নিকভাবে কম সক্রিয়, প্যারাফিন নামে পরিচিত। মিথেন: মার্শ গ্যাস। অ্যালকিনের শনাক্তকরণ: ব্রোমিন পানি পরীক্ষা (রঙ নষ্ট হয়), বেয়ার পরীক্ষা (গোলাপী রঙ নষ্ট হয়)। মার্কোনিকভের নীতি: অপ্রতিসম অ্যালকিনের সাথে অপ্রতিসম বিকারকের যুত বিক্রিয়ায় বিকারকের ঋণাত্মক অংশ কম সংখ্যক হাইড্রোজেন পরমাণুযুক্ত কার্বনে যুক্ত হয়। বিপরীত মার্কোনিকভের নীতি: পার-অক্সাইডের উপস্থিতিতে মার্কোনিকভের নীতির বিপরীত ঘটে। অ্যালকিনের পলিমারকরণ: পলিইথিলিন, পলিপ্রোপিলিন, PVC, টেফলন। অ্যালকাইন: অম্লধর্মী। হ্যাকেল নীতি: $(4n+2)$ সংখ্যক পাই ($\pi$) ইলেকট্রন। অর্থো-প্যারা নির্দেশক: $-\text{CH}_3, -\text{OH}, -\text{NH}_2, -\text{Cl}$। মেটা নির্দেশক: $-\text{NO}_2, -\text{SO}_3H, -\text{COOH}, -\text{CHO}$। অ্যালকেন প্রস্তুতি: উর্জ বিক্রিয়া ($RX + Na \rightarrow R-R$)। অ্যালকাইন প্রস্তুতি: ক্যালসিয়াম কার্বাইড থেকে ইথাইন। অ্যারোমেটিক যৌগ: বেনজিন, টলুইন, ন্যাপথালিন। বেনজিন: অসম্পৃক্ত, কিন্তু সংযোজন বিক্রিয়ার চেয়ে প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া বেশি দেয়। টলুইন: অর্থো-প্যারা নির্দেশক। TNT: $2,4,6$-ট্রাইনাইট্রোটলুইন (বিস্ফোরক)। wurtz-fittig বিক্রিয়া: $ArX+2Na+RX \rightarrow Ar-R+2NaX$। ফ্রাইডেল-ক্রাফটস অ্যালকাইলেশন: বেনজিনের সাথে অ্যালকাইল হ্যালাইডের বিক্রিয়া। অ্যালকোহল, ফেনল ও ইথার অ্যালকোহল: হাইড্রোকার্বনের $-\text{OH}$ মূলকযুক্ত জাতক। ফেনল: বেনজিন বলয়ের সাথে $-\text{OH}$ মূলক যুক্ত। ইথার: $R-O-R'$। অ্যালকোহলের শ্রেণীবিভাগ: $1^\circ, 2^\circ, 3^\circ$ অ্যালকোহল। লুকাস বিকারক: গাঢ় $HCl$ ও অনাদ্র $ZnCl_2$ এর দ্রবণ। $3^\circ$ অ্যালকোহল দ্রুত বিক্রিয়া দেয়। ইথানল (ইথাইল অ্যালকোহল): গাঁজন প্রক্রিয়ায় প্রস্তুত হয়। মিথানল (মিথাইল অ্যালকোহল): অত্যন্ত বিষাক্ত। অ্যালকোহলের জারণ: $1^\circ$ অ্যালকোহল $\rightarrow$ অ্যালডিহাইড $\rightarrow$ কার্বক্সিলিক অ্যাসিড। $2^\circ$ অ্যালকোহল $\rightarrow$ কিটোন $\rightarrow$ কার্বক্সিলিক অ্যাসিড। $3^\circ$ অ্যালকোহল জারণে প্রতিরোধী। হ্যালোফর্ম বিক্রিয়া: $-\text{CH}_3\text{CO}-$ বা $-\text{CH(OH)CH}_3$ মূলকযুক্ত যৌগ দেয়। ফেনল: মৃদু অম্লধর্মী। $FeCl_3$ দ্রবণের সাথে বেগুনি রঙ দেয়। রাইমার-টাইম্যান বিক্রিয়া: ফেনল থেকে স্যালিসিল্যালডিহাইড। কোলব বিক্রিয়া: ফেনল থেকে স্যালিসিলিক অ্যাসিড। পিক্রিক অ্যাসিড: $2,4,6$-ট্রাইনাইট্রোফেনল (বিস্ফোরক)। ইথার: নিষ্ক্রিয় দ্রাবক, কম স্ফুটনাঙ্ক। উইলিয়ামসন সংশ্লেষণ: ইথার প্রস্তুতি ($R-ONa + R'-X \rightarrow R-O-R' + NaX$)। গ্রিগনার্ড বিকারক: $RMgX$। ক্লোরোফর্ম: $CHCl_3$ (চেতনানাশক)। কার্বন টেট্রাক্লোরাইড: $CCl_4$ (অগ্নি নির্বাপক হিসেবে)। ডিডিটি: $p,p'$-ডাইক্লোরোডাইফিনাইলট্রাইক্লোরোইথেন (কীটনাশক)। অ্যালডিহাইড ও কিটোন কার্বনিল যৌগ: অ্যালডিহাইড ও কিটোন। অ্যালডিহাইড: $R-CHO$ (বিজারক ধর্ম আছে)। কিটোন: $R-CO-R'$ (বিজারক ধর্ম নেই)। টলেন্স বিকারক: অ্যামোনিয়াযুক্ত সিলভার নাইট্রেট দ্রবণ (সিলভার দর্পণ পরীক্ষা)। ফেলিং দ্রবণ: কিউপ্রিক অক্সাইডের ক্ষারীয় দ্রবণ (লাল অধঃক্ষেপ)। অ্যালডিহাইড ও কিটোনের পার্থক্য: টলেন্স ও ফেলিং পরীক্ষা। ফরমালিন: $30-40\%$ ফরমালডিহাইডের জলীয় দ্রবণ (জীবদেহ সংরক্ষণে)। ক্যানিজারো বিক্রিয়া: $\alpha$-হাইড্রোজেনবিহীন অ্যালডিহাইড দেয় (যেমন, ফরমালডিহাইড, বেনজালডিহাইড)। অ্যালডল ঘনীভবন: $\alpha$-হাইড্রোজেনযুক্ত অ্যালডিহাইড বা কিটোন দেয়। ক্লেমেনসেন বিজারণ: অ্যালডিহাইড/কিটোন থেকে হাইড্রোকার্বন ($Zn(Hg)/HCl$)। রোজেনমুন্ড বিজারণ: অ্যাসিড ক্লোরাইড থেকে অ্যালডিহাইড ($Pd/BaSO_4$)। হেক্সামিন (ইউরোট্রোপিন): ফরমালডিহাইড ও অ্যামোনিয়ার বিক্রিয়ায় তৈরি, মূত্রাশয়ের ঔষধ। জৈব অ্যাসিড ও তাদের জাতকসমূহ কার্বক্সিলিক অ্যাসিড: $R-COOH$। ফ্যাটি অ্যাসিড: অ্যালিপ্যাটিক মনোক্সিলিক অ্যাসিড। ফরমিক অ্যাসিড: পিপড়া, মৌমাছি, বোলতার হুলে থাকে। অ্যাসিটিক অ্যাসিড: ভিনেগারের প্রধান উপাদান। কার্বক্সিলিক অ্যাসিডের জাতক: অ্যাসিড হ্যালাইড, অ্যাসিড অ্যামাইড, এস্টার, অ্যাসিড অ্যানহাইড্রাইড। এস্টার: মিষ্টি গন্ধযুক্ত, ফল ও ফুলের সুগন্ধের কারণ। সাবান: উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম বা পটাশিয়াম লবণ। সাপোনিফিকেশন: তেল বা চর্বির ক্ষারীয় আর্দ্র বিশ্লেষণ (সাবান তৈরি)। ডিকার্বক্সিলেশন: কার্বক্সিলিক অ্যাসিড থেকে $CO_2$ অপসারণ। হফম্যান ক্ষুদ্রাংশকরণ বিক্রিয়া: অ্যামাইড থেকে $1^\circ$ অ্যামিন (একটি কার্বন কম থাকে)। বেঞ্জোইক অ্যাসিড: খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। নাইলন $6:6$: অ্যাডিপিক অ্যাসিড ও হেক্সামিথিলিনডাইঅ্যামিন থেকে তৈরি। ভিটামিন সি: অ্যাসকরবিক অ্যাসিড। অ্যামিনসমূহ অ্যামিন: অ্যামোনিয়ার অ্যালকাইল বা অ্যারাইল প্রতিস্থাপিত জাতক। শ্রেণীবিভাগ: $1^\circ, 2^\circ, 3^\circ$ অ্যামিন। অ্যালকাইল অ্যামিন: অ্যামোনিয়ার চেয়ে শক্তিশালী ক্ষার। অ্যানিলিন: অ্যামোনিয়ার চেয়ে দুর্বল ক্ষার। কার্বিল অ্যামিন পরীক্ষা: $1^\circ$ অ্যামিনের শনাক্তকরণ (অত্যন্ত দুর্গন্ধযুক্ত আইসোসায়ানাইড তৈরি)। ডায়াজোটাইজেশন বিক্রিয়া: $1^\circ$ অ্যারোমেটিক অ্যামিন থেকে ডায়াজোনিয়াম লবণ তৈরি (সাধারণত $0-5^\circ C$ তাপমাত্রায়)। ডায়াজোনিয়াম লবণ: রঙিন রঞ্জক (অ্যাজো ডাই) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। স্যান্ডমেয়ার বিক্রিয়া: ডায়াজোনিয়াম লবণ থেকে হ্যালাইড বা সায়ানাইড প্রতিস্থাপন। গ্যাটারম্যান বিক্রিয়া: স্যান্ডমেয়ার বিক্রিয়ার অনুরূপ, কিন্তু কপার চূর্ণ ব্যবহৃত হয়। পরিমাণগত রসায়ন রাসায়নিক গণনা স্থূল সংকেত: যৌগে বিদ্যমান পরমাণু সংখ্যার ক্ষুদ্রতম অনুপাত। আণবিক সংকেত: যৌগে বিদ্যমান পরমাণু সংখ্যার প্রকৃত সংখ্যা। $1 \text{ a.m.u} = 1.66056 \times 10^{-24} \text{ g}$। অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা ($N_A$): $6.022 \times 10^{23}$। $1$ মোল: $N_A$ সংখ্যক কণা, গ্রাম আণবিক ভর, STP তে $22.4 \text{ L}$। প্রমাণ দ্রবণ: যে দ্রবণের ঘনমাত্রা জানা আছে। প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: উচ্চ বিশুদ্ধতা, স্থিতিশীল, সহজে বিক্রিয়া করে না। সেকেন্ডারি স্ট্যান্ডার্ড পদার্থ: প্রাইমারি স্ট্যান্ডার্ডের বিপরীত বৈশিষ্ট্য। জারণ-বিজারণ জারণ: ইলেকট্রন ত্যাগ, জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি। বিজারণ: ইলেকট্রন গ্রহণ, জারণ সংখ্যা হ্রাস। জারক: অন্যকে জারিত করে, নিজে বিজারিত হয় (ইলেকট্রন গ্রহণ)। বিজারক: অন্যকে বিজারিত করে, নিজে জারিত হয় (ইলেকট্রন ত্যাগ)। জারণ সংখ্যা: একটি যৌগে কোনো পরমাণুর উপর আরোপিত চার্জ। মুক্ত অবস্থায় মৌলের জারণ সংখ্যা: $0$। যৌগের সকল পরমাণুর জারণ সংখ্যার যোগফল: $0$। আয়নের সকল পরমাণুর জারণ সংখ্যার যোগফল: আয়নের চার্জের সমান। $KMnO_4$: শক্তিশালী জারক। $K_2Cr_2O_7$: শক্তিশালী জারক। $SO_2, H_2O_2$: জারক ও বিজারক উভয় হিসেবে কাজ করতে পারে। শতকরা অংক শতকরা সংযুতি: যৌগে প্রতিটি মৌলের ভরের শতকরা পরিমাণ। $ppm$ (parts per million): $10^6$ অংশে পদার্থের পরিমাণ। $1 \text{ ppm} = 1 \text{ mg/L}$। আয়োডোমিতি, টাইট্রেশন আয়োডোমিতি: প্রমাণ আয়োডিন দ্রবণের সাহায্যে টাইট্রেশন। আয়োডোমিতি: উৎপন্ন মুক্ত আয়োডিনের সাহায্যে টাইট্রেশন। টাইট্রেশন: প্রমাণ দ্রবণের সাহায্যে অজানা ঘনমাত্রার দ্রবণের ঘনমাত্রা নির্ণয়। নির্দেশক: টাইট্রেশনের শেষ বিন্দু নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। স্টার্চ: আয়োডোমিতি/আয়োডোমিতিতে নির্দেশক। ফেনলফথ্যালিন: তীব্র ক্ষার-দুর্বল অ্যাসিড টাইট্রেশন। মিথাইল অরেঞ্জ: তীব্র অ্যাসিড-দুর্বল ক্ষার টাইট্রেশন। তড়িৎ রসায়ন তড়িৎ পরিবাহিতা ও বৈদ্যুতিক বিশ্লেষণ তড়িৎ পরিবাহী: বিদ্যুৎ পরিবহন করে (ধাতু, গ্রাফাইট, গলিত বা দ্রবীভূত তড়িৎ বিশ্লেষ্য)। অর্ধপরিবাহী: আংশিক বিদ্যুৎ পরিবহন করে (জার্মেনিয়াম, সিলিকন)। অপরিবাহী: বিদ্যুৎ পরিবহন করে না (কাঁচ, কাঠ, রাবার)। তড়িৎ বিশ্লেষণ: তড়িৎ প্রবাহের মাধ্যমে তড়িৎ বিশ্লেষ্য পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তন। তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ: তড়িৎ বিশ্লেষণ ঘটানো হয়। ক্যাথোড: ঋণাত্মক তড়িৎদ্বার, বিজারণ ঘটে। অ্যানোড: ধনাত্মক তড়িৎদ্বার, জারণ ঘটে। ফ্যারাডের সূত্র: তড়িৎ বিশ্লেষণের পরিমাণ প্রবাহিত চার্জের সমানুপাতিক। ইলেকট্রোপ্লেটিং: একটি ধাতুর উপর অন্য ধাতুর প্রলেপ দেওয়া। ডাউনের পদ্ধতি: গলিত $NaCl$ থেকে $Na$ ধাতু নিষ্কাশন। বক্সাইট: $Al_2O_3 \cdot 2H_2O$ (অ্যালুমিনিয়াম নিষ্কাশন)। ফ্যারাডে ধ্রুবক ($F$): $96500 \text{ C/mol}$। তড়িৎ রাসায়নিক কোষ গ্যালভানিক কোষ: রাসায়নিক শক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তর করে। ড্যানিয়েল কোষ: একটি গ্যালভানিক কোষ ($Zn/Zn^{2+} || Cu^{2+}/Cu$)। শুষ্ক কোষ: লেকল্যান্স কোষের পরিবর্তিত রূপ। সঞ্চয়ী কোষ: চার্জ করা যায় (লেড-অ্যাসিড ব্যাটারি, নিকেল-অক্সাইড ব্যাটারি)। তড়িৎদ্বার বিভব: ধাতু দণ্ড ও তার লবণের দ্রবণের মধ্যে সৃষ্ট বিভব পার্থক্য। প্রমাণ তড়িৎদ্বার বিভব: $25^\circ C$, $1 \text{ atm}$, $1 \text{ M}$ ঘনমাত্রায় বিভব। প্রমাণ হাইড্রোজেন তড়িৎদ্বার: রেফারেন্স তড়িৎদ্বার, বিভব $0 \text{ V}$। তড়িৎ রাসায়নিক সিরিজ: ধাতুসমূহের প্রমাণ বিজারণ বিভবের ক্রম। কোষের EMF ($E_{cell}$): $E_{ox}(\text{অ্যানোড}) + E_{red}(\text{ক্যাথোড})$। $E_{cell} > 0$ হলে বিক্রিয়া স্বতঃস্ফূর্ত। অর্থনৈতিক রসায়ন প্রাকৃতিক গ্যাস: মিথেন ($CH_4$) প্রধান উপাদান। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার, শিল্পে ব্যবহৃত হয়। কয়লা: কার্বনের পরিমাণ অনুসারে লিগনাইট, সাব-বিটুমিনাস, বিটুমিনাস, অ্যানথ্রাসাইট। ইউরিয়া উৎপাদন: মিথেন থেকে $NH_3$ ও $CO_2$ তৈরি করে। কাঁচ: অদানাদার স্বচ্ছ কঠিন পদার্থ। প্রধান কাঁচামাল: বালি ($SiO_2$), সোডা ($Na_2O$), চুন ($CaO$)। সিরামিক: কাদামাটি, ফেল্ডস্পার, বালি। সিমেন্ট: ক্যালসিয়াম সিলিকেট, ক্যালসিয়াম অ্যালুমিনেট, ক্যালসিয়াম ফেরোঅ্যালুমিনেট। পোড়ামাটির সিমেন্ট: প্রধান উপাদান ক্যালসিয়াম অক্সাইড ($CaO$)। কাগজ উৎপাদন: পাল্প (মণ্ড) থেকে। চামড়া ট্যানিং: $Cr_2(SO_4)_3$ ব্যবহার করা হয়। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: ETP (Effluent Treatment Plant)। পুনর্ব্যবহার (Recycling): অ্যালুমিনিয়াম, কপার, কাঁচ, কাগজ, প্লাস্টিক। ন্যানো কণা: $1-100 \text{ nm}$ আকারের কণা। ন্যানো টেকনোলজি: ন্যানো কণার ব্যবহার।